• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ৬৪ জেলায় সমন্বিত কর্মসূচির আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

তিস্তার চরে কুমড়া চাষ, মুখে সফলতার হাসি/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। 

রিপোর্টার: / ৩২৩ পঠিত
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

সেলিম মিয়া, রংপুর প্রতিনিধি।।

তিস্তা নদীর চরে বালুকাময় জমিতে ফসল ফলানোর চিন্তা খুব একটা ফলপ্রসু নয়। তাই দীর্ঘদিন ধরে পতিত ছিল রংপুরের গংগাচড়া উপজেলার তিস্তা অববাহিকার চরগুলো। অনাবাদি হওয়ার কারণে এ চরগুলোর কোনো খোঁজখবর রাখেননি জমির মালিকরাও।

তবে আশপাশের ভূমিহীন মানুষরা এ চরের জমিতে মিষ্টি কুমড়া উৎপাদন করে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছেন। তাদের প্রচেষ্টায় গংগাচড়ার ৬টি চরে এখন মিষ্টি কুমড়ার চাষ হচ্ছে। ধু-ধু বালুচরে যতদুর চোখ যায় সমস্ত চর জুড়ে এখন সবুজ কুমড়া গাছের ফাঁকে ফাঁকে সোনালী মিষ্টি কুমড়ার সমারোহ।

বন্যায় তিস্তার চরের মানুষ হতাশাগ্রস্ত থাকলে খরা মৌসুমে তাদের মুখে থাকে নিতান্তই হাসি। তিস্তার চর যখন সবুজ শ্যামল ফসলে ভরে ওঠে তখন তিস্তাপাড়ের মানুষের মুখে ফুটে ওঠে সফলতার হাসি।

উপজেলার মহিপুর,লক্ষীটারি, কোলকোন্দ ও নোহালী ইউনিয়নের তিস্তার চরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় একরজুড়ে সবুজ শ্যামল মিষ্টি কুমড়ার ক্ষেত। কৃষাণ-কৃষাণীরা মিষ্টি কুমড়ার ভাল ফলনের আশায় শীত উপেক্ষা করে শ্রম দিয়েই যাচ্ছেন কুমড়া ক্ষেতে। কুমড়ার পাশাপাশি পেঁয়াজ, ভুট্টাসহ শাকসবজি আবাদে ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করছেন চরাঞ্চলের কৃষকেরা।

কুমড়া ক্ষেতে কাজ করা জহুরা বেগম জানান, তিস্তার চরে কম খরচে লাভজনক ফসল হচ্ছে এই কুমড়া।আর্থিক চাহিদা মেটাতে এখন অনেকেই কুমড়া চাষে এগিয়ে আসছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান,শুষ্ক মৌসুমে তিস্তার চরে এখন অনেক ফসলই আবাদ হচ্ছে। চরাঞ্চলে কোনো জমিই এখন আর পতিত থাকে না। চলতি বছরে চর এলাকায় প্রায় ১২০ একর জমিতে মিষ্টি কুমড়ার চাষ হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ