• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ৬৪ জেলায় সমন্বিত কর্মসূচির আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

বাউফলে বেয়াইন প্রেমিকার সাথে দেখা করতে এসে আটক বেয়াই প্রেমিক/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। 

রিপোর্টার: / ২৫৯ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

এম জাফরান হারুন,পটুয়াখালী প্রতিনিধি।।

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় রাতের গভীরে বেয়াইন প্রেমিকার সাথে দেখা করতে এসে আটক হয়েছেন বেয়াই প্রেমিক। পরে গণধোলাইয়ের শিকার হয়ে একদিন আটক থাকার পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার খবর পাওয়া গেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে গত রোববার (২৯শে জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১১টার দিকে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বড় ডালিমা গ্রামের সত্তার প্যাদার বাড়িতে। আটক বেয়াই প্রেমিকের নাম মোঃ নাঈম মুন্সি (২২), তিনি দশমিনা উপজেলার বগুড়া আমতলা গ্রামের বাসিন্দা নয়ন মুন্সির ছেলে।

আর বেয়াইন প্রেমিকার নাম মোসাঃ নিপা আক্তার (১৪), তিনি বাউফল উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বড় ডালিমা গ্রামের বাসিন্দা মোঃ শামীম প্যাদার মেয়ে। সে কালাইয়া রব্বানীয়া কামিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

মেয়ের মা সহ বাড়ির লোকজন জানান, আমাদের বড় মেয়ের শ্বশুরের আপন ভায়রা পুত্র হয় নাঈম। সেই রাবিদে তারা বেয়াইন ও বেয়াই হয়। বড় মেয়ে ও জামাই আমাদের বাড়িতে বেড়াতে আসলে মাঝেমধ্যে নাঈমও বেড়াতে আসতো। সেই আসাযাওয়ায় আমার ছোট মেয়ে নিপার সাথে নাঈমের সম্পর্ক হয়। এদিকে নাঈম বিজিবির চাকরি পাওয়ায় চাকরিতে চলে গেলে তাদের মধ্যে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কথা হতো। তাই নাঈম ছুটি পেয়ে নিজের বাড়ি এসে পরে মেয়ের সাথে দেখা করতে রোববার দিনগত রাতে আমাদের বাড়ি আসে। আমরা টের পেয়ে গেলে নাঈম দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাকে বাড়ির লোকজন সহ স্থানীয় লোকজন ধরে মারধর করে ঘরে নিয়ে আসে।

তারা আরও জানান, আমরা প্রথমে চোর ভেবে ডাকচিৎকার দিলে লোকজন ধরে ফেলে। এবং দেখতে পাই আমাদের বড় মেয়ের আপন খালাতো দেবর মানে আমাদের পুত্রা হয়। ঘটনার সত্যতা স্বীকার পূর্বক তার পরিবারকে খবর দিয়ে পরেরদিন রাতে হাতে তুলে দেওয়া হয়।

এব্যাপারে প্রেমিক বেয়াই নাঈম মুন্সির মোবাইল নম্বরে জানার জন্য একাধিকবার কল করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

মেয়ের বাবা শামীম প্যাদা বলেন, আমার বড় মেয়ে তার আত্মীয়ের কাছে দেওয়া তাই খারাপ কিছু করিনি। আবার ছেলেটি নতুন চাকরি নিয়েছে, যদি কোনও সমস্যা হয় তাই তার পরিবারকে খবর দিয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ