• শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:০৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
হাঁটুর চোট নিয়েও হ্যাটট্রিক—সান্তোসকে অবনমনসঙ্কট থেকে টেনে তুললেন নেইমার হিমালয় অঞ্চলে পানি ন্যায্যতা ও আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রিজওয়ানা হাসানের,, ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্রের লড়াইয়ে তরুণদের নেতৃত্বের ঐতিহ্য তুলে ধরলেন আইন উপদেষ্টা,, খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দেশজুড়ে বিশেষ দোয়া, লন্ডন যাত্রা রোববারে নির্ভর চিকিৎসকদের সিদ্ধান্তে,, নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে আল্টিমেটাম, মহাসমাবেশে সরকারি কর্মচারীদের ঘোষণা,, খালেদা জিয়াকে দেখতে ঢাকায় নেমেই এভারকেয়ারে জুবাইদা রহমান বেগম জিয়ার লন্ডন যাত্রার তারিখ পরিবর্তন, রোববারে যাবেন শেখ হাসিনার ফেরত পাঠানোতে ভারতের নীরবতা, জানালেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও ৩৬ আসনে প্রার্থী ঘোষণা, মোট ২৭৩ আসনে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করলো বিএনপি কারিগরি জটিলতায় কাতারের এয়ার অ্যাম্বুলেন্স, খালেদা জিয়ার লন্ডন যাত্রা অনিশ্চিত

নমুনা পরীক্ষার সুযোগ বাড়াতে হবে/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।

রিপোর্টার: / ৩৪১ পঠিত
আপডেট: বুধবার, ১৪ জুলাই, ২০২১

সম্পাদকীয় ডেক্স ঃ দেশে করোনা পরিস্থিতি দিন দিন জটিল হয়ে উঠছে। এরই মধ্যে চলমান বিধিনিষেধ শিথিল করার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এ পর্যন্ত দেশে দশ লাখেরও বেশি মানুষ করোনা আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে আর মারা গেছেন ১৬ হাজারেরও বেশি। প্রতিদিন করোনা রোগীর মৃত্যু ও নতুন শনাক্তের যেসব তথ্য আমরা পাই, এর বাইরেও এ বিষয়ক আরও তথ্য রয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ পিস অবজারভেটরির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনা উপসর্গ নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার মানুষ মারা গেছেন। অনুমান করা যায়, এসব মানুষের সিংহভাগই ছিলেন করোনার রোগী। গত কিছুদিন ধরে সারা দেশেই, বিশেষত গ্রামাঞ্চলে জ¦রের রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এ নিয়ে স্বজনসহ সংশ্লিষ্টরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়লেও জ¦রে আক্রান্তদের কতজন করোনা পজিটিভ, তা নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। রাজধানী ও বিভিন্ন বড় শহরের বাইরে করোনার নমুনা পরীক্ষার সুযোগ সীমিত। প্রাথমিক পর্যায়ে চিহ্নিত না হওয়ায় প্রত্যন্ত অঞ্চলের অনেক করোনা রোগীকে জটিল অবস্থায় রাজধানীসহ বিভিন্ন বড় শহরে চিকিৎসার জন্য আনা হচ্ছে।
বস্তুত সচেতনতার অভাবে গ্রামাঞ্চলের অনেক মানুষ করোনাসহ বিভিন্ন রোগের পরীক্ষা যথাসময়ে করাতে চায় না। নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা শহরে গিয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করানোর সামর্থ্যও অনেকের নেই। এ ছাড়া সামর্থ্য ও ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা শহরে স্বাস্থ্যবিষয়ক বিভিন্ন পরীক্ষার পর্যাপ্ত সুযোগ না থাকায় অনেক জটিল রোগীর রোগ চিহ্নিত হয় বেশ দেরিতে। করোনা রোগীর ক্ষেত্রেও একই চিত্র পরিলক্ষিত হচ্ছে। এ ধরনের নানা কারণে দেশে করোনায় আক্রান্ত অনেক রোগীর অবস্থা জটিল আকার ধারণ করছে। জটিল করোনা রোগীর অক্সিজেন ও আইসিইউ বেড প্রয়োজন হয়। কাজেই জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও যাতে এমন জটিল রোগী প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা পেতে পারেন সেজন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। বর্তমানে ঘরে বসেই যে কোনো ব্যক্তি নিজের দেহের অক্সিজেনের মাত্রা নিরূপণ করতে পারেন। শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কোন পর্যায়ে পৌঁছালে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে, তাও অনেকেই জানেন। সময়মতো অক্সিজেনের মাত্রা নিরূপণ করা গেলে এবং জটিল রোগীকে যথাসময়ে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন দেওয়া সম্ভব হলে অনেক ক্ষেত্রেই দ্রুত সুফল পাওয়া যায়। করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট অতি সংক্রামক। তবে মানুষ সচেতন হলে এবং যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মানলে এর বিস্তার নিয়ন্ত্রণে থাকবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। এর বিপরীতে মানুষ সচেতন না হলে এবং স্বাস্থ্যবিধি না মানলে স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ ও হাসপাতালের বেড যতই বাড়ানো হোক, পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হতে পারে। এ জন্য উপসর্গ দেখা দিলে মানুষকে নমুনা পরীক্ষার ব্যাপাওে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। শুধু তাই নয়, করোনার নমুনা পরীক্ষা যেন সহজ হয় এবং বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের মানুষ যেন এই সুযোগ পায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ