• রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শাহ ছুফি মমতাজীয়া দরবার শরীফে ধানের শীষে ভোট চাইলেন বিএনপি প্রার্থী/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। কলাপাড়ায় আবারো মুখোমুখি সংঘর্ষে ব্যবসায়ী নিহত/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। কলাপাড়ার মহিপুরে সেনাবাহিনীর অভিযানে গাঁজাসহ মাদক ব্যাবসায়ী আটক/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। ধানের শীষের সমর্থনে কলাপাড়ায় উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। নওগাঁর আত্রাইয়ে নিখোঁজের ১৯ মাস পর সুমন হত্যার রহস্য উদঘাটন, প্রধান আসামি গ্রেফতার/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। পত্নীতলায় ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। জ্বালানি ও বিদুৎ মহাপরিকল্পনা খসড়া বাতিলের দাবিতে নাগরিক সমাজের প্রতিবাদ/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। কলাপাড়ায় বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত-১/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। ধানের শীষে ভোটেই জনগণের ভাগ্য বদলাবে: মৌলভীবাজারে তারেক রহমান,, কলাপাড়ায় সাংবাদিকদের সাথে ১০ দলীয় জোট প্রার্থীর মতবিনিময় সভা/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।।

ব্যাংকে তারল্য সংকট নেই, ১ লাখ ৬৯ হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত তারল্য রয়েছে/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।

রিপোর্টার: / ৩০২ পঠিত
আপডেট: সোমবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২২

, ১৪ নভেম্বর, ২০২২ (ক্রাইম বাংলা ): দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় তারল্যের কোনো সংকট নেই বরং বর্তমানে এক লাখ ৬৯ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকার অতিরিক্ত তারল্য রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সোমবার কেন্দ্রিয় ব্যাংক আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র জি এম আবুল কালাম আজাদ এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর খবর প্রচারিত হচ্ছে। সেখানে বিনিয়োগকারীদের ব্যাংকের আমানত তুলে নেওয়ার জন্য বলা হচ্ছে। বলা হচ্ছে ব্যাংকগুলোতে নগদ অর্থ নেই বা তারল্য সংকট আছে। কিন্তু এটি সত্য নয়। বাংলাদেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা অত্যন্ত সুদৃঢ় অবস্থায় রয়েছে। ব্যাংকিং ব্যবস্থায় তারল্যের কোনো সংকট নেই। ব্যাংক ব্যবস্থায় বর্তমানে এক লাখ ৬৯ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকার অতিরিক্ত তারল্য রয়েছে।
তিনি জানান, ব্যাংকের তারল্য পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংকের সব ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের কাছে বিশেষ সতর্কবার্তা পাঠিয়েছে। কোনো ব্যাংকের তারল্য ব্যবস্থাপনায় কোনো ব্যতয় থাকলে বাংলাদেশ ব্যাংক তা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নিরসনের পদক্ষেপ নেবে।
আবুল কালাম আজাদ বলেন, তারল্য ব্যবস্থাপনার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘রেপো ও অ্যাসিউরড লিকুইডিটি সাপোর্ট’ নীতি সর্বদা চালু রয়েছে। ব্যাংকের পরিদর্শন ও সুপারভিশন বিভাগ এ ব্যাপারে তৎপর রয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫১ বছরে কোনো ব্যাংক বন্ধ হয়নি। আশা করা যায় আগামীতেও বাংলাদেশের কোনো ব্যাংক বন্ধ হবে না। ব্যাংকগুলোতে জনগণের আমানত সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছে। ব্যাংকে জনগণের সংরক্ষিত আমানত নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার মতো কিছু ঘটেনি বলে তিনি দাবি করেন।
এলসি ওপেনিং প্রসঙ্গে কেন্দ্রিয় ব্যাংকের মুখপাত্র বলেন, সংবাদপত্রের মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছি কমার্শিয়াল এলসি ওপেনিং বন্ধ রয়েছে। খবরটি সঠিক নয়। আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে- নভেম্বর মাসের ১০ দিনে এলসি ওপেন হয়েছে ১২৬৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের। গত মাসের এ সময়ে যা ছিল ১২৩২ মিলিয়ন ডলার। চলতি বছরের অক্টোবরে এলসি ওপেন হয়েছে ৪৭৪৩ মিলিয়ন ডলারের।
তিনি জানান, করোনা ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে অর্থনীতিতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হয়েছে। যে কারণে বিশ্ব অর্থনীতি এখন টালমাটাল। এর প্রভাবে আমাদের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে সরবরাহ ও চাহিদায় ব্যতয় ঘটতে থাকে। তিনি বলেন, কমার্শিয়াল এলসি ওপেন বা খোলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। স্ব স্ব ব্যাংক তাদের রেমিট্যান্স আয় এবং ব্যয় সাপেক্ষে ব্যবহারযোগ্য বৈদেশিক মুদ্রা তহবিল বিবেচনায় তারা ঋণপত্র খুলছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক পরিপূর্ণ গাইডলাইন অনুযায়ী তদারকি করে যাচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এখন পর্যন্ত  বিদেশি মুদ্রার কোনো লোন ডিফল্ট হয়নি এবং বাংলাদেশ ব্যাংক তা হতেও দেবে না। আগামী জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি নাগাদ বৈদেশিক মুদ্রা বাজারের চাহিদা ও সরবরাহে ভারসাম্য অবস্থা ফিরে আসবে বলে আশা করছে কেন্দ্রিয় ব্যাংক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ