• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব

তালতলীতে অপহরণ মামলা থেকে বাঁচতে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।

ক্রাইম বাংলা ডেস্ক / ২২৫ পঠিত
আপডেট: রবিবার, ৪ জুন, ২০২৩

 

বরগুনার তালতলীতে জাহানারা (৪০) নামে এক অপহরণ মামলার আসামি। মামলা থেকে বাচঁতে।

শ্বাশুরী, জ্যা, ভাসুর ও ননদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ করেছেন উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের লালুপাড়া গ্রামের প্রবাসী আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী ভুক্তভোগী রাজিয়া বেগম।

শনিবার(৩রা’জুন)সাংবাদিক দের কাছে অভিযোগ করে তিনি বলেন,গত বছরের ২৯ অক্টোবর আমার বড় ছেলে আবুবকর সিদ্দিক বরগুনার একটি মাদ্রাসা থেকে হঠাৎ নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের একমাস পরে আমার জ্যা জাহানারা আমার কাছে ব’লে আমার সাথে জ্বীন আছে।জ্বীন জানিয়েছে তোমার আবুবকরকে ঝালকাঠি হযরত কায়েদ সাহেব হুজুরের মাদ্রাসায় আটক রেখেছে। জ্যা এর কথামতো তাকে ও আমার ছোট ছেলেকে নিয়ে আমরা ঝালকাঠি মাদ্রাসায় যাই। জ্বীনের কাছ থেকে এনে দিতে জাহানারা ২লাখ টাকা চায়। এ সময় তাকে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে দেই। টাকা পেয়ে এবার তিনি আমাকে ও আমার ছোট ছেলেকে আটকে রাখে।পরে মুঠোফোনের মাধ্যমে আমার ননদ জেসমিনকে জানাই তিনি ঝালকাঠি পুলিশের সহায়তায় আমাদের উদ্ধার করে। জাহানারা সহ আমাদের থানায় নিয়ে আসে।থানা পুলিশের সামনে জ্বীনের কথা বলে আরও টাকা চায় অপহরণ কারীরা।

এরপর রাজিয়া বেগম বাদী হয়ে বরগুনা থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন।পরবর্তীতে সদরঘাট থানা পুলিশ আবুবকরকে উদ্ধার করে । তার মুখে শুনতে পাই ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে কৌশলে অপহরণ করে তাকে ঢাকায় নিয়ে আসে চাচাতো ভাই খলিল, এবং তার বোনাই জাকারিয়া বাল্কহেডে বেঁধে, চালায় নির্যাতন। আর অন্য দিকে জ্বীনের কথা বলে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে খলিলের মা। এরপর এঘটনায় ঘটনার মূল হোতা খলিল পলাতক থাকলেও জেল হাজতে যায়,জাহানারা ও জামাতা জাকারিয়া। এরপর জেল থেকে জামিনে বের হয়ে মেরে ফেলার হুমকি দিতে থাকে। এবং অপহরণ মামলা থেকে বাঁচতে স্থানীয় কিছু মানুষের পরামর্শে, তিনি একাধিক মিথ্যা ঘটনা বানিয়ে মামলা দায়ের করেন। আমরা ওদের মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তি চাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ