• মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:০২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা, জাপান সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত

ফেসবুক পোস্টে ডাকসুর ফল প্রত্যাখ্যান করলেন ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল,,,,,দৈনিক ক্রাইম বাংলা

রিপোর্টার: / ১৭৮ পঠিত
আপডেট: বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছেন ছাত্রদল–সমর্থিত ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ২টার দিকে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ ঘোষণা দেন।

পোস্টে আবিদুল লিখেছেন, “পরিকল্পিত কারচুপির এই ফলাফল দুপুরের পরপরই অনুমান করেছি। নিজেদের মতো করে সংখ্যা বসিয়ে নিন। এই পরিকল্পিত প্রহসন প্রত্যাখ্যান করলাম।”

এর আগে অন্তত তিনটি কেন্দ্রের ফলাফল প্রকাশিত হয়, যেখানে ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের ভিপি প্রার্থী আবু সাদিক কায়েম বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে আছেন। প্রাথমিক ফলাফলে কায়েম পেয়েছেন ২ হাজার ৭৫০ ভোট, আর আবিদুল পেয়েছেন ৭৪৩ ভোট।

মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আটটি কেন্দ্রে ৮১০টি বুথে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৩৯ হাজার ৮৭৪ জন। এর মধ্যে ছাত্রী ভোটার ১৮ হাজার ৯৫৯ জন এবং ছাত্র ভোটার ২০ হাজার ৯১৫ জন।

ডাকসুর ২৮টি পদের বিপরীতে লড়েছেন ৪৭১ জন প্রার্থী। পাশাপাশি ১৮টি হলে মোট ২৩৪টি পদে লড়েছেন আরও ১ হাজার ৩৫ জন। সব মিলিয়ে শিক্ষার্থীদের ৪১টি ভোট দিতে হয়েছে। এ নির্বাচনে আংশিক ও পূর্ণাঙ্গ মিলে অন্তত ১০টি প্যানেল অংশ নেয়, পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থীর সংখ্যাও ছিল উল্লেখযোগ্য।

ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হলেও বিভিন্ন প্রার্থী একে অপরের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছেন। বিশেষ করে ভোট কারচুপির অভিযোগ সামনে এনেছেন একাধিক প্রার্থী। এর মধ্যেই আবিদুল ইসলাম খানের ফলাফল প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা নির্বাচনের পরিবেশকে নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ