• বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ১০:১৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
স্বচ্ছ নিয়োগে ভোলায় পুলিশে চাকরি পেলেন ৩৩ তরুণ-তরুণী, খুশিতে পরিবারগুলো ভারতীয় গরু বন্ধে স্বস্তিতে রাজশাহীর খামারিরা, কোরবানির হাটে দেশি পশুর আধিপত্য ভোলা নৌপথে বাড়ছে যাত্রীচাপ, ফিটনেসবিহীন লঞ্চ নিয়েঈদে শঙ্কা এআই ও সাইবার নিরাপত্তায় দক্ষতা না বাড়ালে রাষ্ট্র ঝুঁকিতে পড়বে: তথ্যমন্ত্রী শ্রমিক কল্যাণ ও নগর উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর ডে-কেয়ারে শিশুদের সঙ্গে আনন্দঘন মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুলশান-বনানী লেক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, দূষণ রোধে জোর বিশ্বকাপ আমেজে নতুন লুকে ঝড় তুললেন শাকিরা, নেটদুনিয়ায় আলোড়ন সীমান্ত হত্যা ও সরকারের ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনা এনসিপি নেতা নাসির উদ্দীন পাটোয়ারীর ১ জুলাই থেকে নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন, ধাপে ধাপে বাড়বে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন

ডে-কেয়ারে শিশুদের সঙ্গে আনন্দঘন মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রিপোর্টার: / ৬ পঠিত
আপডেট: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬

ডে-কেয়ারে শিশুদের সঙ্গে আনন্দঘন মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ভূমি ভবনে ডে-কেয়ার সেন্টারের শিশুদের সঙ্গে প্রাণোচ্ছ্বল সময় কাটিয়েছেন Tarique Rahman। মঙ্গলবার সকালে ভূমিসেবা মেলা-২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে তিনি মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ডে-কেয়ার সেন্টারটি পরিদর্শনে যান।

ডে-কেয়ার সেন্টারজুড়ে তখন শিশুদের হাসি, খেলাধুলা আর আনন্দঘন পরিবেশ। ছোট ছোট শিশুদের দৌড়ঝাঁপে মুখর পুরো কক্ষ। এমন মুহূর্তেই সেখানে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী। নিরাপত্তার কড়াকড়ির মাঝেও প্রায় ১৮ মিনিট শিশুদের সঙ্গে সময় কাটান তিনি।

সেন্টারে প্রবেশ করেই শিশুদের সঙ্গে মিশে যান সরকারপ্রধান। কেউ তার সঙ্গে করমর্দন করে, কেউ টেনে নিয়ে যায় খেলনার কাছে। কয়েকজন শিশু নিজেদের হাতে আঁকা ছবি দেখালে প্রধানমন্ত্রী মনোযোগ দিয়ে সেগুলো দেখেন এবং প্রশংসা করেন। কখনও শিশুদের মাথায় হাত বুলিয়ে দেন, আবার কখনও তাদের কথায় প্রাণখুলে হাসেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী শিশুদের সঙ্গে নিয়ে কেক কাটেন। নিজ হাতে শিশুদের চকলেট, টফি, ললিপপ ও গিফট ব্যাগ বিতরণ করেন। শিশুদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আর কেউ কি বাকি আছে? পেয়েছো তোমরা সবাই?”

পরে শিশুদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজকে তোমাদের সবার জন্মদিন। আসো আমরা একসাথে কেক কাটি।” এরপর শিশুদের নিয়ে কেক কাটলে পুরো কক্ষ করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে। শিশুরা আনন্দে ‘হ্যাপি বার্থডে’ গান গেয়ে পরিবেশকে আরও উৎসবমুখর করে তোলে। এ সময় এক শিশু প্রধানমন্ত্রীকে নিজ হাতে কেক খাইয়ে দেয়।

প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে শিশুদের উচ্ছ্বাসও ছিল চোখে পড়ার মতো। ছোট্ট শিশু আরিবা জানায়, “প্রধানমন্ত্রী আংকেল খুব ভালো। আমরা একসাথে কেক খেয়েছি, অনেক মজা হয়েছে।”

ডে-কেয়ার সেন্টারের কর্মকর্তা মাহিয়া তাসনুভ তামান্না শিশুদের যত্ন, শিক্ষা ও দৈনন্দিন কার্যক্রম সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শিশুদের খাদ্য ও মানসিক বিকাশের বিষয়ে খোঁজ নেন এবং সঠিক পরিচর্যার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন A Z M Zahid Hossain এবং ভূমি প্রতিমন্ত্রী Mir Mohammad Helal Uddin।

সংশ্লিষ্টরা জানান, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ঢাকাসহ সারা দেশে বর্তমানে ২০টি ডে-কেয়ার সেন্টার পরিচালিত হচ্ছে। চার থেকে ছয় বছর বয়সী শিশুরা এসব কেন্দ্রে প্রতিদিন প্রায় সাড়ে ১০ ঘণ্টা সেবা পেয়ে থাকে।

আনন্দঘন সময় শেষে প্রধানমন্ত্রী শিশুদের দিকে হাত নেড়ে বিদায় জানান। শিশুরাও হাত নেড়ে ও সালাম দিয়ে বিদায় জানায় সরকারপ্রধানকে। নিষ্পাপ শিশুদের হাসি আর ভালোবাসায় কিছুক্ষণের জন্য যেন ব্যস্ত রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের গণ্ডি ভুলে গিয়েছিলেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ