• শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
পরিবেশ রক্ষায় দায়িত্বের বাইরে গিয়েও কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের অগ্রাধিকারেই সংস্কার, উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তার আশ্বাস কৃষিকে লাভজনক খাতে রূপান্তরের তাগিদ রাষ্ট্রপতির, গুরুত্ব সংরক্ষণ ও গবেষণায় কালিগঞ্জের মথুরেশপুর জামায়াতের অফিস উদ্বোধন বিমান বহরে যুক্ত হচ্ছে এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ দেশের চার অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরে কমছে যাত্রী সংখ্যা তিন সিটির উন্নয়নে ৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন রসায়নে নোবেল পেলেন জাপান ও ফ্রান্সের দুই বিজ্ঞানী জেট ফুয়েলের দাম বৃদ্ধি: অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে বাড়তি শারদীয় দুর্গাপূজায় টানা পাঁচদিনের ছুটির ঘোষণা

বৃষ্টির নতুন পানির কারণে তিস্তা ও ধরলা নদীতে ঝাঁকে -ঝাঁকে ধরা পড়ছে বৈরালি মাছ /দৈনিক ক্রাইম বাংলা।

রিপোর্টার: / ৫৭০ পঠিত
আপডেট: রবিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২২

সাহিদ বাদশা বাবু , লালমনিরহাট ::বৈরালি মাছ শুধুমাত্র প্রবাহমান নদীতে পাওয়া যায়। বৃষ্টির নতুন পানির কারণে তিস্তা ও ধরলা নদীতে হঠাৎ চৈত্র মাসে পানির নতুন প্রবাহ সৃষ্টি হয়েছে। নতুন পানি পেয়ে নদীতে ঝাঁকে-ঝাঁকে বৈরালি মাছ নদীর কিনারায় এসে ডিম ছাড়ছে।

বৈরালি মাছের প্রজনন মৌসুম এখন, তাই নদীর কিনারায় ডিম ও রেণুতে ভরে গেছে। আঁচল ভর্তি পানি নিলে খালি চোখে দৃশ্যমান হয়। নতুন পানি পেয়ে ডিম ছাড়তে এসে জেলেদের জালে ঝাঁকে-ঝাঁকে বৈরালি মাছ ধরা পড়ছে। জেলেদের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে।

তিস্তা ও ধরলা পাড়ে ঘুরতে গিয়ে দেখা গেছে জেলেদের মাছ ধরার ধূম। তবে বৈরালি মাছ সাধারণত রাতে জেলেদের জালে ধরা পড়ে। এই মাছ রাতে ঝাঁক বেধে স্রোতের বিপরীতে এই সময় চলে। ডিম পাড়া শেষে আবার গভীর নদীতে ফিরে যায়।

ঝাঁক বেধে বৈরালি মাছ চলার সময় বোয়াল, বাঘাইড়, আইড়, কালবাউশ, বাইম, চিতল, খাকলাসহ নানা প্রজাতির ছোটবড় মাছ বৈরালি মাছকে খাদ্য হিসেবে শিকার করে। বৈরালি মাছ শিকার করতে এসে শিকারি মাছ জেলেদের শিকারে পরিণত হয়ে যায়। বড়-বড় মাছও জেলেদের জালে আটকা পড়ছে।

বৈরালি মাছ সুস্বাদু তাই নদী পাড়ে প্রতি কেজি বৈরালি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায়। সারারাত জেলেরা যে মাছ ধরে থাকে। সেই মাছ পাইকারগণ ভোরে এসে ঘাট হতে পাইকারি মূল্য কিনে নিয়ে যায়। এসব মাছ বাজারের আড়ৎদারদের মাধ্যমে খুচরা ভোক্তাদের কাছে পৌঁছায়।

প্রায় শুকিয়ে যাওয়া তিস্তা ও ধরলা নদীতে আজ তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্ট ও ধরলা সেতু পয়েন্টে প্রায় ৫ হাজার কিউসেকের মতো পানি প্রবাহ রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

মৎস্য সম্পদ দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রাকৃতিক পরিবেশে নতুন পানিতে তিস্তা ও ধরলা নদীতে সকল প্রজাতির মিঠাপানির নদীর মাছ ডিম ছাড়ে। এসময় গভীর জল হতে মাছ ঝাঁকে-ঝাঁকে কূলে আসে। তাই জেলেদের জালে বৈরালিসহ নানা প্রজাতির মাছ ধরা পড়ছে l


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ