
নিজস্ব প্রতিবেদক :
নতুন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর প্রথম কর্মদিবসেই ব্যস্ত সময়সূচি পালন করছেন দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় তিনি সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।
স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানানো শেষে দুপুরে তিনি সচিবালয়ে পৌঁছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন। বিকেল ৩টায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বিকেল ৪টায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মো. সাহাবুদ্দিন জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের শপথ পাঠ করান। এই শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে প্রায় দুই যুগ পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নেতৃত্বে নতুন সরকারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।
শপথ অনুষ্ঠানে চীন, ভারত, পাকিস্তান, সৌদি আরব, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ ও ভুটানসহ ১৩টি দেশের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। উপস্থিত ছিলেন প্রধান বিচারপতি, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, তিন বাহিনীর প্রধান, কূটনৈতিক কোরের সদস্য এবং উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা।
নতুন প্রধানমন্ত্রীর প্রথম অফিসকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার দুপুর থেকেই সচিবালয়ের তৃতীয় তলায় ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কক্ষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র ও সাজসজ্জার কাজ সম্পন্ন করেন। একই সঙ্গে মন্ত্রিসভার বৈঠক কক্ষও প্রস্তুত করা হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর প্রথম কর্মদিবসে শীর্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচয় ও প্রাথমিক বৈঠক সরকারের নীতিনির্ধারণী কার্যক্রমে নতুন গতি আনবে। এটি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও প্রশাসনিক সমন্বয় জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন তারা।