• শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০২:৪২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জনগণের ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা, সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না’ বলাদের বিরুদ্ধে জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মূলধারার রাজনীতি ও ব্যবসায় আরও সক্রিয় হোন’—যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি ড. তিতুমীরের আহ্বান নিত্যপণ্যের কর প্রত্যাহার করে জনবান্ধব বাজেট দিয়েছি, মানুষের ভাগ্য বদলাতে চাই’—চকরিয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিঙ্গাপুর বা কানাডা নয়, আমরা গড়তে চাই আরও ভালো বাংলাদেশ’—কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সবুজে মোড়াবে কালিগঞ্জ: ৫ কিলোমিটার সড়কের পাশে ১০ হাজার গাছের চারা রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন চট্টগ্রাম সেনানিবাসে ‘স্মৃতি অম্লান’ জাদুঘর পরিদর্শন করলেন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা সৌদি আরব থেকে ৪৯,৯৮২ জন বাংলাদেশি হাজির দেশে ফেরা সম্পন্নের পথে শিক্ষায় সর্বোচ্চ বিনিয়োগই উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি: শিক্ষা মন্ত্রী নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বড় লক্ষ্য: ২০৩০ সালে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা

রাষ্ট্র মানে গ্রামীণ ব্যাংক চালানো নয়, ড. ইউনূসকে ফরহাদ মজহার,,,,,দৈনিক ক্রাইম বাংলা

রিপোর্টার: / ৭৫ পঠিত
আপডেট: মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক,

রাষ্ট্র মানে গ্রামীণ ব্যাংক চালানো নয়, ড. ইউনূসকে ফরহাদ মজহার
গণ–অভ্যুত্থানের পর পতিত সরকারের সংবিধান ও আমলাতন্ত্র রেখে দেওয়ার কঠোর সমালোচনা করেছেন কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার। তার মতে, রাষ্ট্র পরিচালনা মানে শুধু কোনো প্রতিষ্ঠানের মতো কাজ করা নয়, বরং জনগণের আত্মত্যাগ ও গণতান্ত্রিক প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটানো। তিনি সতর্ক করে বলেন, রাষ্ট্র মানে কিন্তু গ্রামীণ ব্যাংক চালানো নয়।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে সেন্টার ফর ডেমোক্রেসি অ্যান্ড পিস স্টাডিজ আয়োজিত ‘ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রব্যবস্থা ও নির্বাচন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব মন্তব্য করেন ফরহাদ মজহার।

তিনি অভিযোগ করেন, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম ভুল ছিল গণ–অভ্যুত্থানকে তরুণ শিক্ষার্থীদের মাস্টারমাইন্ড হিসেবে ব্যাখ্যা করা। অথচ বাস্তবে এই আন্দোলনের সত্তা জনগণের সম্মিলিত নেতৃত্বের ফল। তিনি বলেন, “এ অভ্যুত্থানে অনেকে শহীদ হয়েছেন, অনেকেই পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। এত আত্মত্যাগের পরে কেন আবার পুরোনো সংবিধান ও রাষ্ট্রব্যবস্থাকে ধরে রাখা হলো, সে প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়া যায় না।”

ফরহাদ মজহার মনে করেন, ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রব্যবস্থা থেকে মুক্ত না হলে নির্বাচন নিয়ে কথা বলার কোনো অর্থ নেই। তিনি উপদেষ্টাদের উদ্দেশে প্রশ্ন রাখেন, “আপনারা তো গণ–অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আসেননি। তাহলে জনগণের অনুমতি ছাড়াই নির্বাচনের আয়োজন করছেন কীভাবে?” তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, সফল নির্বাচনের কোনো লক্ষণ দৃশ্যমান নয় এবং এতে দেশ আরও বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দেওয়া হতে পারে।

সভায় আরও বক্তব্য দেন সাবেক সচিব ও কূটনীতিক আবদুল্লাহ আল মামুন, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম মাসুদ, আইনজীবী আবু হেনা রাজ্জাক, সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসিনুর রহমান এবং জাস্টিস পার্টির চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মজুমদার প্রমুখ।

শফিকুল ইসলাম মাসুদ নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি অভিযোগ করেন, ডাকসুর মতো ছোট নির্বাচনে যদি উপদেষ্টাদের সম্পৃক্ততা থাকে, তাহলে জাতীয় নির্বাচনে কী হবে তা নিয়ে জনমনে শঙ্কা তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।

সভায় বক্তারা সর্বসম্মতভাবে মত দেন যে, জনগণকে বাদ দিয়ে কোনো গণতান্ত্রিক রূপরেখা টেকসই হতে পারে না। তরুণদের ক্ষমতায় আনা হলেও শেখ হাসিনার রেখে যাওয়া আমলাতন্ত্র অক্ষত থাকায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসছে না বলেও তারা উল্লেখ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ