• বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
চুনারুঘাটে পুত্রবধূর ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে শ্বশুরের বিরুদ্ধে মামলা, ঘরে আগুন দেওয়ারও অভিযোগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হামলার অভিযোগে ঢাবিতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ, নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি আরেকটি বিপ্লব আসন্ন’, দেশবাসীকে প্রস্তুতির আহ্বান জামায়াত আমিরের জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে সংরক্ষিত হবে বাংলাদেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাস: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ছয় মাসের কর্মমূল্যায়নে মন্ত্রিসভায় বড় রদবদলের আভাস, পরিবর্তনের তালিকায় একাধিক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় নারীকেন্দ্রিক অভিযোজন কৌশল, সহনশীল বাংলাদেশ গড়তে বড় বিনিয়োগ ফ্রি কোটা অর ডাই’ লিখে রাজপথে প্রতিবাদের প্রতীক: জুলাই আন্দোলনের সাহসী মুখ আব্দুল্লাহ আল মামুন শেখ হাসিনার বিচার নিশ্চিত করতে হবে’—এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বিভেদের রাজনীতি চললে স্বৈরাচারের ফেরার সুযোগ তৈরি হবে’—রুহুল কবির রিজভী জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারি ভবনে সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ভাঙ্গা থেকে পায়রা হয়ে কুয়াকাটা পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করা হবে : রেলপথ মন্ত্রী/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।

রিপোর্টার: / ১৮৫ পঠিত
আপডেট: সোমবার, ৪ মার্চ, ২০২৪

রেলপথ মন্ত্রী জিল্লুল হাকিম জানিয়েছেন, ভাঙ্গা থেকে পায়রা হয়ে কুয়াকাটা পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণের বিনিয়োগ প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।
তিনি আজ সংসদে সরকারি দলের সদস্য সুলতানা নাদিরার টেবিলে উত্থাপিত এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে জানান, ‘পায়রাবন্দর পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণের জন্য সমীক্ষা প্রকল্পটি ২০২২ সালের জুনে শেষ হয়েছে। অর্থায়নের জন্য উন্নয়ন সহযোগী অনুসন্ধানের লক্ষ্যে ২০২২ সালের ৫ এপ্রিল প্রকল্পের পিডিপিপি রেলপথ মন্ত্রণালয় থেকে ইআরডি এবং পরিকল্পনা কমিশনে পঠানো হয়েছে। উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা নির্ধারিত হলে ভাঙ্গা থেকে পায়রা হয়ে কুয়াকাটা পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণের বিনিয়োগ প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।’
সরকারি দলের সদস্য এম আবদুল লতিফের অপর এক প্রশ্নের জবাবে জিল্লুল হাকিম বলেন, ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত রেলপথে ১৭০টি দুর্ঘটনা ঘটেছে এবং এসব ঘটনায় ৪৯ জনের প্রাণহানি ঘটেছে।
সরকারি দলের অপর সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীর এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে রেলপথমন্ত্রী বলেন, বিনা টিকেটে ভ্রমন করতে ট্রেন ও ট্রেনের ছাদে ওঠা বন্ধ করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ রেলওয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলোতে ফেন্সিং নির্মাণ করা হয়েছে। এতে টিকিট-বিহীন যাত্রী প্রবেশ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছে। যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য ভ্রমণ নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তার সমন্বয়ে নিয়মিত টিকিট চেকিং কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এছাড়া স্টেশন প্লাটফর্ম ও ট্রেনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। এ ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে বিনাটিকেটের যাত্রী ও ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব হচ্ছে। ট্রেনের ছাদে অবৈধভাবে ভ্রমণকারী পাওয়া গেলে ট্রেন থেকে নামিয়ে দেওয়া হয় বলে তিনি জানান


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ