• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব

ফেসবুক-গুগলের ‘ক্যাশ সার্ভার’ বন্ধে ব্রডব্যান্ডে গতি কমবে, বাড়বে খরচ’।দৈনিক ক্রাইম বাংলা

রিপোর্টার: / ৪০৬ পঠিত
আপডেট: সোমবার, ২৮ জুন, ২০২১

ফেসবুক-গুগলের ‘ক্যাশ সার্ভার’ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে দেশের প্রত্যন্ত এলাকার আইএসপি নেটওয়ার্কে। সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা বলে ইন্টারনেট সেবাদাতাদের এমন নির্দেশ দিয়েছে বিটিআরসি। কিন্তু এতে প্রান্তিক পর্যায়ে ব্রডব্যান্ডের গতি কমবে; খরচ বাড়বে। ধরে রাখা যাবে না বিটিআরসি ঘোষিত ‘এক দেশ- এক রেট’ ইন্টারনেট প্যাকেজের ট্যারিফ। এমন আশঙ্কা ইন্টারনেট সেবাদাতাদের সংগঠন- আইএসপিএবি’র।
এক দশক আগেও এমন সার্ভার থেকেই ফেসবুক, গুগলের তথ্য আসা-যাওয়া করতো বাংলাদেশে। ডেটা ট্রাফিকের দূরত্বের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের মতো ফেসবুক-গুগলের পারফর্মেন্স মিলতো না বাংলাদেশে।

গতি বাড়াতে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ক্যাশ সার্ভার বসায় গুগল ও ফেসুবক। পরে সেগুলোর নিয়ন্ত্রণ পায় স্থানীয় আইএসপিগুলো। এতে খরচ কমে ব্যান্ডউইডথের।

আইএসপিএবি এর সভাপতি আমিনুল হাকিম বলেন, ‘গুগল গ্লোবাল ক্যাশের প্রায় ৩০০ এর মত নোট ডেপ্লয় আছে। ফেসবুকের ১০০’র মত ডেপ্লয় আছে।’

কিন্তু জাতীয় নিরাপত্তা ও নেটওয়ার্কের শৃঙ্খলা রক্ষায় ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আঞ্চলিক ও স্থানীয় পর্যায়ের সব ক্যাশ সার্ভার বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে বিটিআরসি।

কিন্তু আইএসপিরা বলছে, এসব ক্যাশ সার্ভার বন্ধ হলে দেশের প্রত্যন্ত এলাকায় গতি কমবে, খরচ বাড়বে ব্রডব্যান্ডের।

আইএসপিএবি এর সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক বলেন, ‘প্রান্তিক পর্যায়ে জনগণের কাছাকাছি যে সার্ভারগুলো আছে, সেই ক্যাশ সার্ভারগুলো তুলে দেয়ার নির্দেশনা দেয়া আছে। আমাদের তখন যে খরচ বাড়বে তা আমরা কাস্টমারদের থেকেই নিবো। যত দূরে যাবে আমাদের ক্যাশ সার্ভার কাস্টমারদের এক্সপেরিয়েন্স ততই খারাপ হবে।’

আইএসপিএবি’র সাধারণ সম্পাদক এমন আশঙ্কা করলেও স্থানীয় ক্যাশ সার্ভার উঠিয়ে দেয়ার পক্ষে একই সংগঠনের সভাপতি।

আমিনুল হাকিম আরো জানান, ‘লোকালি যদি ক্যাশ সার্ভারগুলো শাটডাউন হয়ে যায় ইন্টারনেটের মূল্য আমার ব্যক্তিগত মতামত, খুব একটা বাড়বে না। ছোট ছোট নেটওয়ার্কে যে ক্যাশ সার্ভারগুলো ডেপ্লয় করা আছে তার পরিবর্তে এটা আইআইজি বা আইএসপি লেভেলে ডেপ্লয় করা ভালো।’

তা করা হলে বিটিআরসি ঘোষিত ‘এক দেশ- এক রেট’ ট্যারিফ ধরে রাখা যাবে না। এমন শঙ্কাও রয়েছে।

ইমদাদুল হক আরো বলেন, এক দেশ-এক রেট রাখাটা অবশ্যই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। সরকারের লক্ষ্য অর্জন তখনই হবে, যখন সুযোগ-সুবিধাগুলো বহাল থাকবে। সুযোগ-সুবিধা কমে গেলে আইএসপিএবি থেকে কাঙ্খিত সেবাটা দেয়াটা কষ্ট হয়ে যাবে।’

স্থানীয় ক্যাশ সার্ভার বন্ধ হলে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের খরচ বাড়বে- একে বিটিআরসি স্রেফ অজুহাত মনে করে।

বিটিআরসি’র ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র বলেন, ‘ক্যাশ সার্ভার তো অনেক নিয়ন্ত্রণের ব্যাপার আছে। সবাইকে যদি ক্যাশ সার্ভারের অনুমোদন দেয়া হয় তাহলে তো মনিটর করতে পারবো না। আইএসপিএবি এর সঙ্গে যখন কথা বললাম তখন তারা একম কোন কথা বলেনি। ক্যাশ সার্ভার বন্ধ হলে সমস্যা হবে তা বলেন কেউই। কোন কাজ না করতে চাইলে অজুহাত সৃষ্টি করাই যায়।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ