পাটাতন ধসে সড়কে নামাজ আদায়, কলাপাড়ায় মসজিদ সংস্কারে এগিয়ে এলেন যুবদল নেতা সুমন গাজী
টিয়াখালীর মধ্য রজপাড়া বাইতুল মামুর জামে মসজিদে দ্রুত সংস্কারের দাবি মুসুল্লিদের, প্রশাসনের সহযোগিতার আশ্বাস
কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়নের মধ্য রজপাড়া বাইতুল মামুর জামে মসজিদের পাটাতন ধসে পড়ায় মুসুল্লিদের চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। পাটাতন ভেঙে পড়ার ঘটনায় কয়েকজন মুসল্লি পানিতে পড়ে যান। এরপর থেকে মসজিদে নামাজ আদায় সম্ভব না হওয়ায় বাধ্য হয়ে সড়কের ওপর জামাতে নামাজ আদায় করছেন এলাকাবাসী। বৃষ্টির সময় পরিস্থিতি আরও দুর্বিষহ হয়ে ওঠে।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান কলাপাড়া উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও টিয়াখালী ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুমন গাজী। তিনি মসজিদটি নিজস্ব অর্থায়নে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দিলে স্থানীয় মুসল্লিদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে। একই সঙ্গে স্থানীয়রা স্থায়ীভাবে সমস্যা সমাধানে জায়গাটি বালু দিয়ে ভরাট করে মসজিদ সংস্কারে সরকার ও সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
মসজিদের মুসল্লি ইসমাইল আকন, সুমন হাওলাদার, সোনা মিয়া, মনির মিয়া ও জহিরুল ইসলাম জানান, প্রায় দুই বছর আগে স্থানীয়দের উদ্যোগে মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। গত শুক্রবার (১০ জুলাই) আসরের নামাজ শেষে হঠাৎ করেই কাঠের পাটাতন ধসে পড়ে এবং কয়েকজন মুসল্লি পানিতে পড়ে যান। আশপাশে অন্য কোনো মসজিদ না থাকায় বর্তমানে সড়কের ওপরই জামাতে নামাজ আদায় করতে হচ্ছে।
মধ্য রজপাড়া বাইতুল মামুর জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা আব্দুর রহমান এবং মসজিদ কমিটির সহ-সভাপতি মোবিরুল ইসলাম জানান, নিচে পানি থাকায় নির্মাণকালে কাঠের পাটাতনের ওপর মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল। দীর্ঘদিনের ব্যবহারে কাঠ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় পাটাতন ধসে পড়েছে। দ্রুত বালু ভরাট করে মসজিদটি পুনর্নির্মাণে সরকারি সহায়তা ও বিত্তবানদের সহযোগিতা প্রয়োজন।
কলাপাড়া উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও টিয়াখালী ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুমন গাজী বলেন, “মসজিদটি ভেঙে যাওয়ায় মুসল্লিদের সড়কে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত কষ্টের। আমি নিজস্ব অর্থায়নে মসজিদটি সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছি। ইনশাআল্লাহ দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।”
এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আরিফুজ্জামান বলেন, “মসজিদ সংস্কারের বিষয়ে লিখিত আবেদন পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”