• শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০৭:৪৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জনগণের ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা, সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না’ বলাদের বিরুদ্ধে জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মূলধারার রাজনীতি ও ব্যবসায় আরও সক্রিয় হোন’—যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি ড. তিতুমীরের আহ্বান নিত্যপণ্যের কর প্রত্যাহার করে জনবান্ধব বাজেট দিয়েছি, মানুষের ভাগ্য বদলাতে চাই’—চকরিয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিঙ্গাপুর বা কানাডা নয়, আমরা গড়তে চাই আরও ভালো বাংলাদেশ’—কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সবুজে মোড়াবে কালিগঞ্জ: ৫ কিলোমিটার সড়কের পাশে ১০ হাজার গাছের চারা রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন চট্টগ্রাম সেনানিবাসে ‘স্মৃতি অম্লান’ জাদুঘর পরিদর্শন করলেন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা সৌদি আরব থেকে ৪৯,৯৮২ জন বাংলাদেশি হাজির দেশে ফেরা সম্পন্নের পথে শিক্ষায় সর্বোচ্চ বিনিয়োগই উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি: শিক্ষা মন্ত্রী নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বড় লক্ষ্য: ২০৩০ সালে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা

আল-হাইয়া বিজ্ঞান স্কুল(AHCS) পথ চলা শুরু/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।

রিপোর্টার: / ২২৭ পঠিত
আপডেট: শনিবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২৬

আবুল বাশার ভোলা প্রতিনিধি :

ভোলার বোরহানউদ্দিনে শিক্ষা খাতে বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষার লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে-হাইয়া বিজ্ঞান স্কুল। নতুন বছরের তৃতীয় দিন শনিবার (৩ জানুয়ারি২৬) বোরহানউদ্দিন দক্ষিণ বাস স্টান্ড এলাকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার্থী ও অভিবাকদের নিয়ে উদ্বোধন করা হয়।

বই বিতরন ও দোয়া অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন অত্র স্কুলের সভাপতি কাজী মো: শহীদুল আলম নাসিম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ হামিম আহমেদ সিনিয়র অফিসার জনতা ব্যাংক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃজাফরউল্লাহ, (অবঃপ্রাপ্ত) ম্যানেজার কৃষি ব্যাংক, আঃ হাই সহ সভাপতি আল-হাইয়া বিজ্ঞান স্কুল।

উদ্বোধনের পর দোয়া ও মুনাজাত মাধ্য দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ সফলতা কামনা করা হয়। পরে প্রধান অতিথিসহ সকল অতিথিরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির শ্রেণিকক্ষসহ সার্বিক বিষয়াদি পরিদর্শন করেন। এর আগে স্কুলের শিক্ষার্থীরা কোরআন তেলওয়াত, ছড়া, কবিতা আবৃত্তিসহ বিভিন্ন ইভেন্টে অংশগ্রহণ করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আল-হাইয়া বিজ্ঞান স্কুল(AHSC) এর প্রধান শিক্ষক আব্দুল হালিম বলেন, ‘আমি মনে করি একটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সফলতা নির্ভর করে চারটি স্টেকহোল্ডারের ওপর। এর মধ্যে ১ম স্টেকহোল্ডার ম্যানেজমেন্ট ২য় স্টেকহোল্ডার শিক্ষক ও স্টাফরা ৩য় স্টেকহোল্ডার শিক্ষার্থীরা এবং ৪র্থ স্টেকহোল্ডার হচ্ছেন অভিভাবকগন। এই সবগুলো মিললেই একজন শিক্ষার্থী সফল হয়ে উঠবে। শিশুদের মধ্যে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ঘটানো এবং নৈতিক অবক্ষয় রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার প্রত্যয় নিয়ে এ স্কুল পরিচালনার কথা জানান তিনি’।

‘সাইন্স উইথ মোরালিটি’—এ আদর্শ ধারণ করে জাতীয়মানের লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার অবারিত সুযোগ নিয়ে বোরহানউদ্দিন পৌর শহরের দক্ষিণ বাস স্টান্ড সংলগ্ন মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাফিজুর রহমান প্লাজার দোতলার ওপর আধুনিক ও স্থাপত্যর ছোয়ায় গড়ে উঠেছে স্কুল ক্যাম্পাস। জাতীয় শিক্ষাক্রমের বাংলা ভার্সনে স্কুলে শিশু থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষাকার্যক্রম চালু হচ্ছে। এ স্কুলের কারিকুলাম এমনভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছে যেন শিক্ষার্থীদের প্রতিভার বিকাশ ঘটে। এতে তারা আধুনিক জীবনের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের বাধা মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে এবং ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য দক্ষ হয়ে গড়ে উঠবে।

স্কুল কর্তৃপক্ষ জানা যায়, আল-হাইয়া বিজ্ঞান স্কুল (AHCS) শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যাধুনিক ও নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত হরা হয়েছে। ভবনটিতে শিশু থেকে দশম শ্রেনী পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের পৃথক ক্লাস রুমের ব্যাবস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়া চারপাশে রয়েছে খোলা বারান্দা। এতে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা নিরাপদ ও স্বচ্ছন্দে চলাফেরা করতে পারবেন। পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের ব্যবস্থা রয়েছে শ্রেণিকক্ষে।

সরেজমিন স্কুল ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা যায়, সুপ্রশস্ত লম্বা সিঁড়ি উঠে গেছে দো-তলায়। দো-তলায় উঠে হাতের ডান পাশে রয়েছে সাইন্স ল্যাব ও কম্পিউটার ল্যাব। স্কুলটিকে এমনভাবে সাজানো হয়েছে, অঙ্কনের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বাবা-মায়ের হাত ধরে প্রথম স্কুলে আসা ছোট্ট শিশুটির দুরন্ত শৈশব, উচ্ছলতায় ভরা কৈশোর পেরিয়ে তারুণ্যের উদ্দীপনায় কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে যাওয়ার গল্প। এখানে হাত বাড়ালেই শিক্ষার্থীরা জ্ঞান অন্বেষণ করে আলোকিত মানুষ হয়ে গড়ে উঠতে পারবে।

স্কুলে প্রবেশ করার জন্য শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল আইডি কার্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ কার্ড ব্যবহার করে শিক্ষার্থী যখন স্কুলের অভ্যন্তরে প্রবেশ করবে সাথে সাথে অভিভাবকের কাছে মোবাইল ফোনে ম্যাসেজ চলে যাবে। স্কুল ছুটির পর তদরুপ পদ্ধতি অনুসরন করা হবে। অভিভাবক ঘরে বসেই জানতে পারবে বাচ্চা কখন স্কুলে প্রবেশ করেছে কখন ত্যাগ করেছে।

অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সখ্য গড়ে তুলতে নেওয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ। এর ফলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পরিসর বিস্তার ঘটবে এবং তারা আরও বেশি দক্ষ হয়ে গড়ে উঠবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ