• বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কলাপাড়ায় জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ঘিরে প্রস্তুতি সভা মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি, রিজভী ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব: সাতক্ষীরায় বিএনপির আনন্দ মিছিল ছাত্রীদের সর্বজনীন উপবৃত্তি পুনর্বহালের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনোভেশন হাব ও স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়তে চায় সরকার: মাহ্দী আমিন সনদ নয়, কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা তৈরিই হোক উচ্চশিক্ষার লক্ষ্য: আমির খসরু নতুন ৪ মন্ত্রী ও ২ প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, এক মন্ত্রীর দায়িত্বে পরিবর্তন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অপরাধ দমনে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চান কালিগঞ্জের নবাগত ওসি ৩৫ বছর পর প্রতিদ্বন্দ্বিতার ভোটে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল উচ্চঝুঁকির ১৭ বালাইনাশকে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি, বাজারে ১,৭৪১ ব্র্যান্ড

কুয়াকাটায় প্রায় ৫ কোটি টাকার সৈকত সড়ক সমুদ্র গর্ভে বিলীন, দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্ত শুরু/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।।

রিপোর্টার: / ২১৭ পঠিত
আপডেট: মঙ্গলবার, ১২ আগস্ট, ২০২৫

কলাপাড়া (পটুয়াখাল) প্রতিনিধি।।

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও পর্যটন উন্নয়নের লক্ষ্যে ৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন ১৩০০ মিটার দীর্ঘ সৈকত সড়কটি নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার আগেই ২৯ মে জোয়ারের পানিতে বিলীন হয়ে যায়। এই ঘটনা স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। সড়ক ধসে যাওয়ার পর ৭ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে উপজেলা প্রশাসন। সড়কটি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হওয়ার পর এলাকার জনগণ মানববন্ধন ও ক্ষোভ প্রকাশ করে। ঘটনার তদন্তে নামেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার কুয়াকাটা ডিসি পার্ক সংলগ্ন এলাকায় ধসে যাওয়া সড়কের কাজের মান পরিদর্শন করেন দুদকের পটুয়াখালী জেলার সহকারী পরিচালক তাপস বিশ্বাসের নেতৃত্বাধীন একটি টিম। এ সময় দুদকের উপসহকারী পরিচালক খালিদ হোসেন, কুয়াকাটা পৌরসভার প্রশাসক ইয়াসীন সাদেক ও অন্যান্য স্থানীয় প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এ কাজটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রণ করায় ইট ও বালু দিয়ে নিম্নমানের কাজ করায় সড়কটি ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে। নাগরিক সমাজ এই প্রকল্পকে ‘দৃষ্টান্তমূলক ব্যর্থতাথ হিসেবে আখ্যায়িত করছেন। তারা প্রকৃত তদন্ত ও কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান।
দুদকের সহকারী পরিচালক তাপস বিশ্বাস জানান, এই প্রকল্পটি অপরিকল্পিত ও দুর্নীতিপূর্ণ। ৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকার প্রকল্পের মধ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলন করেছে, যা সম্পূর্ণ জলে বিলীন হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “প্রকল্প শুরুতেই একটি টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন ছিল যা হয়নি। আমাদের তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। পরবর্তী করণীয় বিষয়ে উপরের কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট প্রদান করা হবে। প্রয়োজন হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ