• বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় নারীকেন্দ্রিক অভিযোজন কৌশল, সহনশীল বাংলাদেশ গড়তে বড় বিনিয়োগ ফ্রি কোটা অর ডাই’ লিখে রাজপথে প্রতিবাদের প্রতীক: জুলাই আন্দোলনের সাহসী মুখ আব্দুল্লাহ আল মামুন শেখ হাসিনার বিচার নিশ্চিত করতে হবে’—এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বিভেদের রাজনীতি চললে স্বৈরাচারের ফেরার সুযোগ তৈরি হবে’—রুহুল কবির রিজভী জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারি ভবনে সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মিঠা পানির মাছে উত্তরবঙ্গের সাফল্য, রাজশাহী এখন দেশের অন্যতম বৃহৎ সরবরাহ কেন্দ্র বিশ্বচ্যাম্পিয়ন এমআইএসটি দলকে প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা, তরুণ উদ্ভাবকদের পাশে থাকার ঘোষণা সৌদি প্রতিরক্ষা জোটে যোগ মানেই ইরানবিরোধী অবস্থান নয়: প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তিন মাস পর আবার এলপিজির দাম বৃদ্ধি, ১২ কেজি সিলিন্ডার ৭০ টাকা বেড়ে ১,৫৯৮ টাকা বেনজীরের জামিন বাতিলে দুবাইয়ে ল’ ফার্ম নিয়োগ, দ্রুত দেশে ফেরানোর আশা সরকারের

সক্রিয় হয়ে উঠেছে জাল নোট চক্রের সদস্যরা, মিলছে না প্রতিকার/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।।

রিপোর্টার: / ৯৫ পঠিত
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর, ২০২৫

এম জাফরান হারুন::

পটুয়াখালী জেলায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে জাল টাকা সরবরাহ চক্রের সদস্যরা। বিশেষ করে বাউফল ও কলাপাড়া উপজেলায় বিস্তার ছড়াচ্ছে। এতে ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত প্রতারণার শিকার হলেও প্রতিকার মিলছে না। তবে পুলিশ বলছে, জাল নোট চক্রের সদস্যদের গ্রেফতারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, মৎস্যবন্দর আলীপুর-মহিপুর, বাবলাতলা, বালিয়াতলী, বানাতী এলাকায় জাল টাকা লেনদেন বেশি হচ্ছে। কালাইয়া গরু-মহিষের হাট ও বাজারে, বাউফল পৌরশহরে এমনকি বগা, কালিশুরী বন্দর বাজারেও। এসব জাল টাকার মধ্যে এক হাজার টাকা, পাঁচশ টাকার নোট ছাড়াও ২০০, ১০০ টাকার নোটও রয়েছে। এসব জাল টাকা সরবরাহকারীরা ধর্মীয় উৎসবের সময় বেশী সক্রিয় থাকে। বিশেষ করে পবিত্র ঈদ-উল ফিতর, ঈদ-উল আযহা এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের শারদীয় দূর্গোৎসব এদের প্রধান টার্গেট বলে জানা গেছে।

দীর্ঘদিন ধরে জাল টাকা সরবরাহ চক্রের সদস্যরা এসব এলাকায় সক্রিয়। কুরিয়ার সার্ভিসেরও মাধ্যমে জাল টাকা এনে সরবরাহ করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনা জানাজানি হলে মানুষের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে।

একাধিক ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জাল টাকার কয়েকটি ধরন রয়েছে। কোনোটি অতি সহজে চোখে ধরা পড়ে, কোনোটির আবার বোঝার উপায় থাকে না।

যেসব দোকানপাটে সাধারণত ক্রেতার ভিড় বেশি থাকে কিংবা গরু-ছাগলের হাট অথবা সাপ্তাহিক হাটে জাল টাকা চালানোর চেষ্টা করে চক্রের সদস্যরা।

সুশীল সমাজের লোকজন বলেন, পটুয়াখালী জেলা প্রশাসন তথা জেলা পুলিশ প্রধানের বিচক্ষণতা ও তৎপরতায় এবং তার নির্দেশে প্রতি থানার ওসিদের সঠিক নজরদারি থাকলে অবশ্যই ওই চক্রের সদস্যরা ধরা পড়বে। বিশেষ করে এসব কাজের সাথে রাজনৈতিক কর্তাব্যক্তিরাও জরিত। গোয়েন্দা সহ পুলিশ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তারা আরও বলেন, এ চক্রের সন্ধান পেলে তাৎক্ষণিক পুলিশকে জানানোর জন্য জনগণকে অনুরোধও জানান তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ