• বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ১২:২৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ছয় মাসের কর্মমূল্যায়নে মন্ত্রিসভায় বড় রদবদলের আভাস, পরিবর্তনের তালিকায় একাধিক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় নারীকেন্দ্রিক অভিযোজন কৌশল, সহনশীল বাংলাদেশ গড়তে বড় বিনিয়োগ ফ্রি কোটা অর ডাই’ লিখে রাজপথে প্রতিবাদের প্রতীক: জুলাই আন্দোলনের সাহসী মুখ আব্দুল্লাহ আল মামুন শেখ হাসিনার বিচার নিশ্চিত করতে হবে’—এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বিভেদের রাজনীতি চললে স্বৈরাচারের ফেরার সুযোগ তৈরি হবে’—রুহুল কবির রিজভী জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারি ভবনে সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মিঠা পানির মাছে উত্তরবঙ্গের সাফল্য, রাজশাহী এখন দেশের অন্যতম বৃহৎ সরবরাহ কেন্দ্র বিশ্বচ্যাম্পিয়ন এমআইএসটি দলকে প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা, তরুণ উদ্ভাবকদের পাশে থাকার ঘোষণা সৌদি প্রতিরক্ষা জোটে যোগ মানেই ইরানবিরোধী অবস্থান নয়: প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তিন মাস পর আবার এলপিজির দাম বৃদ্ধি, ১২ কেজি সিলিন্ডার ৭০ টাকা বেড়ে ১,৫৯৮ টাকা

খেলাপি ঋণ, নতুন সরকারকে দৃষ্টি দিতে হবে/ক্রাইম বাংলা

সম্পাদকীয় / ১৯৯ পঠিত
আপডেট: সোমবার, ১২ আগস্ট, ২০২৪

দেশের আর্থনীতিতে অন্যতম দুষ্ট ক্ষত খেলাপি ঋণের সংস্কৃতি। এ সমস্যা দেশের অর্থনীতিতে কী ভয়াবহ সংকট সৃষ্টি করেছে তা বলাই বাহুল্য। অতীতে নানা উদ্যোগ গ্রহণের পরও এ ক্ষেত্রে কাক্সিক্ষত সুফল মেলেনি। এমনকি নানা ধরনের ছাড় দেওয়ার পরও খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমাতে পারেনি কেন্দ্রীয় ব্যাংক; বরং দিনদিন তা বেড়েছে। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, খেলাপি ঋণের হার কমাতে ও আদায় বাড়াতে ব্যাংকগুলোর আইন বিভাগ বা লিগ্যাল টিমকে শক্তিশালী করার নির্দেশ দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। সার্কুলারে বলা হয়েছিল, খেলাপি ঋণ আদায়ে দায়ের করা মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি হচ্ছে না বলে খেলাপি ঋণ আদায় হচ্ছে না। মামলার জালে অনেক খেলাপি ঋণ আটকে রয়েছে। খেলাপি ঋণের হার কমাতে ও আদায় বাড়াতে ব্যাংকগুলোয় আদালতে দায়ের করা মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করে ঋণ আদায় বাড়াতে হবে। এজন্য ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ আদায়ে দায়ের করা মামলার অনুপাতে প্রয়োজন অনুযায়ী আইন বিভাগে দক্ষ জনবল নিয়োগ করা দরকার। একই সঙ্গে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া দরকার। অতীতে লক্ষ করা গেছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক খেলাপি ঋণের আদায় বাড়াতে এবং নতুন ঋণখেলাপি হওয়া ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নেওয়ার পর আবার ছাড় দিয়েছে। ধারণা করা যায়, বড় ঋণখেলাপিদের পক্ষে রাজনৈতিক চাপেই নেওয়া হয়েছে এমন সিদ্ধান্ত। তবে এখন সরকার পরিবর্তন হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ঋণখেলাপির ঝুঁকি কমাতে দরকার জোরালো পদক্ষেপ। কারণ নামমাত্র পদক্ষেপগুলোকে ঋণখেলাপিরা তেমন আমলে নেন না। ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপির কারণে ব্যাংক খাত ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়েছে, যা বলার অপেক্ষা রাখে না। ব্যাংকে সুশাসনের অভাবে মন্দ ঋণের পাশাপাশি অর্থ পাঁচারও বাড়ছে। খেলাপি ঋণ শুধু ব্যাংক খাতে নয়, দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতেই ঝুঁকি তৈরি করেছে। কাজেই ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে শৈথিল্য প্রদর্শন করা উচিত হবে না। দেশে ব্যাংক খাতের এক বড় সমস্যা দুর্নীতি। দুর্নীতি রোধে এ খাতে সুশাসন নিশ্চিত করা দরকার। শৃঙ্খলা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা গেলে এ খাতে অপরাধ করে পার পাওয়ার সুযোগ কমে আসবে। সাবেক সরকারের পতনের পর ইতোমধ্যে নতুন অন্তর্বর্তীকালীন গঠন করা হয়েছে, যার নেতৃত্বে রয়েছেন নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আমরা আশা করি, দেশের অর্থনীতির স্বার্থে খেলাপি ঋণ আদায়ে এই সরকার অতিদ্রুত দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ