• বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:০০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বিজয় দিবসে মান্দায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। হাদির শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন, কিডনি কার্যক্রমে উন্নতি হলেও ঝুঁকি রয়ে গেছে ওসমান হাদির ওপর হামলা পূর্বপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র, নির্বাচন বানচালের চেষ্টা: যমুনার বৈঠকে রাজনৈতিক ঐক্য আমতলীতে নুরজাহান ক্লিনিক এন্ড ডায়গনস্টিক সেন্টারের শুভ উদ্বোধন/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। নওগাঁর মান্দায় ড. টিপুর উপস্থিতিতে কুশুম্বায় দোয়া মাহফিল/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। রাষ্ট্র গঠনের প্রথম শর্ত হলো মানুষের ন্যায়সঙ্গত অধিকার নিশ্চিত করা”- বাউফলে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ড. মাসুদ/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। মাইলস্টোন দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২০ লাখ ও আহতদের ৫ লাখ টাকা সহায়তা দেবে সরকার,,, ভেন্টিলেশনে খালেদা জিয়া, একাধিক জটিলতায় সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসা চলছে,,, উপদেষ্টা পরিষদের দফতর পুনর্বণ্টন: রিজওয়ানা তথ্য, আসিফ নজরুল ক্রীড়া ও আদিলুরের দায়িত্ব এলজিআরডি তফসিল ঘোষণায় নির্বাচন কমিশনকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন,,,

যে কারণে সুইস ব্যাংকের প্রতি বিত্তশালীদের এত আগ্রহ/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।

রিপোর্টার: / ২৮৬ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ১৭ জুন, ২০২২

সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক (এসএনবি) ২০২০ সালের জুন মাসে যে বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, ২০১৯ সালে সেখানকার ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের জমা রাখা অর্থের পরিমাণ ৫ হাজার ৩৬৭ কোটি টাকা। সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশের কতজনের কত টাকা রাখা হয়েছে, সম্প্রতি তার তালিকা জানতে চেয়েছে বাংলাদেশের হাইকোর্ট। সেইসব পাচার হওয়ার টাকা ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশের সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে, সেটাও জানতে চাওয়া হয়। খবর বিবিসি। গোপনীয়তার নীতি: সারা বিশ্ব থেকেই অসংখ্য মানুষ সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে বৈধ-অবৈধ পথে উপার্জিত অর্থ রেখে থাকেন। সুইস ব্যাংকে টাকা-পয়সা রাখতে সারা দুনিয়ার মানুষ সবচেয়ে বেশি আগ্রহ বোধ করে থাকে তাদের গোপনীয়তার নীতির কারণে। সুইজারল্যান্ডের একটি আইন দ্বারা এই গোপনীয়তা স্বীকৃত, যার ফলে ব্যাংকগুলো কোন অবস্থাতেই তাদের গ্রাহকদের তথ্য প্রকাশ করতে কারো কাছে বাধ্য থাকে না। ফলে কে কেন বা কীভাবে উপার্জিত অর্থ ব্যাংকে রাখছে, সেই গ্রাহকদের সম্পর্কে ব্যাংকগুলো কাউকে কোনো তথ্য দেয় না। এই আইন বদল করতে হলে সেটা গণভোট অথবা পার্লামেন্টে পাল্টাতে হবে। তবে এই আইনের মধ্যে একটি বিশেষ ধারাও রয়েছে। যার ফলে বিশেষ কোন পরিস্থিতিতে, যেমন জনস্বার্থে যদি কোন গ্রাহকের হিসাবের তথ্য প্রকাশ করার প্রয়োজন হয় অথবা প্রতারণা বা জালিয়াতি উদঘাটনে আইনানুগ কর্তৃপক্ষের অনুরোধে ব্যাংক গ্রাহকদের তথ্য দিতে পারে। অ্যাসোসিয়েশন অব সুইস প্রাইভেট ব্যাংকার্স এর প্রধান মিশেল ডি রবার্ট কয়েক বছর আগে বিবিসির কাছে ব্যাখ্যা করছিলেন, কীভাবে এই গোপনীয়তার নীতি কাজ করে। একজন ডাক্তার বা আইনজীবী যেভাবে তার রোগী বা মক্কেলের গোপনীয়তা বজায় রাখেন, এখানেও ব্যাপারটা তাই, বলছিলেন তিনি। ‘একজন সুইস ব্যাংকার তার গ্রাহকের কোন তথ্য কাউকে দিতে বাধ্য নন, এটা রীতিমত নীতি এবং আইন বিরুদ্ধ।’ ঠিক এ কারণেই সুইজারল্যান্ড হয়ে উঠেছে বিশ্বের ব্যাংকিং সেবার এক বড় কেন্দ্র। তিনশ’র উপরে ব্যাংক এবং আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান আছে সেখানে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় দুটি ব্যাংক হচ্ছে ক্রেডিট সুইস এবং ইউবিএস। তবে সুইস ব্যাংকগুলোতে বেনামী হিসাব খোলার সুযোগ নেই। কোন ব্যাংক গ্রাহকের একাউন্টটি হয়তো সংখ্যা দিয়ে চিহ্নিত থাকবে, কিন্তু গ্রাহকের আসল পরিচয় ব্যাংকের অল্প কয়েকজন কর্মকর্তা অবশ্যই জানবেন। সুইস ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের ওয়েবসাইটে বলা হচ্ছে, গোপনীয়তার অধিকার সুইস আইন ব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ এবং ফেডারেল সংবিধান দ্বারা তা সুরক্ষিত। তবে কোন অপরাধের ক্ষেত্রে এই সুরক্ষা কাজ করবে না। অর্থাৎ সেখানে গচ্ছিত অর্থ যদি কোন অপরাধের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে গ্রাহকের পরিচয় প্রকাশে কোন বাধা নেই। সুইস ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের ওয়েবসাইটে বলা হয়, অপরাধের তদন্তের ক্ষেত্রে সুইস ব্যাংকগুলো তাদের গ্রাহকদের পরিচয় প্রকাশে বাধ্য, সেই অপরাধ সুইজারল্যান্ডেই হোক, আর অন্য কোন দেশেই হোক।’ তবে সেজন্য সেসব অপরাধে ওই গ্রাহকের সম্পৃক্ত থাকার প্রমাণ দেখাতে হবে। দুর্নীতিবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদ অনুযায়ী, সুইস কেন্দ্রীয় ব্যাংক কয়েক বছর ধরে সেদেশে বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের জমাকৃত অর্থের পরিমাণ প্রকাশ করছে। সুইস কেন্দ্রীয় ব্যাংক কেবল কোন দেশের নাগরিকরা সেদেশের ব্যাংকে কি পরিমাণ অর্থ রেখেছেন সেই তথ্যটাই প্রকাশ করেছে। অর্থনীতিবিদরা বলেছেন, একসময় সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলো এরকম অর্থের ব্যাংকিংয়ের জন্য জনপ্রিয় থাকলেও এখন কেইম্যান আইল্যান্ড, পানামা, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ড ও বাহামার ব্যাংকিং ব্যবস্থাও ধনীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকে বাংলাদেশিদের গচ্ছিত রাখা অর্থের পরিমাণ জানা গেলেও, দেশটির আইন অনুযায়ী, কারা এসব অর্থ রেখেছেন, তা কখনো প্রকাশ করেনি সেদেশের ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা বিবিসি বাংলাকে বলছেন, সুইজারল্যান্ডের আইনি ব্যবস্থার কারণে সেদেশের ব্যাংকগুলোয় কাদের কী পরিমাণ অর্থ রয়েছে, এমন তথ্য বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের কাছে নেই। তবে তারা ধারণা করেন, ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে অবৈধ পথে অর্জিত কালো টাকার মালিকরাই মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে দেশের বাইরে টাকা নিয়ে গিয়ে সুইস ব্যাংকে জমা করছেন। গবেষণা সংস্থা সিপিডি’র নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বলেছেন, ‘যে অর্থ বিদেশে যায়, তার বেশিরভাগই অপ্রদর্শিত বা দুর্নীতির অর্থ। আরেকভাবে যায়, সেটা হচ্ছে, ব্যবসা বাণিজ্য বিশেষ করে আমদানি রপ্তানির মাধ্যমে। এসব উপায়ে যে টাকা চলে গেছে, সেটা কিন্তু সুইস ব্যাংক এবং গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটির রিপোর্টেও দেখা যায়।’ ‘আসলে অনেকে বৈধভাবে অর্জন করার পরেও ভবিষ্যতের কথা ভেবে দেশে টাকা রাখতে নিরাপদ বোধ করেন না। আবার সুইস ব্যাংকে যারা টাকা রাখেন, তাদের অনেকের টাকা অনেকাংশ বা কিছু অংশ থাকে অবৈধ উপায়ে অর্জিত। এগুলোকে পুরোপুরি সাদা টাকা বলা যাবে না। তারা এসব টাকা হয়তো উৎস জানিয়ে বৈধভাবে ব্যাংকে রাখতে পারবেন না, আবার কোন উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ করতে পারবে না।’ যোগ করেন তিনি। ‘অনেক সময় তাদের আশঙ্কা থাকে যে, ক্ষমতার পরিবর্তন হলে তাদের এসব অর্থ ঝুঁকিতে পড়ে যাবে, যেমনটা আমরা ওয়ান ইলেভেনের সময় দেখেছি। ফলে এসব টাকা নিয়ে যাতে কোনরকম জবাবদিহিতার মুখে যাতে না পড়তে হয়, সেজতারা টাকাগুলো বাইরে নিয়ে যান। আর গোপনীয়তা রক্ষা করায় এজন্য তাদের অন্যতম পছন্দের একটি দেশ হচ্ছে সুইটজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলো,’ বলছেন ফাহমিদা খাতুন। ফাহমিদা খাতুন বলছেন, সুইস ব্যাংকের কাজই হচ্ছে সারা পৃথিবীতে যারা এভাবে যারা বৈধ-অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন করেছেন কিন্তু নিজের দেশে বা অন্য দেশের ব্যাংকে রাখতে নিরাপদ বোধ করেন না বা রাখতে পারছেন না, সেই অর্থ নিরাপদে গচ্ছিত রাখা। ‘তারা উৎস জানতে চায় না, অর্থ বৈধ নাকি অবৈধ পথে উপার্জিত সেটা জানতে চায় না, গ্রাহকের পুরোপুরি গোপনীয়তা রক্ষা করে, অন্য কোন দেশের কাছে গ্রাহকদের তথ্য দেয় না, দেশটিতেও স্থিতিশীলতা রয়েছে, এসব কারণেই তারা সারা বিশ্বের টাকার মালিকদের বিশ্বস্ততা বা নির্ভরতা অর্জন করেছে। ফলে শুধু বাংলাদেশ নয়, উন্নত দেশগুলোর বাসিন্দাদেরও কর ফাঁকি বা অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ এসব ব্যাংকে তারা জমা রাখেন,’ তিনি বলছেন। বিশ্লেষকেরা মনে করেন, দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানে অর্থ রাখার ক্ষেত্রে নিরাপত্তাহীনতা এবং বিনিয়োগের যথাযথ পরিবেশ না থাকায় দেশের বাইরে, বিশেষ করে সুইস ব্যাংকগুলোতে গত এক বছরে বাংলাদেশ থেকে রাখা অর্থের পরিমাণ বেড়েছে। বাংলাদেশের একজন ব্যাংকার সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলছেন, গোপনীয়তা রক্ষা করাই সুইস ব্যাংকগুলোর মতো ব্যাংকের মূল চালিকাশক্তি। ‘আমার জানা মতে অনেক দেশ সুইস ব্যাংকের সঙ্গে তথ্য বিনিময়ের চেষ্টা করেছে, কিন্তু তারা সফল হয়নি। সেখানে বেশিরভাগ টাকাই কালো টাকা, কর ফাঁকি দেয়া, অবৈধভাবে আয় করা, সেসব টাকা ওই দেশে চলে যায়। তবে বিভিন্ন দেশ কড়াকড়ি পদক্ষেপ নেয়ায় এখন সেই প্রবণতা অনেক কমে এসেছে।’ তিনি বলছেন। এসব টাকার বিষয়ে তথ্য জানতে এর আগে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংককে চিঠি দিয়ে তাগাদা দেয়া হয়েছে যেন তারা ভারত বা যুক্তরাজ্যের মতো সুইস ব্যাংকের সঙ্গে তথ্য বিনিময়ের একটি সমঝোতা স্মারক করে। দুদকের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ গত বছর বিবিসি বাংলার সংবাদদাতা কাদির কল্লোলকে বলেছিলেন, যদিও সংশ্লিষ্ট আইনে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়া অন্য কারও বিদেশে অর্থ পাচারের বিষয়ে তাদের দেখার ক্ষমতা নাই। এরপরও তিনি বাংলাদেশ ব্যাংককে চিঠি দিয়ে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ সম্পর্কে তথ্য জানার জন্য সমঝোতার উদ্যোগ নেয়ার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সেরকম কোন সমঝোতা এখনো সুইস ব্যাংকের সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের হয়নি। ব্যাংকার সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলছেন, ‘’চাইলেই বাংলাদেশের পক্ষে এরকম অর্থ ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। প্রথমত দুই দেশের মধ্যে চুক্তি থাকতে হবে। যেমন পানামা কেলেঙ্কারির কথা শোনার পরে কয়টা দেশ সেসব টাকা ফিরিয়ে আনতে পেরেছে? সেসব ব্যাংক তো তার গ্রাহকদের সম্পর্কে তথ্য দিতে বাধ্য নয়। সরকারের সদিচ্ছা থাকলেও এখনো এসব দেশ থেকে সরকার তথ্য আনতে পারেনি। এটা কঠিন একটা কাজ, এটা এত সহজে সম্ভব হবে না।’ যতক্ষণ এসব ব্যাংক সহযোগিতা না করছে, ততক্ষণ এই টাকার মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়াও কঠিন বলে তিনি বলছেন। তবে বাংলাদেশি টাকার মালিকদের অনেকে এখন সুইস ব্যাংকে টাকা না জমিয়ে বরং মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, কানাডার মতো দেশগুলোয় বিনিয়োগের বদলে নাগরিকত্ব সুবিধায় আগ্রহী হয়ে উঠছেন। তাতে একদিকে তারা যেমন আরেকটি দেশের নাগরিকত্ব পাচ্ছেন, পাশাপাশি সেসব দেশে বাড়ি বা ব্যবসাবাণিজ্যে বিনিয়োগ করছেন। সুইজারল্যান্ড কিভাবে সারা দুনিয়ার ব্যাংকিং সেবার বড় কেন্দ্র হয়ে উঠলো তার ইতিহাস বেশ দীর্ঘ। বলা হয়ে থাকে, ১৯৩০ এর দশকে জার্মানিতে যখন ইহুদীরা নাৎসিদের শুদ্ধি অভিযানের মুখে পড়ে, তখন তাদের অর্থ গোপন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে রাখার মাধ্যমে সুইস ব্যাংকগুলোর এই ব্যবসার শুরু। তবে তারও আগে ১৯৩৪ প্রথম সুইস ব্যাংকগুলো তাদের গ্রাহকদের গোপনীয়তার রক্ষার আইন করে। ফ্রান্সের কয়েকজন রাজনীতিক এবং ব্যবসায়ী তাদের বিপুল অর্থ সুইস ব্যাংকে রেখেছিলেন। সেই তথ্য ব্যাংক থেকে ফাঁস হয়ে গিয়েছিল। এরপর সুইস ব্যাংকগুলো তাদের গ্রাহকদের গোপনীয়তা রক্ষার জন্য এই পদক্ষেপ নেয়। এই গোপনীয়তা আইনের সুযোগে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলো ফুল ফেঁপে উঠে। তৃতীয় বিশ্বের দুর্নীতিবাজ স্বৈরশাসক থেকে শুরু করে ইউরোপ-আমেরিকার কর ফাঁকি দেয়া বিত্তশালী ব্যবসায়ী, সবাই তাদের অর্থ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ