• রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শিগগিরই কাটবে জ্বালানি সংকট: বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৯ জনের মৃত্যু দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর ফসফরাস অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ নদীর তলদেশের বিদ্যুৎ তার উধাও, আব্দুল্লাহকে ঘিরে চুরি-অভিযোগের বিস্তার ইরানের সাত দিনের রোডম্যাপ প্রত্যাখ্যান করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প বিমান কার্গো নিরাপত্তা জোরদারে কঠোর ব্যবস্থার আহ্বান আইএটিএর রাজধানীতে ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ নিয়োগপত্র না পাওয়ায় শাহবাগে অবস্থান নিলেন প্রাথমিক শিক্ষকরা গাজার সংকট নিরসনে জাতিসংঘে কাতার-জর্ডান-যুক্তরাজ্যের যৌথ উদ্যোগ যুক্তরাষ্ট্রে শক্তিশালী সামুদ্রিক ঝড় নরইস্টার: বাতিল শত শত ফ্লাইট

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর ফসফরাস অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ

রিপোর্টার: / ৫ পঠিত
আপডেট: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় তীব্র গোলাবর্ষণের সময় ইসরায়েলি বাহিনী বিপজ্জনক ফসফরাস অস্ত্র ব্যবহার করেছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, নাবাতিহ জেলার জওতার আল-শারকিয়াহ, মেফাদুন এবং নাবাতিহ আল-ফাওকার বহির্ভাগে এই গোলার আঘাত হানা হয়। বিশেষ করে নাবাতিহ আল-ফাওকায় সরাসরি ফসফরাস শেল ব্যবহারের পর জওতার আল-শারকিয়াহ এলাকায় ফের একই ধরনের আক্রমণ চালানো হয়। এছাড়া টায়ার জেলার ওয়াদি জিবকিন ও হারিসসহ হাদাসার সীমান্তবর্তী এলাকায় ভারী কামানের গোলা বর্ষণ অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এনএনএ-র বরাত দিয়ে আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লেবানন সেনাবাহিনীর একটি বিশেষজ্ঞ দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে। এ সময় মারজায়ুন ও বিনত জবেইল জেলার মাজদাল সেলম এবং আল-ঘান্দুরিয়াহ এলাকা থেকে ইসরায়েলের নিক্ষেপ করা দুটি অবিস্ফোরিত বিমান বোমা উদ্ধার ও নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে, যা পরে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।

চলতি বছরের মার্চ মাসের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে লেবাননে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। দেশটির কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত অন্তত ৪,৩৮৬ জন নিহত এবং ১২,৪০৭ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ১০ লাখেরও বেশি মানুষ।

গত জুনে সংঘাতপূর্ণ এলাকা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার, লেবানন সেনাবাহিনী মোতায়েন এবং হিজবুল্লাহর অস্ত্রসংবরণের শর্তে একটি সমঝোতা হয়েছিল। তবে সেই সমঝোতা প্রক্রিয়া সত্ত্বেও দেশটিতে ইসরায়েলি হামলা ও গোলাবর্ষণ অব্যাহত রয়েছে, যা নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও সংকটাপন্ন করে তুলেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ