• রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মধ্যপ্রাচ্য সফরে মার্কিন সিনেটর ক্রিস মারফি বিশ্বসেরা বিমানবন্দরের তালিকায় নেই শাহজালাল ইনার সার্কুলার রিং রোড দ্রুত শেষ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশের অর্থনীতি ২০৩০ সালে শীর্ষ ৩০-এ যেতে পারে: ইইউ বয়স্কদের বিমান ভ্রমণ সহজ করতে হামাদ ও ‘ইসান’র যৌথ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসছে দুর্গাপূজার টানা দীর্ঘ ছুটি নভেম্বরেই আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের অপেক্ষায় কক্সবাজার বিমানবন্দর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে আখতারুজ্জামানকে মুক্তি দিন: গোলাম পরওয়ার সৌদির তেল স্থাপনায় হুথিদের হামলা, পাল্টা সানায় বিমান হামলা মদিনার বিদ্যুৎ কেন্দ্রে হুতিদের ড্রোন হামলার নিন্দা বাংলাদেশের

বিশ্বসেরা বিমানবন্দরের তালিকায় নেই শাহজালাল

রিপোর্টার: / ১ পঠিত
আপডেট: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬

যুক্তরাজ্যভিত্তিক স্কাইট্র্যাক্সের ২০২৬ সালের ওয়ার্ল্ড এয়ারপোর্ট অ্যাওয়ার্ডসে বিশ্বের সেরা ১০০ বিমানবন্দরের তালিকায় জায়গা করে নিতে পারেনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। শুধু তাই নয়, দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের সেরা ১০ বিমানবন্দরের তালিকাতেও ঢাকার এই প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি স্থান পায়নি। স্কাইট্র্যাক্সের এই মূল্যায়নের ভিত্তি হলো বিশ্বের বিভিন্ন দেশের যাত্রীদের সরাসরি মতামত। ২০২৫-২৬ সালের জরিপে ১০০টিরও বেশি দেশের যাত্রী অংশগ্রহণ করেন এবং ৫৭৫টির বেশি বিমানবন্দর যাচাই-বাছাই করা হয়। মূলত চেক-ইন, ইমিগ্রেশন, নিরাপত্তা, বোর্ডিং, পরিচ্ছন্নতা এবং কেনাকাটার সুযোগসহ যাত্রীসেবার সামগ্রিক অভিজ্ঞতাই এই র‌্যাংকিংয়ের মাপকাঠি।

তালিকায় সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি বিমানবন্দর শীর্ষস্থান দখল করেছে, এরপরেই রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার ইনচন ও জাপানের টোকিও হানেদা বিমানবন্দর। এছাড়া দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের সেরা বিমানবন্দরের তালিকায় দিল্লি, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ ও গোয়া মানোহর ভারতের চারটি বিমানবন্দর জায়গা করে নিয়েছে, যেখানে শ্রীলঙ্কার কলম্বো রয়েছে সপ্তম অবস্থানে। আঞ্চলিক এই তালিকায় বাংলাদেশের শাহজালাল স্থান না পেলেও চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সপ্তম অবস্থানে জায়গা করে নিয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরেই হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের যাত্রীসেবার মান নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো লাগেজ পেতে অত্যধিক দেরি, ট্রলি সংকট, অতিরিক্ত ভিড়, পরিচ্ছন্নতার অভাব এবং ইমিগ্রেশন ও যাত্রীসেবার নিম্নমান। এছাড়া প্রায়ই যাত্রীদের লাগেজ হারানো বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার মতো ঘটনাও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে। এভিয়েশন বিশেষজ্ঞদের মতে, অবকাঠামোগত উন্নয়নই মানোন্নয়নের জন্য যথেষ্ট নয়; বরং দক্ষ ব্যবস্থাপনা, জনবল প্রশিক্ষণ, বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় এবং যাত্রীসেবার মানসিকতা পরিবর্তন করা জরুরি।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত সক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রীর চাপ সামলাতে গিয়েই অবকাঠামোর ওপর অতিরিক্ত ভার পড়ছে। এই চাপ লাঘবের লক্ষ্য নিয়ে আগামী ১৬ ডিসেম্বর তৃতীয় টার্মিনাল আংশিকভাবে চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। শুরুতে প্রায় ২০টি ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমে এর কার্যক্রম শুরু করার কথা রয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, তৃতীয় টার্মিনাল অবকাঠামো বাড়ালেও সেবার মান নিশ্চিত করতে পরিচালন পদ্ধতিতে আমূল পরিবর্তন প্রয়োজন। স্কাইট্র্যাক্সের এই তালিকায় অনুপস্থিতি তাই শাহজালালের বর্তমান ব্যবস্থাপনা নিয়ে আবারও প্রশ্ন তুলেছে। অন্যদিকে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, শাহজালালে নির্ধারিত সক্ষমতার তুলনায় অনেক বেশি যাত্রীকে সেবা দিতে হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ