• বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
প্রশাসনে বড় রদবদল: চার মন্ত্রণালয়ে এক বছরের চুক্তিতে নতুন সচিব নিয়োগ রেমিট্যান্সে ভর করে ফের চাঙ্গা রিজার্ভ, ৩৫.৩৩ বিলিয়ন ডলারে উত্তরণ কালিগঞ্জে এমপি রবিউল বাশারকে সংবর্ধনা, রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশের আহ্বান হাজারীবাগে মেলা প্রতারণা: এক নারী উদ্যোক্তা নয়, সকল অংশগ্রহণকারী ক্ষতিগ্রস্ত কলাপাড়ার মার্কেটে সাপ ঢুকে চাঞ্চল্য, দ্রুত উদ্ধার এনিমেল লাভারসের জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে সালমা: ছয় মাসের ক্যান্সারযুদ্ধে নিঃস্ব পরিবার, সাহায্যের আকুতি রাতের আঁধারে সুইসগেট খুলে খালে লবণ পানি, কলাপাড়ায় ৪ শতাধিক কৃষক পরিবারে সর্বনাশ — শতাধিক হাঁসের মৃত্যু ফেসবুক পোস্টের জেরে কলাপাড়ায় ব্যবসায়ীর মৃত্যু, যুবদল নেতার বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ,, তেহেরানে ভয়াবহ হামলা: প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সেনাপ্রধানসহ ইরানের শীর্ষ সামরিক নেতৃত্ব নিহত,, ভূমিকম্প ঝুঁকিতে ঢাকা: ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক গড়ে তোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর,,

বোরো মৌসুমে মিষ্টি পানির অভাব। কলাপাড়ায় অনাবাদি থেকে যাচ্ছে হাজার হাজার হেক্টর জমি/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।।

রিপোর্টার: / ১৩১ পঠিত
আপডেট: বুধবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২৫

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।।

সাগর তীরবর্তী কলাপাড়ায় মিষ্টি পানির অভাবে বোরো মৌসুমে অনাবাদি থেকে যাচ্ছে হাজার হাজার হেক্টর জমি। এর জন্য কৃষকরা দায়ী করেছেন স্লুইসগেটর অব্যাবস্থাপনা, খাল ভরাট, দখল ও বন্দোবস্ত দেওয়াকে। ইচ্ছা থাকলেও এসব কারনে অনেক কৃষক বোরো আবাদ করতে পারছেননা। তবে যে সব খালে মিষ্টি পানি সংরক্ষিত রয়েছে তার কাছাকাছি কিছু জমিতে বোরোচাষ করছেন কৃষকরা। কৃষি অফিসের তথ্য মতে এ উপজেলার ১২ টি ইউনিয়নের প্রায় ১৫ শত হেক্টর জমিতে বোরোচাষ চলমান রয়েছে। তবে এর পরিমান আরও বাড়তে পারে। তবে জমির মালিক ও বর্গাচাষিরা জানান, তাদের বোরো চাষের ইচ্ছে থাকলেও মিষ্টি পানি না থাকায় চাষাবাদ করা সম্ভব হচ্ছেনা। তাদের মতে বর্ষা শেষে জমি লবনাক্ততা থেকে রক্ষার জন্য স্লুইসগেট গুলো আশ্বিন মাসের শেষদিকে আটকে দিলে মিষ্টি পানি সংরক্ষিত থাকতো। যা থেকে বোরোসহ রবিশস্য চাষাবাদ করতে পারতেন। তাই এর স্থায়ী সমাধান চায় কৃষকরা।

এদিকে কৃষিতে মডেল ইউনিয়ন নীলগঞ্জের খালের পাড় ঘেষা এলেমপুর, নবাবগঞ্জ, সলিমপুর, ইসলামপুর, ঘুটাবাছা, কুমিরমারা গ্রামে কম বেশি বোরো চাষে ব্যাস্ত সময় পার করছে কৃষকরা। এছাড়াও উপজেলার যে সমস্ত ইউনিয়নের মিঠাপানির মজুদ রয়েছে সেইসব জায়গায় বোরোধান চাষ করছেন চাষিরা।

কৃষক আলফাজ গাজী বলেন,আমন মৌসুমে চাষাবাদে, বীজ,সার,কিটনাশক, শ্রমিকের মজুরি সহ সকল খরচ বাদ দিয়ে ভালই লাভ হয়েছে। আগ্রহ বোরোচাষ করার। কিন্তু মিষ্টি পানি না থাকার করনে তা সম্ভব হয়নি।

অপর এক কৃষক পরিতোষ হাওলাদার জানান, তার জমির পাশে খাল নেই। বাড়ির কাছাকাছি অল্পপরিমান জমিতে পুকুরের পানি দিয়ে বোরো চাষ শুরু করেছি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো.আরাফাত হোসেন বলেন, গত বছর এ উপজেলায় ১৫থশত হেক্টর জমিতে বোরোচাষ হয়েছে। এবারে লক্ষমাত্রা ২ হাজার হেক্টর। তবে আশা করছি ৩ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো চাষ হবে। এ লক্ষমাত্রা পূরনে কৃষকদের মাঝে বিনামুল্যে কৃষি প্রণোদনার মাধ্যমে সার ও বীজ প্রদান করা হয়েছে। কৃষকরা মিষ্টি পানি সংরক্ষণ করতে পারলে এ উপজেলায় বোরো আবাদ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ