• মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৩১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বার্তা: কলাপাড়া রিপোর্টার্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া,, বিডিআর হত্যা মামলায় নতুন মোড়: শেখ হাসিনাসহ কয়েক সাবেক মন্ত্রীকে আসামি করার তথ্য,,, মেয়াদ শেষ হওয়া সিটি করপোরেশন দিয়েই শুরু হবে নির্বাচন: মির্জা ফখরুল,, পুলিশ মহাপরিদর্শক পদে আলী হোসেন ফকির,,, ১০ মার্চ শুরু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী,, ১২ মার্চ শুরু হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের যাত্রা, স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন অধিবেশনে,,, সেনাবাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ে রদবদল, গুরুত্বপূর্ণ পদে নতুন নিয়োগ,,,, মহিপুরে কেয়ার মডেল হাসপাতালে হামলা-ভাঙচুর, আতঙ্কে রোগী ও কর্মীরা,,, কলাপাড়ায় রুফটপ সোলারকে জাতীয় অগ্রাধিকার ঘোষণার আহ্বান নাগরিক সমাজের,,, সিক্স লাইন সড়কে অটোরিকশা–মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নারীসহ আহত ৪,,,

বিডিআর হত্যা মামলায় নতুন মোড়: শেখ হাসিনাসহ কয়েক সাবেক মন্ত্রীকে আসামি করার তথ্য,,,

রিপোর্টার: / ১৩ পঠিত
আপডেট: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

বিডিআর হত্যা মামলায় নতুন মোড়: শেখ হাসিনাসহ কয়েক সাবেক মন্ত্রীকে আসামি করার তথ্য

ঢাকা: দেশের ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত ও বেদনাবিধুর ঘটনা পিলখানা হত্যাকাণ্ড মামলায় নতুন করে আসামির তালিকা সম্প্রসারণের আলোচনা সামনে এসেছে। বহুল আলোচিত এ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তৎকালীন সরকারের একাধিক প্রভাবশালী মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যকে আসামি করার বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষ উদ্যোগ নিচ্ছে বলে জানা গেছে।

রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর বোরহান উদ্দিন মঙ্গলবার সকালে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তার ভাষ্য অনুযায়ী, মামলার বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে নতুন করে আসামির তালিকায় কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের নাম অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

সম্ভাব্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন জাহাঙ্গীর কবির নানক, মির্জা আজম এবং ফজলে নূর তাপসসহ তৎকালীন মন্ত্রিসভার আরও কয়েকজন সদস্য ও সংসদ সদস্য। তবে বিষয়টি এখনও প্রক্রিয়াধীন বলে রাষ্ট্রপক্ষ সূত্রে জানানো হয়েছে।

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পিলখানায় তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলস সদর দপ্তরে সংঘটিত বিদ্রোহ ও হত্যাকাণ্ডে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ বহু মানুষ নিহত হন। ঘটনাটি দেশের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর প্রভাব ফেলে এবং দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার সূচনা হয়।

পিলখানা হত্যা মামলার বিচারিক আদালত ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর রায়ে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন। পরবর্তীতে হাইকোর্ট ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন, ১৮৫ জনকে যাবজ্জীবন এবং ২২৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে দণ্ড দেন। একই সঙ্গে ২৮৩ জন আসামি খালাস পান। মামলাটি বর্তমানে আপিল বিভাগে চূড়ান্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

অন্যদিকে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়ের করা পৃথক মামলাটি এখনও বিচারিক আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। এ মামলায় প্রায় ১২০০ সাক্ষীর তালিকা থাকলেও এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে, যা বিচারপ্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি করেছে।

এদিকে নতুন করে আসামি অন্তর্ভুক্তির সম্ভাব্য উদ্যোগ এবং মামলার দীর্ঘসূত্রতা—উভয় বিষয় নিয়েই নিহত সেনা কর্মকর্তা ও ভুক্তভোগী পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ ও হতাশা বাড়ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

চাইলে আমি এ সংবাদের আরও আকর্ষণীয় শিরোনাম, সংক্ষিপ্ত ভার্সন, বা অনলাইন পোর্টাল স্টাইল লিডও করে দিতে পারি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ