• শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৮:৫১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
হাঁটুর চোট নিয়েও হ্যাটট্রিক—সান্তোসকে অবনমনসঙ্কট থেকে টেনে তুললেন নেইমার হিমালয় অঞ্চলে পানি ন্যায্যতা ও আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রিজওয়ানা হাসানের,, ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্রের লড়াইয়ে তরুণদের নেতৃত্বের ঐতিহ্য তুলে ধরলেন আইন উপদেষ্টা,, খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দেশজুড়ে বিশেষ দোয়া, লন্ডন যাত্রা রোববারে নির্ভর চিকিৎসকদের সিদ্ধান্তে,, নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে আল্টিমেটাম, মহাসমাবেশে সরকারি কর্মচারীদের ঘোষণা,, খালেদা জিয়াকে দেখতে ঢাকায় নেমেই এভারকেয়ারে জুবাইদা রহমান বেগম জিয়ার লন্ডন যাত্রার তারিখ পরিবর্তন, রোববারে যাবেন শেখ হাসিনার ফেরত পাঠানোতে ভারতের নীরবতা, জানালেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও ৩৬ আসনে প্রার্থী ঘোষণা, মোট ২৭৩ আসনে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করলো বিএনপি কারিগরি জটিলতায় কাতারের এয়ার অ্যাম্বুলেন্স, খালেদা জিয়ার লন্ডন যাত্রা অনিশ্চিত

হলুদ সরিষা ফুল যেন প্রকৃতির অলঙ্কার/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। 

রিপোর্টার: / ২৪৭ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২২

রংপুর জেলা প্রতিনিধি।।

রংপুর মহানগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড জুড়ে দেখা যায় সরিষা চাষের আবাদ। নীল আকাশের নিচে বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠজুড়ে হলুদ সরিষা ফুল। সকালের সূর্যের কিরণ প্রতিফলিত হবার সঙ্গে সঙ্গেই সরিষা ফুলের সমারোহে হেসে ওঠে চারদিক।

মধু সংগ্রহে ব্যস্ত মৌ মাছিরা। পড়ন্ত বিকেলের মিষ্টি রোদে সরিষা ফুলগুলো বাতাসে দোল খেতে থাকে ফুলগুলোর তাদের কলি ভেদ করে সুভাস ছড়িয়ে দিচ্ছে চারদিকে। এ যেন প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের লীলা ভূমি।

সরেজমিন সরিষা জমিতে গিয়ে দেখা যায়, ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে সরিষা মাঠ জুড়ে ভিড় করছেন বিভিন্ন স্থান থেকে আসা বিভিন্ন বয়সের নারী, পুরুষ, শিশুসহ বিনোদন প্রেমিরা। সরিষা মাঠ ঘুরে ঘুরে দেখছেন। কেউবা আবার মোবাইলফোনে সেলফি তুলছেন।
একাধিক কৃষকের সঙ্গে বলে জানা যায়, এক সময় রংপুর জেলায় ব্যাপক পরিমাণে সরিষার আবাদ হতো। সয়াবিনের ওপর নির্ভরতা বাড়ায় বর্তমানে অনেকটাই কমে গেছে সরিষার আবাদ। তবুও ধান চাষের পাশাপাশি ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত সরিষার চাষ হয়ে থাকে।

কৃষক মকবুল মিয়া দৈনিক গণতদন্ত পত্রিকাকে বলেন, আমার ১ একর সরিষা চাষ করতে এক বিঘা জমিতে ৩ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।
সরিষা চাষে যে সার আমরা ব্যবহার করি, পরবর্তীকালে ইরি ধান রোপনের সময় সার বেশি দেওয়া লাগে না। এতে আমাদের খরচ কিছুটা কমে যায়। এবার মেঘ-বৃষ্টি না হলে আমরা লাভবান হবো। তবে কৃষি অফিস থেকে কোনো সহযোগিতা পাইনি। নিজের টাকা দিয়ে সার কিনেছি। পোকার আক্রমণ হলে কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারি। ফুল আসা শুরু হয়েছে মাত্র। কার্তিক মাসে বীজ বুনেছি, পৌষ-মাঘ মাসের দিকে সরিষা তুলবো।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ