• বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ভোলায় সার কারখানা ও নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর নির্ঘুম রাতের কাব্যময় মুহূর্ত ও কবিতার ছন্দময় আবেশ না ফেরার দেশে মিস অস্ট্রিয়া ২০২৪ লুসিয়া সিসিচ, শোকের ছায়া বিনোদন অঙ্গনে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধি রোধে কঠোর অবস্থানে সরকার প্রেক্ষাপট: আরব লিগ কাউন্সিলের ১৬৬তম স্থায়ী প্রতিনিধি সভায় কাতারের অংশগ্রহণ সিঙ্গাপুরে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের সম্পদ ক্রোক ও ব্যাংক হিসাব ফ্রিজের নির্দেশ শাহজালাল বিমানবন্দরে গার্মেন্টস ফেব্রিকের আড়ালে ১,৬৫৫টি দামি মোবাইল ফোন জব্দ পরিবেশদূষণ রোধে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর, পলিথিন ব্যবহারে জিরো টলারেন্স তিব্বতে শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাত, নেপালেও অনুভূত কম্পন ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে জড়িত থাকার অভিযোগে যমজ দুই বোনের কারাদণ্ড ও নিরাপত্তা ঘটনায়

শেখ হাসিনাকে ধরে আনতে চায় সরকার: ডা. জাহেদ উর রহমান

রিপোর্টার: / ১৫ পঠিত
আপডেট: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার বিষয়ে নিজেদের দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, শেখ হাসিনাকে আর আসার জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে না, বরং সরকার তাকে ধরে আনতে চায়। তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা বর্তমানে একজন পলাতক ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের তথ্য অনুযায়ী, তার আপিল করার সুযোগ বা বিচার পুনর্বিবেচনার সময় এখন আর নেই। তাই তিনি দেশে ফিরলে তার জন্য মৃত্যুদণ্ডই অপেক্ষা করছে।

শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকারের সদিচ্ছা নিয়ে কিছু মহলে যে জল্পনা-কল্পনা চলছে, তা নাকচ করে দিয়েছেন ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, ভারত সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির জন্য সরকার এমন কোনো কৌশল অবলম্বন করছে না। প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সঙ্গে এই বিষয়টিকে শর্ত হিসেবে যুক্ত করার বিষয়টি সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আইন অনুযায়ী তার বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে, আর সরকার তাকে ফিরিয়ে আনার জন্য সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে ইতালিতে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলার প্রসঙ্গ টেনে উপদেষ্টা বলেন, এ ধরনের ঘটনা কেবল বাঁধনের ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বিদেশে অবস্থানরত যেকোনো বাংলাদেশি নাগরিকই এমন হেনস্তার শিকার হতে পারেন। শেখ হাসিনা বিদেশে বসে বিভিন্ন মাধ্যমে যে বক্তব্য দিচ্ছেন, তা দেশের মানুষের জন্য অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হওয়ার মতো বিষয়। ভারতের উচিত বিষয়টি অনুধাবন করা। তিনি আরও বলেন, ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারকে এই প্রশ্ন করা উচিত যে, তারা কি মনে করেন এমন কর্মকাণ্ড একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত বহন করে? একদিকে মুখে ভালো সম্পর্কের কথা বলা, অন্যদিকে এমন নেতিবাচক পরিস্থিতি তৈরি করা—এগুলো আস্থার পরিবেশ নষ্ট করে দেয়।

উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান আরও যোগ করেন, শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক সংবাদ সম্মেলনের পর সরকারের পক্ষ থেকে পাঠানো প্রতিবাদলিপিতে আস্থার পরিবেশ তৈরির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটাতে হলে পারস্পরিক বিশ্বাস ও এনগেজমেন্ট থাকা জরুরি। আমাকে নিশ্চিত হতে হবে যে, তারা আসলে আমাদের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনায় আগ্রহী। শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার বিষয়টি সরকারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি ও রাজনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমরা একটা কথা খুব ক্লিয়ারলি বলতে চাই— মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সঙ্গে যখন এটাকে কন্ডিশন হিসেবে দেয়া হয়েছে উই হ্যাভ টেক ইট সিরিয়াসলি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ