• শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৩৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কলাপাড়ায় বিএনপি সভাপতিকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ, আইনি পদক্ষেপের ঘোষণা নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুললেই গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৭২ একর খাসজমি বন্দোবস্তে দায় প্রমাণিত, সাবেক ইউএনও শহিদুল হকের এক বছরের বেতন বৃদ্ধি স্থগিত কুয়াকাটায় সংবাদকর্মী কে এম বাচ্চুর ওপর নৃশংস হামলার অভিযোগ, ছাত্রদল-যুবদলের কয়েক নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ ৫ আগস্ট উদ্বোধন হচ্ছে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’, গণভবনে সংরক্ষিত থাকবে গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস রাষ্ট্রপতির পদত্যাগে নতুন নেতৃত্বের অপেক্ষা, সম্ভাব্য উত্তরসূরি নিয়ে জোর আলোচনা ধর্মীয় উৎসবের আনন্দে মুখর সাতক্ষীরা, সম্পন্ন হলো শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের উল্টো রথযাত্রা কলাপাড়ায় বৃদ্ধকে নির্যাতনের পর মৃত্যুর ঘটনায় মানববন্ধন, অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে ফুঁসে উঠল গ্রামবাসী বিদেশি বিনিয়োগে নতুন বার্তা প্রধানমন্ত্রীর: ‘বাংলাদেশে বিনিয়োগ করুন, সরকার থাকবে পাশে’ প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে শুক্রবার ভারতজুড়ে বিক্ষোভের ডাক, উত্তেজনা তুঙ্গে

রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রম নিয়ে ফের শুনানি ৪ নভেম্বর,,,,দৈনিক ক্রাইম বাংলা

রিপোর্টার: / ১৪০ পঠিত
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৫

দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রম (ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স) নিয়ে নতুন করে শুনানির অনুমতি দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) সকালে বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের ছয় সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালত আগামী সোমবার (৪ নভেম্বর) এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ শুনানির দিন নির্ধারণ করেছেন।

আইনজীবী ব্যারিস্টার সালাউদ্দিন দোলন, অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল এ বিষয়ে আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক। আদালতের আদেশের পর ব্যারিস্টার সালাউদ্দিন দোলন জানান, মামলাটির গুরুত্ব বিবেচনায় শীর্ষ আদালত আবারও আপিল শুনতে সম্মত হয়েছেন।

রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রম নিয়ে বিতর্ক দীর্ঘদিনের। ২০১৫ সালের ১১ জানুয়ারি আপিল বিভাগ প্রথম এ বিষয়ে রায় দেন এবং পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয় ২০১৬ সালের ১০ নভেম্বর। সেই রায়ে বলা হয়—

* সাংবিধানিক পদাধিকারীদের গুরুত্ব অনুযায়ী পদমর্যাদাক্রমের শীর্ষে রাখা হবে।

* জেলা জজ ও সমমর্যাদার বিচার বিভাগের সদস্যদের অবস্থান ২৪ নম্বর থেকে উন্নীত হয়ে ১৬ নম্বরে যাবে এবং সচিবদের সমমর্যাদায় গণ্য করা হবে।

* অতিরিক্ত জেলা জজরা থাকবেন জেলা জজদের পরেই, অর্থাৎ ১৭ নম্বরে।

রায়ে আরও উল্লেখ করা হয়, এই পদমর্যাদাক্রম কেবল রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান ও প্রটোকলের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে, নীতিনির্ধারণী কর্মকাণ্ডে এর ব্যবহার করা যাবে না।

এ রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) তৎকালীন চেয়ারম্যান পৃথক রিভিউ আবেদন করেন। পরবর্তীতে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলরাও এতে পক্ষভুক্ত হন।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৬ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ‘রুলস অব বিজনেস’ অনুযায়ী প্রথম ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স প্রকাশিত হয়। ২০০০ সালে সেটি সংশোধন করা হয়। সংশোধিত ওই তালিকার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০১০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে রায় দেয় বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের তৎকালীন মহাসচিব আতাউর রহমানের দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে। হাইকোর্ট তার রায়ে সংশোধিত পদমর্যাদাক্রম বাতিল করে আট দফা নির্দেশনা দিয়েছিল।

দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে এখন আবারও সর্বোচ্চ আদালতের শুনানিতে বিষয়টি ওঠায়, রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রমে কোন কোন পদ কোথায় অবস্থান করবে, তা নিয়ে নতুন করে পরিষ্কার ব্যাখ্যা আসবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ