• রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কমলনগরে খাদ্যবান্ধব চাল বিতরণে ভয়াবহ অনিয়মের অভিযোগ/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। বোরহানউদ্দিনে রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা কর্মসূচিতে লিফলেট বিতরণ/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। কলাপাড়ায় ধানের শীষকে বিজয়ী করার লক্ষে বিএনপির সাংগঠনিক সভা/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। র‌্যাব বিলুপ্তিসহ ১০ দফা সুপারিশ মানবাধিকার সংস্থা অধিকারের,,,,,দৈনিক ক্রাইম বাংলা ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে: বিনিয়োগ ঝুঁকিতে, সমাধান চাই বাস্তবায়নে গতি,,,,,দৈনিক ক্রাইম বাংলা বিতর্কিত ফোনালাপেই পদচ্যুত থাই প্রধানমন্ত্রী পেটংটার্ন,,,,,দৈনিক ক্রাইম বাংলা ক্ষমা চাইতে হবে নির্বাচন কমিশনকে—প্রধান উপদেষ্টা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছেন: তাহের,,,,,দৈনিক ক্রাইম বাংলা কোনো সংশয় থাকলে আসুন আলোচনা করি: সালাহউদ্দিন,,,,,,দৈনিক ক্রাইম বাংলা জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের সংঘর্ষ, আহত অনেকে: সেনা মোতায়েন,,,,দৈনিক ক্রাইম বাংলা সুপ্রিম কোর্টের নতুন রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী,,,,, দৈনিক ক্রাইম বাংলা

কমলনগরে খাদ্যবান্ধব চাল বিতরণে ভয়াবহ অনিয়মের অভিযোগ/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।।

রিপোর্টার: / ১৩ পঠিত
আপডেট: শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫

হাবিবুর রহমান,লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ১৫ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণে ভয়াবহ অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে নিয়োগপ্রাপ্ত অধিকাংশ ডিলারদের বিভিন্ন অনিয়ম রয়েছে।
অফিসসূত্রে জানা যায়, উপজেলা ৯টি ইউনিয়নে ডিলার সংখ্যা ২০ জন। সুবিধাভোগী ৭হাজার ৩৬২জন। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ভোক্তারা মোট চাল পাবেন ২০৪ মে.টন প্রায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, চাল বিতরণে ডিলাররা ভোক্তাদের কাছ থেকে ন্যায্যমূল্য নিয়ে নানা অজুহতে ওজনে চাল কম দিচ্ছেন। কিছু কিছু ডিলার চাল বিতরণে স্থলে উল্টো চিত্রের অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা মাহবুবুল আলমের মনিটরিংয়ের অভাবে এই বেহাল অবস্থা। কিছু সংখ্যক ডিলার রুলস অনুযায়ী চাল বিতরণ করছেন। বেশিরভাগ ডিলারই সরকারী নিয়মনীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে নিজের সুবিধানুযায়ী চাল বিতরণ করেন। ডিলাররা তাদের পছন্দমত টাইম বেধে দেন ভোক্তাদের।
তালিকায় নামধারীরা ডিলারদের পছন্দের দিনে না আসলে নানা অজুহাতে চাল দেওয়া থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ অহরহ ।
সরকারী চাল বিতরণ কার্যক্রম আইনে ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে সহি/স্বাক্ষর চাল নেয়। কিন্তু তাদের চাল বিতরণ চিত্র দেখা গেছে ভিন্ন। কার্ডধারীদের দাবি , সরকারি নিয়মানুযায়ী চাল বিতরণ করলে আমাদের উপকার হয়। চাল বিতরণে ওজনে বস্তাপ্রতি দুই/এক কেজি কম এটি অনেক পুরনো বিষয়। নামপ্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ডিলার বলের, খাদ্য গুদামে ‘মানি; দিলে ভালো চাল পাওয়া যায়। ওজনে সঠিক হয়। না হলে ছেঁড়া, লুজ ওজনে চাল কম হওয়ার তিক্ততার কথা ব্যক্ত করেন। আর এসবের পেছনে হাত রয়েছে এক শ্রেণীর লোকের। যদি এমন মন্তব্য সঠিক নয় বলে দাবি উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার মেসার্স মদিনা ট্রেডার্স, মেসার্স খাঁন ষ্টোর, মেসার্স নাহার ট্রেডার্স, জায়েদ ট্রেডার্স ও সামি ট্রেডার্স। এগুলো যথাযথ ভাবে চাল না দিয়ে নিজের ইচ্ছামতো চাল বিতরণ করেন। তোরাবগঞ্জ ট্যাগ অফিসার খোকন চন্দ্র দাসের সাথে কথা হলে তিনি চাল বিতরণ করেছেন বলে জানান। প্রকৃত পক্ষে ওই সময়ের মধ্যে চাল বিতরণ করে নাই।
এবিষয়ে উপজেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রক ও উপজেলা খাদ্যবান্ধব কমিটির সদস্য সচিব মো. মাহবুবুল আলম বলেন, আমরা চাল বিতরণে অনমতি দিয়েছি। কেউ যথাসময়ে বিতরণ না করলে বিধিমোতাবেক তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আমরা কোন ডিলারের কাছ থেকে কোন সুবিধা নেই না। তাহলে কেন তারা বিলি বন্টনে অনিয়ম করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ