• শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:২৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা-৮ এ ধানের শীষের জয়: ৫ হাজার ৬৯৬ ভোটে এগিয়ে মির্জা আব্বাস,,,, ঢাকা-৮ আসনে বাতিল ভোট পুনঃগণনার দাবি: ফলাফল টেম্পারিংয়ের অভিযোগ এনসিপির,,,, শান্তিপূর্ণ ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা: সরকার গঠনের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জাপানের নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ,,, রয়টার্সের বিশ্লেষণ: প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান,,, ৪২ হাজারের বেশি ভোটকেন্দ্র, অর্ধেক ঝুঁকিপূর্ণ—ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা,,, ভয় নয়, সাহস নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যান—১৭ বছরের নীরবতার জবাব দেবে ব্যালট: প্রধান উপদেষ্টা,,, কলাপাড়ায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারে রাজনীতিবিদদের ভূমিকা নিয়ে শিক্ষার্থীদের জমজমাট বিতর্ক,,, কলাপাড়ায় গোলগাছের রসে তৈরি ভিন্নস্বাদের গুড়, বাড়তি আয়ের নতুন সম্ভাবনা,,, গ্রামেই মিলছে দ্রুত ন্যায়বিচার: কলাপাড়ার ধুলাসার ইউনিয়নে ২৩ মাসে ১১২ মামলা নিষ্পত্তি,,,

দুমকিতে বিবাহিত ও ছাত্রদল নেতাকে নিয়ে ছাত্রলীগের কমিটি গঠন’র অভিযোগ/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।

রিপোর্টার: / ২৫৩ পঠিত
আপডেট: রবিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২২

এম জাফরান হারুন, , পটুয়াখালীঃ পটুয়াখালীর দুমকির সদ্যঘোষিত মুরাদিয়া ইউনিয়ন শাখা ছাত্রলীগের কমিটিতে বিবাহিত ও ছাত্রদলের সহ সভাপতি পদ থেকে আসা ব্যক্তিকে নিয়ে সভাপতির পদ দিয়ে কমিটি ঘোষণার অভিযোগ উঠেছে।

গত শুক্রবার (১১ নভেম্বর) দুমকি উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম জীবন ও সাধারণ সম্পাদক মো. সবুজ সিকদার এর স্বাক্ষরিত এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে মুরাদিয়া ইউনিয়নে মোঃ ফারুক হোসেনকে সভাপতি ও মোঃ সিফাত হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৮ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। কমিটি গঠনের পর থেকে পদবঞ্চিত ছাত্রলীগ কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

পরেরদিন শনিবার (১২ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীরা অভিযোগ করেন, নবগঠিত কমিটির সভাপতি মোঃ ফারুক হোসেন বিবাহিত এবং তার একটি সন্তান রয়েছেন। তিনি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি পদে ছিলেন।

এক কাবিন নামা মোতাবেক দেখা যায়, ফারুক ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই নিকাহ রেজিস্ট্রার ও কাজী’র দফতরে তিন লক্ষ টাকা দেন মোহর ধার্য করে জান্নাতুল ফেরদৌসী নামে এক জনকে বিয়ে করেন এবং সে মুরাদিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের ৩ নং সহ-সভাপতি ছিলেন বলে ছাত্রদলের একটি কমিটিতে দেখা যায়।

ঘটনার সত্যতা শিকার করে বিয়ে পড়ানো কাজী যানান, উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী নেতার চাপে তিনি বিষয়টি গোপন রেখেছেন।

অভিযোগ অস্বীকার করে মো.ফারুক হোসেন বলেন, এগুলো আমার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ সাজানো ভিত্তিহীন অভিযোগ।

এদিকে ঘটনা অস্বীকার করে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম জীবন বলেন, এগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। ফারুক এর আগেও ছাত্রলীগের কমিটিতে ছিলেন।

সদ্যঘোষিত পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. তানভীর হাসান আরিফ বলেন, বিভিন্ন উপজেলায় এই কমিটি যারা দিতেছে তাদের কমিটি দেওয়ার অনুমতি নেই। এই কমিটি গ্রহন যোগ্য হবে না। তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ছাত্রলীগে বিবাহিত, অছাত্র, দলে অনুপ্রবেশকারীদের কোন স্থান দেওয়া হবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ