• সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মিঠা পানির মাছে উত্তরবঙ্গের সাফল্য, রাজশাহী এখন দেশের অন্যতম বৃহৎ সরবরাহ কেন্দ্র বিশ্বচ্যাম্পিয়ন এমআইএসটি দলকে প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা, তরুণ উদ্ভাবকদের পাশে থাকার ঘোষণা সৌদি প্রতিরক্ষা জোটে যোগ মানেই ইরানবিরোধী অবস্থান নয়: প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তিন মাস পর আবার এলপিজির দাম বৃদ্ধি, ১২ কেজি সিলিন্ডার ৭০ টাকা বেড়ে ১,৫৯৮ টাকা বেনজীরের জামিন বাতিলে দুবাইয়ে ল’ ফার্ম নিয়োগ, দ্রুত দেশে ফেরানোর আশা সরকারের দুর্গম বান্দরবানে নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিতে সেনাবাহিনীর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, গর্ভবতী ও শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রশিক্ষণ শুরু কলাপাড়ায় বিএনপি সভাপতিকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ, আইনি পদক্ষেপের ঘোষণা নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুললেই গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৭২ একর খাসজমি বন্দোবস্তে দায় প্রমাণিত, সাবেক ইউএনও শহিদুল হকের এক বছরের বেতন বৃদ্ধি স্থগিত কুয়াকাটায় সংবাদকর্মী কে এম বাচ্চুর ওপর নৃশংস হামলার অভিযোগ, ছাত্রদল-যুবদলের কয়েক নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ

গৃহবধূকে বাঁচানোর আকুতি ৯৯৯ নম্বরে কল দিয়ে ছুটে গেল পুলিশ।

রিপোর্টার: / ৫৩৬ পঠিত
আপডেট: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২০

মাসুদ দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরে লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে পরিবারের লোকজন নিয়ে স্ত্রীকে নির্যাতন করেছেন স্বামী। নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ বর্তমানে দিনাজপুরের এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এর আগে নির্যাতনের মুখে জাতীয় জরুরি সেবার ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে ওই নারীকে বাঁচানোর আকুতি জানান স্বজনরা। ৯৯৯ নম্বরে কল পেয়ে স্বামীর বাড়ি থেকে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ।স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০১৭ সালের ২৫ জানুয়ারি নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার নিতাই হাজিপাড়ার আব্দুল হামিদের মেয়ে লায়লার সঙ্গে দিনাজপুর সদর উপজেলার সুইহারী মাঝাডাঙ্গা এলাকার তাজিমুল ইসলামের ছেলে তারেক রহমানের এক লাখ ৯৯ হাজার ৯৯৯ টাকা দেনমোহরে বিয়ে হয়। বিয়ের পর মেয়ের বাবা যৌতুক বাবদ নগদ দুই লাখ টাকা এবং প্রায় এক লাখ টাকার ফার্নিচারসহ যাবতীয় মালামাল দেন। বিয়ের পরে তাদের ঘরে এক পুত্রসন্তানের জন্ম হয়।কিন্তু কিছুদিন ধরে শাশুড়ি ইসমত আরা, শ্বশুর তাজিমুল ইসলাম, ননদ তামান্না বেগম, দেবর সালজার আলী ও মামি শাশুড়ি কুসুমের প্ররোচনায় এক লাখ টাকা যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে চাপ দেন স্বামী। এই টাকা না দেয়ায় শুরু হয় নির্যাতন। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে সালিশ হয়। পরে আবারও শুরু হয় নির্যাতন। একপর্যায়ে ১৫ জুলাই রাত সাড়ে ৯টার দিকে শ্বশুর-শাশুড়ি ও ননদ মিলে গৃহবধূকে নির্যাতন করেন।পরে গৃহবধূ ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে দরজা লাগিয়ে নিজেকে বাঁচান। পরদিন সকালে ঘর থেকে বের হলে আবারও নির্যাতন শুরু হয়। এ সময় কিল-ঘুষি ও লাথি মারলে গৃহবধূ অজ্ঞান হয়ে যান। পরে পরিবারের সদস্যরা ভয় পেয়ে মেয়ের পরিবারকে মোবাইলে জানান তাদের মেয়ে আত্মহত্যা করেছেন। খবর পেয়ে মেয়ের ভাই ও ভাবি ঘটনাস্থলে গিয়ে অজ্ঞান অবস্থায় গৃহবধূকে উদ্ধার করতে চাইলে শ্বশুরের পরিবারের সদস্যরা বাধা দেন। পরে ৯৯৯ নম্বরে কল দেন গৃহবধূর ভাই। এরপর গৃহবধূকে উদ্ধার করে দিনাজপুরের এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে করেছেন সেই পুলিশ সদস্যরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ