• সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপি কার্যালয়ের কাছে পরপর বিস্ফোরণ, গাংনীতে আতঙ্ক সংঘাত নয়, সমঝোতার রাজনীতিতে দেশ এগিয়ে নিতে হবে ঢাকার চারপাশের নদী রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সম্মেলনে রোহিঙ্গা সংকট ও জাতীয় স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানালেন শামা ওবায়েদ জাতিসংঘে নতুন বাংলাদেশের বার্তা নিয়ে যাবেন প্রধানমন্ত্রী: হুমায়ুন কবির জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাজপথ-সংসদে আন্দোলনের ঘোষণা শফিকুর রহমানের কলাপাড়ায় জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ঘিরে প্রস্তুতি সভা মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি, রিজভী ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব: সাতক্ষীরায় বিএনপির আনন্দ মিছিল ছাত্রীদের সর্বজনীন উপবৃত্তি পুনর্বহালের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনোভেশন হাব ও স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়তে চায় সরকার: মাহ্দী আমিন

দুই সন্তানের জননী উধাও দিশেহারা স্বামী ভোলা জেলার লালমোহনে ।

রিপোর্টার: / ৬৭৯ পঠিত
আপডেট: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২০

মোঃ নজরুল ইসলাম।। লালমোহনে দুই সন্তানের জননী উধাও হয়েছে। দিশেহারা হয়ে পড়েছে স্বামী। উপজেলার লর্ড হার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, লর্ড হার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের হাকিম আলী রাঢ়ীর পুত্র মোঃ মহসীনের সাথে লালমোহন পৌরসভা ১নং ওয়ার্ডের মোঃ হারুনের মেয়ে আয়েশা আক্তার লাভলীর ১২/১৩ বছর আগে বিয়ে হয়। তাদের আব্দুল্লাহ আল জিদান ফাতেমা বেগম এশা নামে পুত্র ও কন্যা সন্তান রয়েছে। জীবিকার তাগিদে মহসীন কুমিল্লায় গাড়ি চালায়। সে সেখানেই থাকে। স্ত্রী ও সন্তান বাড়িতে থাকে। স্বামী বাড়িতে না থাকার সুযোগে স্ত্রী লাভলী বেপরোয়া চলাফেরা করে এবং বিভিন্ন সময় বিভিন্ন লোকের সাথে মোবাইলে কথা বলতো বলে জানান হতভাগ্য স্বামী মহসীন। উক্ত বিষয়ে মহসীন তার স্ত্রীর পিতা-মাতা ও ভাইদের জানালে তারা বিষয়টি পারিবারিকভাবে মীমাংসা করে দেয় এবং লাভলী আর বেপরোয়া চলাফেরা করবে না ও মোবাইলে বাহিরের কোন লোকজনের সঙ্গে কথা বলবে বলে জানিয়ে দেয়। পরে পূণরায় মহসীন তার স্ত্রী লাভলী ও সন্তান জিদানকে বাড়িতে রেখে জীবিকা নির্বাহের জন্য কুমিল্লায় গাড়ি চালাতে যায়। গত ১৩/০৬/২০২০ইং তারিখে লাভলীর বড় ভাই মোঃ মিরাজ মোবাইলে মহসীনকে জানায়, লাভলী বাড়ি থেকে ডাক্তার দেখানোর জন্য মেয়ে এশাকে নিয়ে ১২/০৬/২০২০ইং তারিখে সকাল অনুমান দশটার দিকে লালমোহন যায়। পরবর্তীতে আর বাড়িতে ফিরে আসেনি। এ খবর পেয়ে মিরাজ দ্রুত বাড়িতে চলে আসে এবং ঘরে ঢুকে দেখে তার স্ত্রী লাভলীর ব্যবহৃত স্বর্ণালংকার নেই। অনেক খোজাখুজির পরে মহসীন তার স্ত্রী লাভলী ও মেয়ে এশাকে খুঁজে পায়নি। এদিকে লাভলীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরে নিরুপায় হয়ে মহসীন বাদী হয়ে লালমোহন থানায় থানায় উক্ত বিষয়ে ২৪/০৬/২০২০ইং তারিখে একটি সাধারণ ডাইরি করে। মহসীন জানায়, আমার স্ত্রীর বয়স অনুমান তিরিশ বছর, উচ্চতা ৫ফুট ১ইঞ্চি হবে, গায়ের রং ফর্সা মুখমণ্ডল গোলাকার, পরনে কামিজ, গায়ে বোরকা ও মাথায় হিজাব ছিল। মেয়ের বয়স অনুমান পাঁচ বছর, উচ্চতা ৩ফুট ২ইঞ্চি হবে, গায়ের রং ফর্সা, মুখমণ্ডল গোলাকার, পরনে ফ্রক ও হাফ প্যান্ট ছিল। কোন হৃদয়বান ব্যক্তি তাদের খোঁজ পেলে লালমোহন থানায় অথবা তার বাড়ির ঠিকানায় জানাবার জন্য তিনি অনুরোধ করেন। স্ত্রী ও কন্যা সন্তানকে না পেয়ে মহসীন দিশেহারা হয়ে পড়েছে বলে জানা যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ