• সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে প্রথম ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, সফরে সঙ্গী ৩৫ সদস্য বাংলাদেশে ১৫ বছর পূর্তি উদযাপনে তুর্কিশ এয়ারলাইন্সের হাফ ম্যারাথন ডিসেম্বরেই জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনীর চূড়ান্ত প্রতিবেদন নতুন তথ্য: লাহোরে ইমরান খানের বোন আলিমা গ্রেপ্তার ন্যাম ভবনে সংসদ সদস্যের স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু কাতারে চাকরির নতুন বিজ্ঞপ্তি ও সতর্কতা: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সৌদিকে সামরিক সহায়তার প্রস্তাব তুরস্কের: মক্কা চুক্তি সক্রিয় এমিরেটস ও ফ্লাইদুবাইয়ে যাত্রীদের জন্য দ্বিগুণ মাইল জয়ের সুযোগ জানুয়ারিতে হতে পারে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: ইসি মাছউদ ৩৪ লাখ শিশুকে হামের টিকা দিতে বিশেষ ক্যাম্পেইন শুরু

কলাপাড়ায় তরমুজ চাষীদের স্বপ্নে থাবা দিয়েছে “মিধিলি”/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। 

মোঃ নাহিদুল হক, কলাপাড়া(পটুয়াখালী)থেকে / ২২৬ পঠিত
আপডেট: শনিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৩

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।।

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার তরমুজ চাষীদের স্বপ্নে থাবা দিয়েছে ঘূর্ণিঝড় মিধিলি। আগাম তরমুজের ফলন পাওয়ার আশায় ধার দেনা করে উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের মেরাওপাড়া ও চিঙ্গুরিয়া গ্রামের কৃষকরা চাষাবাদ শুরু করেছিলো। জমিতে রিংবেরি, ড্রেন, থানা ও সাড় ঔষধ দিয়ে সাজিয়ে ছিলো। এমনকি বীচ ফুঁটিয়ে রোপনের উপযোগী করেছিলেন তারা।
কিন্তু মিধিলি’র থাবায় শেষ হয়ে গেছে তাদের সেই স্বপ্ন। এতে কয়েক লক্ষ টাকা ক্ষতি হয়েছে এমনটাই দাবী করেন তরমুজ চাষীরা। তবে, ক্ষতির পরিমাণ এখনো নির্ধারন করা হয়নি বলে জানান কৃষি বিভাগ।
সরেজমিনে দেখা যায়, উত্তর লালুয়া লঞ্চঘাট থেকে মেরাওপাড়া পর্যন্ত প্রায় ১’শ একর জমিতে চাষাবাদ শুরু করে কৃষকরা। কেউ জমিতে সার দিয়েছে, কেউ থানা
করেছে আবার বীজ বপনও করেছিলো অনেকে। ঘূর্ণিঝড় মিধিলির প্রভাবে অতিরিক্ত বৃষ্টি ও নদীর পানিতে মূহুর্তেই তলিয়ে গেছে ক্ষেত। এগুলো নিষ্কাশনসহ জমি তৈরীতে আবারও ব্যস্ত হয়ে পড়েছে চাষীরা। তবে, ধার দেনা শোধের দুশ্চিন্তায় রয়েছে তারা। এদিকে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে আগাম তরমুজ চাষ শুরু করেছিলো কৃষকরা। এরমধ্যে লালুয়া ইউনিয়নে প্রায় ৪০ হেক্টর জমিতে এ চাষাবাদ শুরু হয় বলে লালুয়া ইউনিয়নের দায়িত্বরত কৃষি অফিসার মো. জামাল হোসেন জানান।
মেরাওপাড়া গ্রামের তরমুজ চাষী সাঈদ হাওলাদার, চিংগুড়িয়া গ্রামের শাহিন হাওলাদারসহ আরো অনেক বলেন, সাড়ে ৩ লক্ষ টাকায় লিজ নিয়ে প্রায় ১৯ একর
জমিতে তরমুজ চাষ শুরু করেন। প্রতি ১’শ গ্রাম বীজ ৭ হাজার ৫’শ টাকা মূল্যে মোট ২ কেজি ২০০ গ্রাম বীজ ক্ষেতে রোপনের জন্য তৈরী করেন। সর্বশেষ ক্ষেত সাজাতে প্রায় ৮ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। মিধিলি’র প্রভাবে তরমুজ ক্ষেত নষ্ট হয়ে যায়। এতে, প্রায় দেড় থেকে দুই লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এ ক্ষতি পুষিয়ে ওঠা তাদের দুষ্কর হবে বলে এ কৃষকরা জানান।
লালুয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শওকত হোসেন তপন বিশ্বাস বলেন, তরমুজ চাষীরা তাদের দু:খের কথা জানালে আমি সরেজমিনে গিয়ে পরিদর্শন করেছি। মিধিলি’র প্রভাবে ওইসব তরমুজ চাষীদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সরকারের তরফ থেকে সহায়তা পেলে এসকল কৃষকরা কিছুটা হলেও উপকৃত হবে বলে তিনি জানান।
উপজেলা কৃষি অফিসার এ.আর.এম সাইফুল্লহ বলেন, মিধিলি’র প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের তালিকা তৈরী করা হচ্ছে। এজন্য আমাদের ফিল্ড অফিসাররা মাঠে কাজ করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ