• শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
গাজার ধ্বংসস্তূপ: স্যাটেলাইট ইমেজে ফুটে উঠল চিত্র বাংলা কিউআর লেনদেনে কোনো ফি লাগবে না: অর্থমন্ত্রী শুক্রবার ঢাকায় পৌঁছাচ্ছে রূপপুরের জন্য নতুন ইউরেনিয়াম জ্বালানি মেট্রোরেলের লাইন-১ ও ৫ প্রকল্পে ৪৬ হাজার কোটি টাকার ইন্দোনেশিয়ার কাছে বড় ব্যবধানে পিছিয়ে বাংলাদেশ তুরস্কের দুরুপিনার ফরমেশনে ফের নূহের নৌকার বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান নির্ধারিত দামেই এলপিজি বিক্রি নিশ্চিত করতে কঠোর হুঁশিয়ারি ক্যালিফোর্নিয়ায় আবাসিক এলাকায় বিমান বিধ্বস্ত, নিহত অন্তত ৪ সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগ: আসন শূন্য ঘোষণা এশিয়ান গেমস ফাইনালে মুখোমুখি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত-পাকিস্তান

১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া নির্বাচনের নামে প্রহসন করেছিলেন : প্রধানমন্ত্রী/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।।

অনলাইন ডেস্ক।। / ২৩৭ পঠিত
আপডেট: রবিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৩

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া নির্বাচনের নামে প্রহসন করেছিলেন। ৩-৪ শতাংশও ভোট পড়েনি। কিন্তু তিনি ভোট চুরি করে দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে বাংলাদেশের মানুষ এই ভোটচুরি মেনে নেয়নি। বাংলাদেশের মানুষ ভোট চুরি করলে মেনে নেয় না। কাজেই ৩০ মার্চ খালেদা জিয়া ভোটচোর হিসেবে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়। এরপর ১২ জুন যেই নির্বাচন হয়, সেটিতে আমরা জয়ী হয়ে সরকার গঠন করি। ২০০১ সালে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বপ্রথম শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছিল আওয়ামী লীগ।

আজ রোববার (৬ আগস্ট) ‘শত সংগ্রামে অজস্র গৌরবে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়’ নিয়ে আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় দলটির তৃণমূলের প্রায় তিন হাজার নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে সকাল সাড়ে ১০টায় গণভবনে বর্ধিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ৭৫ পরবর্তী সময়ে আমাকে দেশে আসতে বাধা দেওয়া হয়েছিল। আমি জোর করে দেশে ফিরে এসেছিলাম। আমার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছিল। খালেদা জিয়া দিয়েছিলেন ১২টি আর জরুরি সরকার দিয়েছিল ৬টি মামলা। আমি বলেছিলাম, প্রতিটি মামলার তদন্ত করে আমাকে জানাতে হবে। আমি দুর্নীতি করতে এখানে আসিনি। আমি মানুষের ভাগ্য গড়তে এসেছি, নিজের ভাগ্য না। আমি ত্যাগ করতে এসেছি, ভোগ করতে না।

তিনি বলেন, আজকে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এটাকে আমাদের ধরে রাখতে হবে। মাথাপিছু আয় যেখানে খালেদা জিয়ার আমলে ৩৪৩ ডলারের মতো ছিল, আমরা সেটি দুই হাজার ৭৩৯ ডলারে উন্নীত করেছি। এই যেই ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি ও মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন- এগুলো আওয়ামী লীগ সরকার করেছে। আর কারও দ্বারা এগুলো হয়নি, কোনো সরকার এগুলো করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ