• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা, জাপান সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত

পায়রার জোয়ারে ভাসছে নিম্নাঞ্চল,উঁচু বাঁধ নির্মাণের দাবি/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। 

এস এম নাসির মাহমুদ।। / ২৩৮ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ৪ আগস্ট, ২০২৩

এস এম নাসির মাহমুদ, আমতলী (বরগুনা)।।

পূর্ণিমার প্রভাবে সৃষ্ট অস্বাভাবিক জোয়ারে পায়রা (বুড়িশ্বর) নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে তলিয়ে গেছে বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার পায়রা নদীর বাঁধের বাইরে থাকা নিম্নাঞ্চল। টানা তিনদিন ধরে এ অবস্থা বিরাজ করছে। জলাবদ্ধতা কারনে বিভিন্ন রোগব্যাধির প্রকোপ বাড়ছে। পানিতে ঘরবাড়ি তলিয়ে যাওয়ায় রান্নার চুলো জ্বলেনি অনেকের ঘরে। টানা তিনদিন ধরে এ অবস্থা চললেও স্থানীয় প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ পানিবন্দি পরিবারের। উঁচু বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে উপকূলকে রক্ষার দাবি পানিবন্দি মানুষের।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার ঘোপখালী, বালিয়াতলী, পশুরবুনিয়া, আড়পাঙ্গাশিয়া, পশ্চিম আমতলী, ফেরীঘাট, পুরাতন লঞ্চঘাট, বৈঠাকাটা, পানি উন্নয়ন বোর্ড, আমুয়ার চর, আঙ্গুরকাটা, গুলিশাখালী ও হরিদ্রবাড়িয়ার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এ সকল এলাকার মানুষের ঘর বাড়ীসহ ফসলি জমি জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে। এছাড়াও পায়রা নদীতে তীব্র জোয়ারে আমতলী ফেরিঘাটের গ্যাংওয়ে তলিয়ে গেছে। এতে নারী ও শিশুসহ সবাই কোমর সমান পানির মধ্যে দিয়ে তীরে উঠছেন।
বৈঠাকাটা গ্রামের বারেক হাওলাদার ও রফিক মিয়া জানান, শুক্রবার ১২ টার পর থেকে পানি বাড়তে শুরু করেছে। এতে ৩-৪ ঘন্টা তাদের পানিবন্ধি থাকতে হচ্ছে। ফলে বিভিন্ন সমস্যা হয় তাদের।
একই গ্রামের গৃহবধু কুলসুম আক্তার বলেন, পানিতে তাদের রান্না ঘর তলিয়ে যাওয়ায় রান্নায় সমস্যা হচ্ছে। দুর্ভোগ আর অসহায় জীবনযাপন করলেও নজর নেই কারো এমন অভিযোগ বাঁধের বাইরে থাকা নিম্নাঞ্চলের পানিবন্দী পরিবারগুলোর।
বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রাকিব বলেন, জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়েছে কিন্তু কোথাও বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙ্গে ভিতরে পানি প্রবেশ করেনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ