• সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সাত ধাপে হবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, প্রথম দফার ভোট ১২ নভেম্বর কাল সন্ধ্যা থেকেই শিল্পে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আশা প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি শিল্পকারখানায় গ্যাস ও বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতির আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ২০২৬-২৭ শীতকালীন মৌসুমে বৈশ্বিক ফ্লাইট নেটওয়ার্ক ও গন্তব্য বাড়াচ্ছে কাতার এয়ারওয়েজ আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে পুনর্বাসন ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ তুললেন রাশেদ খাঁন নতুন ৫০টি এয়ারবাস বিমান বহরে যুক্ত করার ঘোষণা ভিয়েট্রাভেল এয়ারলাইন্সের নভেম্বরের মাঝামাঝি শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি মাছউদ অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা ঘুষখোর ও লুটপাটে লিপ্ত: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সৌদির প্রধান তেল পাইপলাইনে হুতি হামলা: বিশ্ববাজারে ৪ শতাংশ সরবরাহের ঝুঁকি

কাল সন্ধ্যা থেকেই শিল্পে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আশা প্রধানমন্ত্রীর

রিপোর্টার: / ২ পঠিত
আপডেট: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, আগামীকাল সন্ধ্যা নাগাদ শিল্পকারখানায় গ্যাসের সরবরাহ পরিস্থিতি দেড় মাস আগের অবস্থায় ফিরে আসবে বলে সরকার আশাবাদী। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আয়োজিত এই সভায় ব্যবসায়ী নেতা ও মিডিয়া ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব হাসান শিপলু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সভায় ‘বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পথরেখা’ শীর্ষক একটি উপস্থাপনা তুলে ধরেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, বর্তমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সংকট মূলত উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত। এটি রাতারাতি বা এক বছরের মধ্যে সমাধান করা কঠিন, তবে সরকার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের একটিতে কারিগরি জটিলতা ও দুর্ঘটনার কারণে শিল্পে গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হয়েছিল, যা এখন সমাধানের পথে রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার তৃতীয় একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। জিটুজি ভিত্তিতে এই টার্মিনাল নির্মাণের প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং দ্রুত এর কাজ শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন এই টার্মিনাল জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু করতে সক্ষম হবে। ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য অর্জনে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ যে অপরিহার্য, তা-ও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোনো বড় লক্ষ্য অর্জনে একটি কার্যকর টিমওয়ার্ক প্রয়োজন। অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি না করে সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান সমস্যার জটিলতা সরকার লুকাচ্ছে না, বরং তা সমাধানের প্রক্রিয়া জনগণের সামনে তুলে ধরছে। ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হলে অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে, তাই জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট সমাধান কেবল ব্যবসায়ীদের নয়, বরং জাতীয় অর্থনীতির স্বার্থেই অত্যন্ত জরুরি।

সভায় ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা কামনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারি সিদ্ধান্তের বাস্তবায়নে সময় কিছুটা এদিক-সেদিক হতে পারে, কিন্তু সরকারের কাছে সুনির্দিষ্ট সময়সীমা ও পরিকল্পনা রয়েছে। দেশবাসীকে বিভ্রান্তি থেকে বাঁচাতে সরকারের উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনা গণমাধ্যমে সঠিকভাবে তুলে ধরার অনুরোধ জানান তিনি। সরকারের কাজ সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকলে গণমাধ্যম তা সঠিকভাবে জনগণের কাছে পৌঁছাতে পারবে বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

সভায় উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, শিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও শ্রম উপদেষ্টা মাহদী আমিন, ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান, বিদ্যুৎ সচিব মিরানা মাহরুখ এবং জ্বালানি সচিব মো. জিয়াউল হক।

ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যে এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক ফজলুল হক, বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ, বাংলাদেশ জুট মিলস অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল কামাল, চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আমিরুল হক এবং বাংলাদেশ এগ্রো প্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাহবুব আনাম অংশ নেন।

গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের মধ্যে দৈনিক মানবজমিনের সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ড. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, ইংরেজি দৈনিক ওয়াদার সম্পাদক শফিকুল আলমসহ আরও অনেক বিশিষ্ট সাংবাদিক ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. নাহরিন ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিন ঘণ্টার এই আলোচনায় তারা বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি সামগ্রিক অর্থনীতিও উপকৃত হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর প্রভাব পড়েছে শিল্পকারখানাসহ বিভিন্ন খাতে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে দুর্ঘটনাজনিত সমস্যাটি এরই মধ্যে সমাধান করা হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সমস্যাগুলো পর্যালোচনা করেছে, সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বসেছে এবং সেগুলো সমাধানে পরিকল্পনা তৈরি করেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জ্বালানি ও বিদ্যুতের এই সমস্যা উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ফলে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান শুধু ব্যবসায়ীদের স্বার্থের বিষয় নয়; এটি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতির সঙ্গে সম্পর্কিত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ