• মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
তানভিরুল ইসলামের নেতৃত্বে আখাউড়া-লাকসাম প্রকল্পে ১,৫১৮ কোটি টাকা সাশ্রয় বাসের ভাড়া কিলোমিটারপ্রতি ২০ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব মালিকদের নতুন তথ্য: আইচি-নাগোয়া এশিয়ান গেমস হামের প্রকোপ: ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ শিশুর মৃত্যু গাজী নজরুল ইসলামের বিষয়ে সংসদীয় চিঠির অপেক্ষায় নির্বাচন কমিশন দেশে ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৬৫৫ দ্বিতীয় স্ত্রীর মৃত্যু: এমপি নজরুল ও তার স্ত্রীর রিমান্ড ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রভাবকে ‘ভূমিকম্প’ বললেন কাতারের অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম কম: রিজভী নতুন তথ্য: পোকেমনের ৩০ বছর পূর্তিতে নতুন সাজে এএনএ

কারাগারে বরগুনায় এক যুবলীগ নেতা আরিফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে লাঞ্চিত করে।

রিপোর্টার: / ৪৪০ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২০

 বরগুনা প্রতিনিধি সরকার পরিবর্তনের সাথে সাথে রাজনৈতিক দল পরিবর্তন,শুরু করে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অনিয়ম,দূর্নীতি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম। সবশেষ ভ্রাম্যমান অাদালত চলাকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে লাঞ্চিত করে কারাগারে বরগুনার এক যুবলীগ নেতা। তবে থেমে নেই তার অনুসারীরা, সাধারণ মানুষ বলছে ভ্রাম্যমান অাদালতে যুবলীগের প্রভাব সমাজের অনেক অনিয়ম দূর্নীতি বন্ধের বাধা। গ্রেফতারের পরও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে হুমকি ও তার দিকে তেরে অাসার চেস্টা বরগুনার অামতলী উপজেলার পৌর যুবলীগের সভাপতি অারিফ-উল-হাসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।অতিরিক্ত যাত্রী ও করোনা প্রতিরোধে মাস্ক ও সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করতে গত ৮ অাগস্ট অামতলী লঞ্চঘাটে ভ্রাম্যমান অাদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরা পারভিন। এ সময় ক্ষিপ্ত হয়ে যুবলীগ নেতা অারিফ ও তার সহযোগীরা অকথ্য ভাষায় গালাগালী করে চেয়ার ছুরে মারে মনিরা পারভিনের গায়ে।

বেপরোয়া এ যুবলীগ নেতা বিএনপি সরকারের ক্ষমতাকালে, বাবা অাওয়ামীলীগ করলেও যোগ দেয় ছাত্রদলে, অাবার অাওয়ামীলীগ ক্ষমতায় অাসলে যোগ দেয় যুবলীগে।
উপজেলা অাওয়ামীলীগ নেতারা বলছেন নানা অাপকর্মে নিজেকে বাচাতে সরকার দলের রাজনীতিতে যোগ দেয় এরা। অার সুবিধা নিয়ে হয়ে যায় বেপরোয়া। আমতলী সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সহ-সভাপতি,অামতলী উপজেলা অাওয়ামীলীগ, মোতাহার মৃধা বলেন, ভ্রাম্যমান অাদালত সমাজের অনিয়ম ও নানা অাপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অার ঘটনার দিন জনসার্থেই ভ্রাম্যমান অাদালত চালাচ্ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
তবে বেপরোয়া যুবলীগ নেতার পক্ষে এখনও কাজ করছে জেলা যুবলীগ। বরগুনা জেলা যুবলীগ সভাপতি কামরুল অাহসান মহারাজ, বলেন, গ্রেফতারের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বাদী হয়ে  তাকে হত্যা চেস্টা ও সরকারি কাজে বাদা দেয়ার অভিযোগে অামতলী থানায় ৩ জনের নামে ও ১০থেকে ১১ জনকে অজ্ঞাত রেখে একটি মামলা দায়ের করেন। তবে এদের মধ্যে এখনও গ্রেফতার হয়েছে মাত্র ২ জন। আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরা পারভিন বলেন সরকারি কাজে বাধা। অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ। যথাসময়ের লঞ্চ ছাড়ার জন্য নির্দেশ দিলেও তা না মেনে। সামাজিক দূরত্ব স্বাস্থ্যবিধি তোয়াক্কা না করে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে লঞ্চ যাত্রার সহযোগিতা করে আরিফ। আমাকে হত্যার চেষ্টার হুমকি দেয় বলে জানা যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ