• শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:২৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীর বাজারে ডিমের দাম কমলেও চড়া মাছ-মাংসের দর শাহজালাল বিমানবন্দরে কাতার প্রবাসীর শরীর থেকে ২ কোটি ৩২ রাজস্ব আয় ঘাটতিতে বিকল্প ঋণের উৎস খুঁজছে সরকার সরকারি চাকরিতে তদবিরে কড়াকড়ি, নথিতে রেকর্ড রাখার নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি হারালেই ছাড়তে হবে দেশ, নতুন প্রস্তাব সৌদির কাছে ৪৮টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের ওমানে অবৈধ প্রবাসীদের বৈধ হওয়ার বিশেষ সুযোগ পাইপলাইনে ভারত থেকে ৪৭ লাখ লিটার ডিজেল এল পার্বতীপুরে প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও সময়সীমা মানার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ডাকসুর বছরপূর্তিতে খতিয়ান প্রকাশ: ছারপোকা দমনে ব্যয় ৩২ লাখ

রূপপুরের ‘বালিশ কাণ্ড’ ফের আলোচনায়: প্রধানমন্ত্রীর কাছে অডিট রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য

রিপোর্টার: / ৯৫ পঠিত
আপডেট: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬

রূপপুরের ‘বালিশ কাণ্ড’ ফের আলোচনায়: প্রধানমন্ত্রীর কাছে অডিট রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য

উপশিরোনাম (ঐচ্ছিক):
একটি বালিশের দাম প্রায় ৬ হাজার টাকা—জাদুঘরে রাখার মন্তব্য প্রধানমন্ত্রীর

নিউজ:
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বহুল আলোচিত ‘বালিশ কাণ্ড’ দুর্নীতির বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে। সরকারি বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার ৩৮টি অডিট রিপোর্টে এই ঘটনার বিস্তারিত উঠে এসেছে, যা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পেশ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ মে) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে তারেক রহমান-এর কাছে ২০২১-২২ অর্থবছরের অডিট রিপোর্ট পেশ করেন মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মো. নূরুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, অর্থ সচিব খায়েরুজ্জামান মজুমদার এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলীসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

প্রেস সচিব সালেহ শিবলী জানান, অডিট রিপোর্টে রূপপুর প্রকল্পের ‘বালিশ কাণ্ড’-এর তদন্ত প্রতিবেদনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০১৯ সালে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের ‘গ্রিন সিটি’ আবাসিক ভবনে আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী কেনাকাটায় অস্বাভাবিক মূল্য দেখিয়ে ব্যাপক অনিয়ম করা হয়।

তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি বালিশ কেনায় ব্যয় দেখানো হয়েছে ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা এবং একটি বালিশ খাটে তুলতে মজুরি ধরা হয়েছে ৭৬০ টাকা। এছাড়া কভারসহ একটি কমফোর্টারের দাম দেখানো হয়েছে ১৬ হাজার ৮০০ টাকা, যা বাজারমূল্যের তুলনায় অনেক বেশি। একইভাবে বিছানার চাদরসহ অন্যান্য সামগ্রী কেনাকাটায়ও অতিরিক্ত মূল্য দেখানোর অভিযোগ উঠে এসেছে।

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, এত বেশি দামের বালিশের একটি জাদুঘরে রাখা উচিত—যা ঘটনাটিকে ঘিরে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

অডিট প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আবাসিক ভবনের জন্য প্রায় ১৬৯ কোটি টাকার কেনাকাটায় বিভিন্ন স্তরে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এই ধরনের অনিয়ম রাষ্ট্রীয় প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রশ্নকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বহুল আলোচিত এই ‘বালিশ কাণ্ড’ পুনরায় আলোচনায় আসায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি আরও জোরালো হতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ