• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ৬৪ জেলায় সমন্বিত কর্মসূচির আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

ঘোড়াঘাট পৌসভায় আর্থিক অসঙ্গতি হিসাব রক্ষককে পদ থেকে সরানোর তাগিদ কর্মকর্তার/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। 

মাহতাব উদ্দিন আল মাহমুদ / ৪০৮ পঠিত
আপডেট: রবিবার, ২৫ জুন, ২০২৩

সবকিছুই চলছে স্বাভাবিক নিয়মে। তবে পরিদর্শনে দেখা গেলো আর্থিক হিসেবে গড়মিল। আয়-ব্যয়ের হিসাবের সঠিক তথ্য দিতে পারেনি ভারপ্রাপ্ত হিসাবর¶ক। যে টাকা যে খাতে যে ভাবে জমা দেওয়ার কথা, তার কোনটাই ঠিক ভাবে করা হয়নি।

এমন ঘটনাই ঘটেছে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট পৌরসভায়। আর্থিক অসঙ্গতি থাকায় অসন্তুষ্টি জানিয়ে হিসাবর¶ককে তার পদ থেকে সরানোর জন্য পৌর মেয়রকে তাগিদ দিয়েছেন পরিদর্শনে আসা স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তা।

গত সপ্তাহের সোমবার ঘোড়াঘাট পৌরসভা পরিদর্শনে আসেন দিনাজপুরের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক (ডিডিএলজি) মোখলেছুর রহমান। সে সময় পৌরসভার আয়-ব্যয় ও অন্যান্য আর্থিক হিসাব যথাযথ ভাবে দেখাতে ব্যর্থ হয় পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত হিসাবর¶ক শাহাদত হোসেন।

আর্থিক হিসেবের নানা অসঙ্গতি মেলায় শাহাদত হোসেনকে হিসাবর¶ক পদ থেকে সরাতে পৌরসভার মেয়র আব্দুস সাত্তার মিলনকে সুপারিশ করেন মোখলেছুর রহমান। তবে ঠিক কত টাকার হিসাবে গড়মিল আছে তা বের করতে এক মাস ব্যাপী তদন্তের প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছেন পরিদর্শনে আসা ওই কর্মকর্তা।

গত ২০০৫ সালে ঘোড়াঘাট পৌরসভা গঠিত হয় ও ২০১১ সালে নির্বাচন ্অনুষ্ঠিত হয়।নির্বাচনের মাধ্যমে মেয়র ও কাউন্সিলর নির্বাচন হয়। সে সময় প্রধান সহকারী হিসেবে চাকুরীতে যোগদান করেন শাহাদত হোসেন। পরে তাকে নিজ পদের পাশাপাশি ভার প্রাপ্ত হিসাবর¶কের দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেই থেকে দীর্ঘ সময় ধরে পৌরসভার হিসাব শাখার নিয়ন্ত্রন করছে শাহাদত। ফাঁকা থাকা অন্য পদে নিয়োগ হলেও অদৃশ্য কারণে হিসাবর¶ণ কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপ¶।

এ বিষয়ে পৌর মেয়র আব্দুস সাত্তার মিলনের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।তবে বক্ব্য পাওয়া না গেলেও, অভিযোগ অ¯^ীকার করেছেন পৌরসভার ভার প্রাপ্ত হিসাবর¶ক শাহাদত হোসেন। তিনি বলেন, ‘আমার দিক থেকে আমি ঠিক আছি। পুরোনো একটি কাগজ স্যার দেখতে চেয়েছিলেন। যেটা খুঁজতে একটু সময় লাগবে। বাকি টাকার হিসাব সব ঠিক আছে।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঘোড়াঘাট পৌরসভার একাধিক কর্মকর্তা ও কর্মচারী জানান, পৌরসভায় ভার প্রাপ্ত হিসাবর¶কের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই নানা অনিয়মের ¯^র্গ রাজ্য গড়ে তুলেছেন শাহাদত হোসেন। নিজের পাশাপাশি স্ত্রীকেও চাকুরী নিয়ে দিয়েছেন পৌরসভায়। নিয়মিত হাট-বাজার ইজারা ও কর আদায় করা হলেও, মাসের পর মাস ধরে বেতন বন্ধ পৌরসভার মেয়র, কাউন্সিলর ও অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। অপরদিকে অবৈধ অর্থের পাহাড় গড়েছেন শাহাদত হোসেন।

দিনাজপুর জেলার স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মোখলেছুর রহমান বলেন, সবকিছুই চলছে ¯^াভাবিক নিয়মে। তবে পরিদর্শনে দেখা গেলো আর্থিক হিসেবে গড়মিল। আয়-ব্যয়ের হিসাবের সঠিক তথ্য দিতে পারেনি ভারপ্রাপ্ত হিসাবর¶ক। যে টাকা যে খাতে যে ভাবে জমা দেওয়ার কথা, তার কোনটাই ঠিক ভাবে করা হয়নি।
‘যে টাকা যেভাবে জমা দেওয়ার কথা, তা সে ভাবে দেওয়া হয়নি। আমি মেয়রকে বলেছি এ ধরণের ব্যক্তিকে এমন পদে রাখা ঠিক নয়। নিরী¶া প্রতিবেদন সহ আমি মন্ত্রনালয়ে চিঠি লিখবো। বাকি বিষয়ে মন্ত্রনালয় সিদ্ধান্ত নিবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ