• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০১:২১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
৭ নভেম্বর: রাজনৈতিক ঐক্য ও রাষ্ট্র পুনর্গঠনের এক ঐতিহাসিক অধ্যায় কলাপাড়ায় নির্মাণাধীন বাড়ি থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার মালামাল চুরি, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে পুলিশ শিশু-কিশোরদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ব্যথাজনিত সমস্যায় চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ দিয়ে আলোচনায় হাকিম মাওলানা আব্দুল হান্নান কলাপাড়া বেকারি মালিক সমিতির কমিটি গঠন, সভাপতি আল আমিন সম্পাদক হারুন কলাপাড়ায় “গ্রাম আদালত” বিষয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত জনগণের কল্যাণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রত্যাশায় সংবিধান সংশোধনের আহ্বান চিফ হুইপের মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিতের আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের কুইক রেন্টালের পরিবর্তে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর, সৌরবিদ্যুতে ১,৫০০ কোটি টাকার তহবিল দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা

শেখ হাসিনাকে ধরে আনতে চায় সরকার: ডা. জাহেদ উর রহমান

রিপোর্টার: / ৭১ পঠিত
আপডেট: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার বিষয়ে নিজেদের দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, শেখ হাসিনাকে আর আসার জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে না, বরং সরকার তাকে ধরে আনতে চায়। তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা বর্তমানে একজন পলাতক ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের তথ্য অনুযায়ী, তার আপিল করার সুযোগ বা বিচার পুনর্বিবেচনার সময় এখন আর নেই। তাই তিনি দেশে ফিরলে তার জন্য মৃত্যুদণ্ডই অপেক্ষা করছে।

শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকারের সদিচ্ছা নিয়ে কিছু মহলে যে জল্পনা-কল্পনা চলছে, তা নাকচ করে দিয়েছেন ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, ভারত সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির জন্য সরকার এমন কোনো কৌশল অবলম্বন করছে না। প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সঙ্গে এই বিষয়টিকে শর্ত হিসেবে যুক্ত করার বিষয়টি সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আইন অনুযায়ী তার বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে, আর সরকার তাকে ফিরিয়ে আনার জন্য সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে ইতালিতে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলার প্রসঙ্গ টেনে উপদেষ্টা বলেন, এ ধরনের ঘটনা কেবল বাঁধনের ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বিদেশে অবস্থানরত যেকোনো বাংলাদেশি নাগরিকই এমন হেনস্তার শিকার হতে পারেন। শেখ হাসিনা বিদেশে বসে বিভিন্ন মাধ্যমে যে বক্তব্য দিচ্ছেন, তা দেশের মানুষের জন্য অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হওয়ার মতো বিষয়। ভারতের উচিত বিষয়টি অনুধাবন করা। তিনি আরও বলেন, ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারকে এই প্রশ্ন করা উচিত যে, তারা কি মনে করেন এমন কর্মকাণ্ড একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত বহন করে? একদিকে মুখে ভালো সম্পর্কের কথা বলা, অন্যদিকে এমন নেতিবাচক পরিস্থিতি তৈরি করা—এগুলো আস্থার পরিবেশ নষ্ট করে দেয়।

উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান আরও যোগ করেন, শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক সংবাদ সম্মেলনের পর সরকারের পক্ষ থেকে পাঠানো প্রতিবাদলিপিতে আস্থার পরিবেশ তৈরির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটাতে হলে পারস্পরিক বিশ্বাস ও এনগেজমেন্ট থাকা জরুরি। আমাকে নিশ্চিত হতে হবে যে, তারা আসলে আমাদের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনায় আগ্রহী। শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার বিষয়টি সরকারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি ও রাজনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমরা একটা কথা খুব ক্লিয়ারলি বলতে চাই— মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সঙ্গে যখন এটাকে কন্ডিশন হিসেবে দেয়া হয়েছে উই হ্যাভ টেক ইট সিরিয়াসলি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ