• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৪১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শিশু-কিশোরদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ব্যথাজনিত সমস্যায় চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ দিয়ে আলোচনায় হাকিম মাওলানা আব্দুল হান্নান কলাপাড়া বেকারি মালিক সমিতির কমিটি গঠন, সভাপতি আল আমিন সম্পাদক হারুন কলাপাড়ায় “গ্রাম আদালত” বিষয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত জনগণের কল্যাণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রত্যাশায় সংবিধান সংশোধনের আহ্বান চিফ হুইপের মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিতের আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের কুইক রেন্টালের পরিবর্তে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর, সৌরবিদ্যুতে ১,৫০০ কোটি টাকার তহবিল দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা, জাপান সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি

সক্রিয় হয়ে উঠেছে জাল নোট চক্রের সদস্যরা, মিলছে না প্রতিকার/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।।

রিপোর্টার: / ১২০ পঠিত
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর, ২০২৫

এম জাফরান হারুন::

পটুয়াখালী জেলায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে জাল টাকা সরবরাহ চক্রের সদস্যরা। বিশেষ করে বাউফল ও কলাপাড়া উপজেলায় বিস্তার ছড়াচ্ছে। এতে ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত প্রতারণার শিকার হলেও প্রতিকার মিলছে না। তবে পুলিশ বলছে, জাল নোট চক্রের সদস্যদের গ্রেফতারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, মৎস্যবন্দর আলীপুর-মহিপুর, বাবলাতলা, বালিয়াতলী, বানাতী এলাকায় জাল টাকা লেনদেন বেশি হচ্ছে। কালাইয়া গরু-মহিষের হাট ও বাজারে, বাউফল পৌরশহরে এমনকি বগা, কালিশুরী বন্দর বাজারেও। এসব জাল টাকার মধ্যে এক হাজার টাকা, পাঁচশ টাকার নোট ছাড়াও ২০০, ১০০ টাকার নোটও রয়েছে। এসব জাল টাকা সরবরাহকারীরা ধর্মীয় উৎসবের সময় বেশী সক্রিয় থাকে। বিশেষ করে পবিত্র ঈদ-উল ফিতর, ঈদ-উল আযহা এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের শারদীয় দূর্গোৎসব এদের প্রধান টার্গেট বলে জানা গেছে।

দীর্ঘদিন ধরে জাল টাকা সরবরাহ চক্রের সদস্যরা এসব এলাকায় সক্রিয়। কুরিয়ার সার্ভিসেরও মাধ্যমে জাল টাকা এনে সরবরাহ করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনা জানাজানি হলে মানুষের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে।

একাধিক ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জাল টাকার কয়েকটি ধরন রয়েছে। কোনোটি অতি সহজে চোখে ধরা পড়ে, কোনোটির আবার বোঝার উপায় থাকে না।

যেসব দোকানপাটে সাধারণত ক্রেতার ভিড় বেশি থাকে কিংবা গরু-ছাগলের হাট অথবা সাপ্তাহিক হাটে জাল টাকা চালানোর চেষ্টা করে চক্রের সদস্যরা।

সুশীল সমাজের লোকজন বলেন, পটুয়াখালী জেলা প্রশাসন তথা জেলা পুলিশ প্রধানের বিচক্ষণতা ও তৎপরতায় এবং তার নির্দেশে প্রতি থানার ওসিদের সঠিক নজরদারি থাকলে অবশ্যই ওই চক্রের সদস্যরা ধরা পড়বে। বিশেষ করে এসব কাজের সাথে রাজনৈতিক কর্তাব্যক্তিরাও জরিত। গোয়েন্দা সহ পুলিশ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তারা আরও বলেন, এ চক্রের সন্ধান পেলে তাৎক্ষণিক পুলিশকে জানানোর জন্য জনগণকে অনুরোধও জানান তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ