• শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কবি আল মুজাহিদীর মৃত্যুতে বিএফইউজে-ডিইউজের শোক, শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে প্রথম জানাজা কবি আল মুজাহিদীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক: ‘সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অপূরণীয় শূন্যতা সৃষ্টি হলো’ ছয় মাসে পাঁচ অঞ্চলে চালু হচ্ছে ২০০ শয্যার বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জোর প্রস্তুতি রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান বাংলাদেশের একনেকেই পাস হচ্ছে তিস্তা মহাপরিকল্পনা, তিস্তাপারের মানুষের আর কোনো চিন্তা নেই: পানি সম্পদ মন্ত্রী এ্যানি শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগই জাতি গঠনের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শেষ মুহূর্তে ভেস্তে গেল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি বৈঠক, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন শঙ্কা জনগণের ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা, সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না’ বলাদের বিরুদ্ধে জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মূলধারার রাজনীতি ও ব্যবসায় আরও সক্রিয় হোন’—যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি ড. তিতুমীরের আহ্বান

খেলাপি ঋণ, নতুন সরকারকে দৃষ্টি দিতে হবে/ক্রাইম বাংলা

সম্পাদকীয় / ১৮৮ পঠিত
আপডেট: সোমবার, ১২ আগস্ট, ২০২৪

দেশের আর্থনীতিতে অন্যতম দুষ্ট ক্ষত খেলাপি ঋণের সংস্কৃতি। এ সমস্যা দেশের অর্থনীতিতে কী ভয়াবহ সংকট সৃষ্টি করেছে তা বলাই বাহুল্য। অতীতে নানা উদ্যোগ গ্রহণের পরও এ ক্ষেত্রে কাক্সিক্ষত সুফল মেলেনি। এমনকি নানা ধরনের ছাড় দেওয়ার পরও খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমাতে পারেনি কেন্দ্রীয় ব্যাংক; বরং দিনদিন তা বেড়েছে। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, খেলাপি ঋণের হার কমাতে ও আদায় বাড়াতে ব্যাংকগুলোর আইন বিভাগ বা লিগ্যাল টিমকে শক্তিশালী করার নির্দেশ দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। সার্কুলারে বলা হয়েছিল, খেলাপি ঋণ আদায়ে দায়ের করা মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি হচ্ছে না বলে খেলাপি ঋণ আদায় হচ্ছে না। মামলার জালে অনেক খেলাপি ঋণ আটকে রয়েছে। খেলাপি ঋণের হার কমাতে ও আদায় বাড়াতে ব্যাংকগুলোয় আদালতে দায়ের করা মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করে ঋণ আদায় বাড়াতে হবে। এজন্য ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ আদায়ে দায়ের করা মামলার অনুপাতে প্রয়োজন অনুযায়ী আইন বিভাগে দক্ষ জনবল নিয়োগ করা দরকার। একই সঙ্গে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া দরকার। অতীতে লক্ষ করা গেছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক খেলাপি ঋণের আদায় বাড়াতে এবং নতুন ঋণখেলাপি হওয়া ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নেওয়ার পর আবার ছাড় দিয়েছে। ধারণা করা যায়, বড় ঋণখেলাপিদের পক্ষে রাজনৈতিক চাপেই নেওয়া হয়েছে এমন সিদ্ধান্ত। তবে এখন সরকার পরিবর্তন হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ঋণখেলাপির ঝুঁকি কমাতে দরকার জোরালো পদক্ষেপ। কারণ নামমাত্র পদক্ষেপগুলোকে ঋণখেলাপিরা তেমন আমলে নেন না। ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপির কারণে ব্যাংক খাত ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়েছে, যা বলার অপেক্ষা রাখে না। ব্যাংকে সুশাসনের অভাবে মন্দ ঋণের পাশাপাশি অর্থ পাঁচারও বাড়ছে। খেলাপি ঋণ শুধু ব্যাংক খাতে নয়, দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতেই ঝুঁকি তৈরি করেছে। কাজেই ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে শৈথিল্য প্রদর্শন করা উচিত হবে না। দেশে ব্যাংক খাতের এক বড় সমস্যা দুর্নীতি। দুর্নীতি রোধে এ খাতে সুশাসন নিশ্চিত করা দরকার। শৃঙ্খলা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা গেলে এ খাতে অপরাধ করে পার পাওয়ার সুযোগ কমে আসবে। সাবেক সরকারের পতনের পর ইতোমধ্যে নতুন অন্তর্বর্তীকালীন গঠন করা হয়েছে, যার নেতৃত্বে রয়েছেন নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আমরা আশা করি, দেশের অর্থনীতির স্বার্থে খেলাপি ঋণ আদায়ে এই সরকার অতিদ্রুত দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ