• রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
আমিনবাজার-হেমায়েতপুর মহাসড়কে বর্জ্য অপসারণ, শুরু হচ্ছে নিমগাছ রোপণ সমুদ্রবন্দরের সতর্কতা সংকেত প্রত্যাহার, পাঁচ বিভাগে ভারি বৃষ্টির সতর্কবার্তা রোববার প্রকাশ হচ্ছে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল টানা বর্ষণে বেনাপোল বন্দরে জলাবদ্ধতা, কোটি টাকার আমদানি পণ্য ক্ষতির অভিযোগ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রতিরোধ না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না’ বন্যাদুর্গত এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা জোরদারে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৭ দফা নির্দেশনা মানবিকতা ও নৈতিকতাই চিকিৎসা পেশার মূল শক্তি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করা হবে: ডা. শফিকুর রহমান বিদেশে চিকিৎসা নির্ভরতা কমাতে চিকিৎসকদের মানবিক হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পচন যখন গোড়ায়: একটি ডিম হাতিয়ে নেওয়া ও আমাদের সামষ্টিক নৈতিক দেউলিয়াত্ব

লবণাক্ত জমিতে সূর্যমুখীর হাসি খুলনা।

রিপোর্টার: / ৪৩৭ পঠিত
আপডেট: রবিবার, ৩ মে, ২০২০

খুলনা প্রতিনিধি
তারা বলছেন, আমন মওসুমে ধান লাগানোর পর জমিগুলো পড়ে থাকতো। তবে এবার কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগিতায় সেসব জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করা হয়েছে। ফসলও ভালো হয়েছে। ভালো ফলন দেখে এলাকার অন্য কৃষকদের মাঝেও সূর্যমুখী ফুল চাষে আগ্রহ দেখা দিয়েছে।

কৃষি বিভাগ বলছে, এ ফসল চাষে অনাবাদী জমির পরিমাণ কমার পাশাপাশি পূরণ হবে স্থানীয় সূর্যমুখী তেলের চাহিদাও।

সরোজমিনে দৈনিক ক্রাইম বাংলারএই প্রতিনিধি দেখেন, কয়রার আমাদি ইউনিয়নের চন্ডীপুর গ্রাম ও দুই নম্বর কয়রার এক হেক্টর জমি ছেয়ে আছে হলুদের আভায়। যেদিকে চোখ যায় সেদিকেই হলুদের ছড়াছড়ি। চোখ জুড়ানো মনোমুগ্ধকর এক অপরূপ সৌন্দর্য। মাঠের দিকে তাকালেই চোখ জুড়িয়ে যায় ভোজ্য ফসল সূর্যমুখীর বাহারি শোভায়। বাতাসে দোল খাওয়া সূর্যমুখীর হাসিও চোখে পড়ার মতো। এতে সূর্যমুখী ফুলের পাশাপাশি হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখেও।

কয়রার আমাদি ইউনিয়নের চন্ডীপুর গ্রাম ও দুই নম্বর কয়রার লবণাক্ত পতিত জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করে সফল হয়েছে কৃষি বিভাগ।

সুভাস মন্ডল নামে স্থানীয় এক কৃষক বলেন, আমি ১৫ বিঘা জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করেছি। ২৫-৩০ বছর ধরে লবণাক্ত এ জমি পড়ে থাকতো। আমন ধান ছাড়া আর কোনো ফসল এখানে হতো না। পরে কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এ জমিতে সূর্যমুখী ফুল চাষের পরামর্শ দেয়। তারাই জমির চাষাবাদের খরচ, সার, বীজ ও কীটনাশক দিয়েছে। যে কারণে বাম্পার ফলন হয়েছে।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষণা বিভাগের বৈজ্ঞানিক সহকারী মো. জাহিদ হাসান দৈনিক ক্রাইম বাংলা  সাংবাদিককে বলেন। কয়রার চন্ডীপুর গ্রাম ও দুই নম্বর কয়রায় এবার এক হেক্টর লবণাক্ত জমিতে লবণ-সহিঞ্চু সূর্যমুখী ফুলের চাষ করা হয়েছে। নিয়মিত এলাকা পরিদর্শন করে কৃষকদের সবধরনের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ