• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ব্যথাজনিত সমস্যায় চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ দিয়ে আলোচনায় হাকিম মাওলানা আব্দুল হান্নান কলাপাড়া বেকারি মালিক সমিতির কমিটি গঠন, সভাপতি আল আমিন সম্পাদক হারুন কলাপাড়ায় “গ্রাম আদালত” বিষয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত জনগণের কল্যাণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রত্যাশায় সংবিধান সংশোধনের আহ্বান চিফ হুইপের মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিতের আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের কুইক রেন্টালের পরিবর্তে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর, সৌরবিদ্যুতে ১,৫০০ কোটি টাকার তহবিল দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা, জাপান সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান

বীমা খাতেও লুটপাট চলছে, পাওনা না দিলে কোম্পানির সম্পত্তি বিক্রি করা হবে: অর্থমন্ত্রী

রিপোর্টার: / ১১০ পঠিত
আপডেট: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ব্যাংক খাতের মতো দেশের বীমা খাতেও ব্যাপক লুটপাট চলছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তার মতে, তীব্র অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার কারণে এই খাতে সাধারণ মানুষের বিপুল পরিমাণ সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানী ঢাকায় বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) কর্মকর্তাদের সাথে এক মতবিনিময় সভা শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী জানান, গ্রাহকদের বকেয়া বীমা দাবি দ্রুত পরিশোধের জন্য সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোকে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হবে। এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি কোনো কোম্পানি দাবি পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়, তবে তাদের সম্পত্তি বিক্রি করে হলেও জনগণের পাওনা টাকা বুঝিয়ে দেওয়া হবে। দেশে এখন পর্যন্ত ৫৭ শতাংশ বীমা দাবি অপরিশোধিত রয়ে গেছে উল্লেখ করে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। একই সাথে গ্রাহকদের টাকা না দিয়ে কিছু কোম্পানি নিজেদের সম্পদ বাড়িয়েছে বলে তিনি অভিযোগ তোলেন।

বীমা খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং এই খাতের ওপর মানুষের আস্থা পুনর্গঠন করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য বলে জানান আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। গ্রাহকদের পাওনা দ্রুততম সময়ের মধ্যে পরিশোধ নিশ্চিত করার মাধ্যমে আস্থা ফেরাতে তিনি নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে আরও বেশি কার্যকর ভূমিকা নেওয়ার নির্দেশ দেন। এছাড়া অনিয়ম রোধ করতে দেশের সব বীমা কোম্পানিকে দ্রুততম সময়ে প্রযুক্তিবান্ধব বা অটোমেশনের আওতায় আসার তাগিদ দেন তিনি।

আইডিআরএ কর্মকর্তাদের সাথে অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভায় বীমা খাতের নানামুখী অনিয়ম, গ্রাহকের পাওনা পরিশোধে দীর্ঘসূত্রতা এবং সামগ্রিক সুশাসন প্রতিষ্ঠা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। অর্থমন্ত্রী কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থার কোনো নির্দেশনা অমান্য করা হলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির বিরুদ্ধে আইনগত কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বীমা খাতে পুরোপুরি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে অনিয়মের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি বজায় রাখার কথাও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ