• শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
গাজার ধ্বংসস্তূপ: স্যাটেলাইট ইমেজে ফুটে উঠল চিত্র বাংলা কিউআর লেনদেনে কোনো ফি লাগবে না: অর্থমন্ত্রী শুক্রবার ঢাকায় পৌঁছাচ্ছে রূপপুরের জন্য নতুন ইউরেনিয়াম জ্বালানি মেট্রোরেলের লাইন-১ ও ৫ প্রকল্পে ৪৬ হাজার কোটি টাকার ইন্দোনেশিয়ার কাছে বড় ব্যবধানে পিছিয়ে বাংলাদেশ তুরস্কের দুরুপিনার ফরমেশনে ফের নূহের নৌকার বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান নির্ধারিত দামেই এলপিজি বিক্রি নিশ্চিত করতে কঠোর হুঁশিয়ারি ক্যালিফোর্নিয়ায় আবাসিক এলাকায় বিমান বিধ্বস্ত, নিহত অন্তত ৪ সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগ: আসন শূন্য ঘোষণা এশিয়ান গেমস ফাইনালে মুখোমুখি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত-পাকিস্তান

চীনের প্রতি বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান

রিপোর্টার: / ৩২ পঠিত
আপডেট: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

 

চীনের প্রতি বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান

নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে চীনের ভূমিকা চান রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়ানো এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরিতে চীনের সহযোগিতা আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিদায়ী সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান। পরে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

সাক্ষাতে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় চীনের গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, সংকট সমাধানে চীনের উদ্যোগ রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবাসনের পথ সুগম করতে সহায়ক হবে।

বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে চীনের বিনিয়োগ ও সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে রাষ্ট্রপতি তৈরি পোশাক, বৈদ্যুতিক যানবাহন, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, উচ্চপ্রযুক্তির ইলেকট্রনিকস, সেমিকন্ডাক্টর ও সৌরশক্তিসহ সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান।

আঞ্চলিক যোগাযোগের ক্ষেত্রেও দুই দেশের সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। কুনমিং-চট্টগ্রাম করিডর এবং চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডরসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক যোগাযোগ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, পারস্পরিক স্বার্থে চীন ও সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ।

মোংলা বন্দর আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ এবং চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে বাংলাদেশের যোগাযোগব্যবস্থা, শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ সময় তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হয়। প্রকল্পটিতে চীনের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। একই সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা আরও এগিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন তিনি।

সাক্ষাতে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক জোরদারে বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের অবদানের প্রশংসা করেন মির্জা ফখরুল। তিনি চীনকে বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু ও কৌশলগত অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করে আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী ও সুসংহত হবে।

রাষ্ট্রপতি এক হাজার শয্যার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল নির্মাণ ও অর্থায়নের জন্য চীনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে জনগণের জন্য উন্মুক্ত জটিল ব্লাড ক্যান্সার চিকিৎসায় চীনা দক্ষতা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা চান। জবাবে রাষ্ট্রদূত সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

সাক্ষাতের শেষ পর্যায়ে বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের ভবিষ্যৎ সাফল্য ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন রাষ্ট্রপতি। বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক উন্নয়নে তাঁর অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিব ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব উপস্থিত ছিলেন। চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি চিফ অব মিশন ড. লিউ ইউইন। (


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ