• মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মৈত্রী এক্সপ্রেস পুনরায় চালুর বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে: রেলমন্ত্রী ডেঙ্গু মোকাবিলায় তিন মাসের বিশেষ কর্মসূচি: উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী প্রেক্ষাপট: ১০ লাখ ডলার ঘুষ নিয়ে গ্রিন কার্ড দেওয়ার অভিযোগে ইউএসসিআইএস কর্মকর্তা গ্রেপ্তার শেখ হাসিনাকে ধরে আনতে চায় সরকার: ডা. জাহেদ উর রহমান ১৪৪৮ হিজরি হজ: কাতারে নিবন্ধন শুরু ২০ সেপ্টেম্বর, কোটা ৪৪০০ রাজধানীবাসীকেও লোডশেডিং মেনে নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার আমস্টারডাম রুটে সাময়িকভাবে এ৩৮০ ফ্লাইট বন্ধ করছে এমিরেটস সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেটের চার প্রবাসীর মৃত্যু জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশন শুরু: আজ শপথ নেবেন ড. খলিলুর রহমান ভারতীয় পুরুষদের বিয়ে না করার পরামর্শ ইতালীয় নারীর, ভাইরাল ভিডিও নিয়ে বিতর্ক

প্রেক্ষাপট: ১০ লাখ ডলার ঘুষ নিয়ে গ্রিন কার্ড দেওয়ার অভিযোগে ইউএসসিআইএস কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

রিপোর্টার: / ১ পঠিত
আপডেট: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন ও সিটিজেনশিপ সার্ভিসেসের (ইউএসসিআইএস) সাবেক এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা লুকমান ওওলাবি গানিউকে গ্রেপ্তার করেছে ফেডারেল কর্তৃপক্ষ। তাঁর বিরুদ্ধে সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে ইমিগ্রেশন আবেদন অনুমোদন ও দ্রুত প্রক্রিয়াকরণের বিনিময়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ গ্রহণের অভিযোগ আনা হয়েছে। গানিউয়ের সঙ্গে আদেনিই আকিম সোমোয়ে নামের আরেক ব্যক্তিকেও গত ২ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়।

ফেডারেল আদালতে ৩১ আগস্ট দাখিল করা নথিতে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত গানিউ তাঁর সরকারি পদ ব্যবহার করে অবৈধভাবে বিভিন্ন ইমিগ্রেশন আবেদন নিষ্পত্তি করেছেন। এর মধ্যে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি বা গ্রিন কার্ড, গ্রিন কার্ডের শর্ত তুলে নেওয়া এবং নাগরিকত্বের আবেদনের মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল। তদন্তকারীদের দাবি, অনেক ক্ষেত্রে আবেদনকারীরা ফেডারেল আইনের শর্ত পূরণে যোগ্য ছিলেন না, তবুও অর্থের বিনিময়ে তাদের আবেদন অনুমোদন করা হয়েছে।

তদন্তে উঠে এসেছে যে, গানিউ নিয়মিত ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ার সাক্ষাৎকার, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার পর্যালোচনা, ব্যাকগ্রাউন্ড যাচাই এবং নির্ধারিত এখতিয়ারের মতো গুরুত্বপূর্ণ ধাপগুলো এড়িয়ে যেতেন। প্রসিকিউটরদের মতে, গানিউ ও সোমোয়ে মিলে আবেদনকারীদের কাছ থেকে কয়েক লাখ ডলার হাতিয়ে নিয়েছেন। তাদের মধ্যে হোয়াটসঅ্যাপে হাজার হাজার বার্তা ও শত শত ফোনকলের আদান-প্রদান হয়েছে, যার মাধ্যমে অর্থপ্রদান ও নির্দিষ্ট আবেদন অনুমোদনের সরাসরি যোগসূত্র পাওয়া গেছে।

মামলাটি তদন্ত করেছে ইউএসসিআইএসের নিজস্ব তদন্ত বিভাগ, ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির ইন্সপেক্টর জেনারেলের কার্যালয় এবং এফবিআইয়ের ডালাস ফিল্ড অফিস। ফেডারেল প্রসিকিউটর রায়ান রেবোল্ড এই ঘটনাকে জনগণের আস্থার গুরুতর অপব্যবহার হিসেবে উল্লেখ করেছেন। গানিউয়ের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মকর্তাকে অবৈধ অর্থ দেওয়ার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রতিটি আসামির সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড এবং ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। তবে বিচার বিভাগ জানিয়েছে, আদালতে দোষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আসামিরা নির্দোষ বলে গণ্য হবেন এবং বর্তমানে এগুলো কেবল অভিযোগ হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ