• রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ৬৪ জেলায় সমন্বিত কর্মসূচির আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে রংপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর ফার্মেসিতে নকল ও ভেজাল ওষুধের ঝুঁকি, নজরদারি জোরদারের দাবি আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায়, বদলাতে পারে মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয়ের নাম হত্যা, ধর্ষণ ও মব সহিংসতার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন, যুবসমাজের ন্যায়বিচারের দাবি সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আধুনিক সশস্ত্র বাহিনী গড়ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত জেডআরএফ, বিশ্বজুড়ে মানবিকতার প্রতীক হওয়ার প্রত্যাশা ডা. জুবাইদার আমিনবাজারের বদলে যাওয়া চেহারা দেখে সন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, দেশজুড়ে সবুজায়নের আহ্বান জেডআরএফের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

খেলাপি ঋণ, নতুন সরকারকে দৃষ্টি দিতে হবে/ক্রাইম বাংলা

সম্পাদকীয় / ২২৪ পঠিত
আপডেট: সোমবার, ১২ আগস্ট, ২০২৪

দেশের আর্থনীতিতে অন্যতম দুষ্ট ক্ষত খেলাপি ঋণের সংস্কৃতি। এ সমস্যা দেশের অর্থনীতিতে কী ভয়াবহ সংকট সৃষ্টি করেছে তা বলাই বাহুল্য। অতীতে নানা উদ্যোগ গ্রহণের পরও এ ক্ষেত্রে কাক্সিক্ষত সুফল মেলেনি। এমনকি নানা ধরনের ছাড় দেওয়ার পরও খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমাতে পারেনি কেন্দ্রীয় ব্যাংক; বরং দিনদিন তা বেড়েছে। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, খেলাপি ঋণের হার কমাতে ও আদায় বাড়াতে ব্যাংকগুলোর আইন বিভাগ বা লিগ্যাল টিমকে শক্তিশালী করার নির্দেশ দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। সার্কুলারে বলা হয়েছিল, খেলাপি ঋণ আদায়ে দায়ের করা মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি হচ্ছে না বলে খেলাপি ঋণ আদায় হচ্ছে না। মামলার জালে অনেক খেলাপি ঋণ আটকে রয়েছে। খেলাপি ঋণের হার কমাতে ও আদায় বাড়াতে ব্যাংকগুলোয় আদালতে দায়ের করা মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করে ঋণ আদায় বাড়াতে হবে। এজন্য ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ আদায়ে দায়ের করা মামলার অনুপাতে প্রয়োজন অনুযায়ী আইন বিভাগে দক্ষ জনবল নিয়োগ করা দরকার। একই সঙ্গে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া দরকার। অতীতে লক্ষ করা গেছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক খেলাপি ঋণের আদায় বাড়াতে এবং নতুন ঋণখেলাপি হওয়া ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নেওয়ার পর আবার ছাড় দিয়েছে। ধারণা করা যায়, বড় ঋণখেলাপিদের পক্ষে রাজনৈতিক চাপেই নেওয়া হয়েছে এমন সিদ্ধান্ত। তবে এখন সরকার পরিবর্তন হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ঋণখেলাপির ঝুঁকি কমাতে দরকার জোরালো পদক্ষেপ। কারণ নামমাত্র পদক্ষেপগুলোকে ঋণখেলাপিরা তেমন আমলে নেন না। ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপির কারণে ব্যাংক খাত ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়েছে, যা বলার অপেক্ষা রাখে না। ব্যাংকে সুশাসনের অভাবে মন্দ ঋণের পাশাপাশি অর্থ পাঁচারও বাড়ছে। খেলাপি ঋণ শুধু ব্যাংক খাতে নয়, দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতেই ঝুঁকি তৈরি করেছে। কাজেই ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে শৈথিল্য প্রদর্শন করা উচিত হবে না। দেশে ব্যাংক খাতের এক বড় সমস্যা দুর্নীতি। দুর্নীতি রোধে এ খাতে সুশাসন নিশ্চিত করা দরকার। শৃঙ্খলা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা গেলে এ খাতে অপরাধ করে পার পাওয়ার সুযোগ কমে আসবে। সাবেক সরকারের পতনের পর ইতোমধ্যে নতুন অন্তর্বর্তীকালীন গঠন করা হয়েছে, যার নেতৃত্বে রয়েছেন নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আমরা আশা করি, দেশের অর্থনীতির স্বার্থে খেলাপি ঋণ আদায়ে এই সরকার অতিদ্রুত দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ