• রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ৬৪ জেলায় সমন্বিত কর্মসূচির আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে রংপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর ফার্মেসিতে নকল ও ভেজাল ওষুধের ঝুঁকি, নজরদারি জোরদারের দাবি আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায়, বদলাতে পারে মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয়ের নাম হত্যা, ধর্ষণ ও মব সহিংসতার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন, যুবসমাজের ন্যায়বিচারের দাবি সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আধুনিক সশস্ত্র বাহিনী গড়ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত জেডআরএফ, বিশ্বজুড়ে মানবিকতার প্রতীক হওয়ার প্রত্যাশা ডা. জুবাইদার আমিনবাজারের বদলে যাওয়া চেহারা দেখে সন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, দেশজুড়ে সবুজায়নের আহ্বান জেডআরএফের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নমুনা পরীক্ষার সুযোগ বাড়াতে হবে/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।

রিপোর্টার: / ৪২৭ পঠিত
আপডেট: বুধবার, ১৪ জুলাই, ২০২১

সম্পাদকীয় ডেক্স ঃ দেশে করোনা পরিস্থিতি দিন দিন জটিল হয়ে উঠছে। এরই মধ্যে চলমান বিধিনিষেধ শিথিল করার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এ পর্যন্ত দেশে দশ লাখেরও বেশি মানুষ করোনা আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে আর মারা গেছেন ১৬ হাজারেরও বেশি। প্রতিদিন করোনা রোগীর মৃত্যু ও নতুন শনাক্তের যেসব তথ্য আমরা পাই, এর বাইরেও এ বিষয়ক আরও তথ্য রয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ পিস অবজারভেটরির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনা উপসর্গ নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার মানুষ মারা গেছেন। অনুমান করা যায়, এসব মানুষের সিংহভাগই ছিলেন করোনার রোগী। গত কিছুদিন ধরে সারা দেশেই, বিশেষত গ্রামাঞ্চলে জ¦রের রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এ নিয়ে স্বজনসহ সংশ্লিষ্টরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়লেও জ¦রে আক্রান্তদের কতজন করোনা পজিটিভ, তা নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। রাজধানী ও বিভিন্ন বড় শহরের বাইরে করোনার নমুনা পরীক্ষার সুযোগ সীমিত। প্রাথমিক পর্যায়ে চিহ্নিত না হওয়ায় প্রত্যন্ত অঞ্চলের অনেক করোনা রোগীকে জটিল অবস্থায় রাজধানীসহ বিভিন্ন বড় শহরে চিকিৎসার জন্য আনা হচ্ছে।
বস্তুত সচেতনতার অভাবে গ্রামাঞ্চলের অনেক মানুষ করোনাসহ বিভিন্ন রোগের পরীক্ষা যথাসময়ে করাতে চায় না। নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা শহরে গিয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করানোর সামর্থ্যও অনেকের নেই। এ ছাড়া সামর্থ্য ও ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা শহরে স্বাস্থ্যবিষয়ক বিভিন্ন পরীক্ষার পর্যাপ্ত সুযোগ না থাকায় অনেক জটিল রোগীর রোগ চিহ্নিত হয় বেশ দেরিতে। করোনা রোগীর ক্ষেত্রেও একই চিত্র পরিলক্ষিত হচ্ছে। এ ধরনের নানা কারণে দেশে করোনায় আক্রান্ত অনেক রোগীর অবস্থা জটিল আকার ধারণ করছে। জটিল করোনা রোগীর অক্সিজেন ও আইসিইউ বেড প্রয়োজন হয়। কাজেই জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও যাতে এমন জটিল রোগী প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা পেতে পারেন সেজন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। বর্তমানে ঘরে বসেই যে কোনো ব্যক্তি নিজের দেহের অক্সিজেনের মাত্রা নিরূপণ করতে পারেন। শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কোন পর্যায়ে পৌঁছালে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে, তাও অনেকেই জানেন। সময়মতো অক্সিজেনের মাত্রা নিরূপণ করা গেলে এবং জটিল রোগীকে যথাসময়ে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন দেওয়া সম্ভব হলে অনেক ক্ষেত্রেই দ্রুত সুফল পাওয়া যায়। করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট অতি সংক্রামক। তবে মানুষ সচেতন হলে এবং যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মানলে এর বিস্তার নিয়ন্ত্রণে থাকবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। এর বিপরীতে মানুষ সচেতন না হলে এবং স্বাস্থ্যবিধি না মানলে স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ ও হাসপাতালের বেড যতই বাড়ানো হোক, পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হতে পারে। এ জন্য উপসর্গ দেখা দিলে মানুষকে নমুনা পরীক্ষার ব্যাপাওে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। শুধু তাই নয়, করোনার নমুনা পরীক্ষা যেন সহজ হয় এবং বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের মানুষ যেন এই সুযোগ পায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ