• রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কলাপাড়ায় বিএনপি সভাপতিকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ, আইনি পদক্ষেপের ঘোষণা নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুললেই গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৭২ একর খাসজমি বন্দোবস্তে দায় প্রমাণিত, সাবেক ইউএনও শহিদুল হকের এক বছরের বেতন বৃদ্ধি স্থগিত কুয়াকাটায় সংবাদকর্মী কে এম বাচ্চুর ওপর নৃশংস হামলার অভিযোগ, ছাত্রদল-যুবদলের কয়েক নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ ৫ আগস্ট উদ্বোধন হচ্ছে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’, গণভবনে সংরক্ষিত থাকবে গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস রাষ্ট্রপতির পদত্যাগে নতুন নেতৃত্বের অপেক্ষা, সম্ভাব্য উত্তরসূরি নিয়ে জোর আলোচনা ধর্মীয় উৎসবের আনন্দে মুখর সাতক্ষীরা, সম্পন্ন হলো শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের উল্টো রথযাত্রা কলাপাড়ায় বৃদ্ধকে নির্যাতনের পর মৃত্যুর ঘটনায় মানববন্ধন, অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে ফুঁসে উঠল গ্রামবাসী বিদেশি বিনিয়োগে নতুন বার্তা প্রধানমন্ত্রীর: ‘বাংলাদেশে বিনিয়োগ করুন, সরকার থাকবে পাশে’ প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে শুক্রবার ভারতজুড়ে বিক্ষোভের ডাক, উত্তেজনা তুঙ্গে

মাদক পাচার ঠেকাতে বাংলাদেশ-পাকিস্তান সমঝোতা, ১০ বছরের সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর

রিপোর্টার: / ১০৬ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬

মাদক পাচার ঠেকাতে বাংলাদেশ-পাকিস্তান সমঝোতা, ১০ বছরের সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর

নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে মাদক পাচার ও মাদকসংক্রান্ত অপরাধ দমনে সহযোগিতা জোরদারে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। শুক্রবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন রাজা নাকভি নিজ নিজ দেশের পক্ষে এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

চুক্তির আওতায় মাদক পাচার, মাদক সংশ্লিষ্ট অর্থপাচার এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ মোকাবিলায় দুই দেশ পারস্পরিক তথ্য বিনিময়, গোয়েন্দা সহযোগিতা এবং কারিগরি সহায়তা জোরদার করবে। একই সঙ্গে মাদক পাচারে জড়িত ব্যক্তি, অপরাধী চক্র, নতুন পাচার কৌশল ও রুট সম্পর্কে নিয়মিত গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান করা হবে।

সমঝোতা স্মারকে বলা হয়েছে, উভয় দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো পারস্পরিক অনুরোধে যৌথ অভিযান এবং ‘কন্ট্রোলড ডেলিভারি অপারেশন’-এর মতো সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে। এছাড়া মাদক নিয়ন্ত্রণে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ, পুনঃপ্রশিক্ষণ এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফলাফল বিনিময়ের বিষয়েও একমত হয়েছে দুই দেশ।

চুক্তির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো প্রযুক্তিগত সহায়তা বিনিময়। লুকানো মাদক শনাক্তে আধুনিক প্রযুক্তি ও স্নিফার ডগ ব্যবহারের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করবে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান।

নিয়মিত ও অপারেশনাল তথ্য আদান-প্রদানের জন্য বাংলাদেশের পক্ষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং পাকিস্তানের পক্ষে অ্যান্টি নারকোটিক্স ফোর্স (এএনএফ) ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে কাজ করবে।

এমওইউ অনুযায়ী, আদান-প্রদান করা সব তথ্য ও নথিপত্র কঠোর গোপনীয়তার সঙ্গে সংরক্ষণ করা হবে এবং কোনো তৃতীয় পক্ষের কাছে প্রকাশ করা যাবে না।

চুক্তিটি স্বাক্ষরের দিন থেকে আগামী ১০ বছরের জন্য কার্যকর থাকবে। পরবর্তীতে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে এর মেয়াদ আরও বাড়ানো যাবে।

অনুষ্ঠানে উভয় দেশের প্রতিনিধিরা আশা প্রকাশ করেন, এ সহযোগিতার মাধ্যমে মাদক পাচার প্রতিরোধে কার্যকর অগ্রগতি হবে এবং দুই দেশের নাগরিকদের জনস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ