• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ৬৪ জেলায় সমন্বিত কর্মসূচির আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

বাউফলে তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল, সুপার বললেন— ‘তকদির খারাপ’/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।।

এম জাফরান হারুন।। / ২০৬ পঠিত
আপডেট: মঙ্গলবার, ১৪ মে, ২০২৪

এম জাফরান হারুন, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি।। 

এ বছরের দাখিল পরীক্ষায় বাউফলের তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া ২৯ জন পরীক্ষার্থী সবাই ফেল করেছে। গত রোববার ১২ই মে- ২০২৪ ইং প্রকাশ হওয়া ফলে এমন চিত্র দেখা যায়। কোনো শিক্ষার্থী পাস না করা তিনটি মাদ্রাসার মধ্যে একটি উপজেলার উত্তর দাসপাড়া দাখিল মাদ্রাসা। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ১৫ জন দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয়। কিন্তু তাদের একজনও পাস করতে পারেনি। অথচ তাদের পড়ানোর জন্য শিক্ষক ছিলেন ১১ জন।

সব ছাত্র ফেল করার কারণ জানতে চাইলে মাদ্রাসার সুপার (ভারপ্রাপ্ত) মাসুম বিল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, ‘তকদির খারাপ, তাই সবাই ফেল করছে। এমন রেজাল্ট হওয়ার কথা নয়।’

তবে অভিভাবকরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের অভিযোগ, মাদ্রাসায় পড়াশোনার ভালো পরিবেশ নেই। ভারপ্রাপ্ত সুপার পদ নিয়ে দুই শিক্ষকের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছে। তাদের মধ্যে হাতাহাতি, এমনকি মারামারির ঘটনাও ঘটেছে। এসব কারণে মাদ্রাসায় শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হয়েছে। তা ছাড়া শিক্ষকেরা নিয়মিত মাদ্রাসায় আসেন না। আসলেও ঠিকমতো পাঠদান না করিয়ে অফিস কক্ষে বসে থাকেন। যে কারণে গত কয়েক বছর ধরেই ফলাফল ধারাবাহিক খারাপ হচ্ছে। ফলস্বরূপ এবার কেউই পাস করেনি।

কেউ পাস না করা অপর মাদ্রাসা দুটি হলো পশ্চিম কালিশুরী বালিকা দাখিল মাদ্রাসা ও উত্তর কেশবপুর বালিকা দাখিল মাদ্রাসা। জানা যায়, পশ্চিম কালিশুরী বালিকা দাখিল মাদ্রাসা থেকে এ বছর দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৩ জন ছাত্রী। আর উত্তর কেশবপুর বালিকা দাখিল মাদ্রাসা থেকে অংশ নেয় একজন। তাদের একজনও পাস করেনি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন শিক্ষক বলেন, ‘বিগত বছর পরীক্ষাকেন্দ্রে শিক্ষকেরা নকল দিয়ে শিক্ষার্থীদের পাস করাতেন। এ বছর ইউএনও কঠোরভাবে পরীক্ষা নিয়েছেন, নকলবিহীন পরীক্ষা হয়েছে। তাই যারা পড়াশোনা করেছে তারাই পাস করেছে। বাকিরা সব ফেল।’

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বশির গাজী সাংবাদিকদের বলেন, ‘উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানকে শোকজ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এমপিও বাতিলের জন্য শিক্ষা বোর্ড ও মাদ্রাসা অধিদপ্তর বরাবর লিখিত আবেদন করা হবে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ