• বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বোর্ডিং পাস দিয়েও শিশুকে বাধা, কাতার এয়ারওয়েজকে বড় জরিমানা গুলশানের আ.লীগের মিছিল নিয়ে গোয়েন্দা তথ্য ছিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টি-টোয়েন্টির অধিনায়কত্ব ছাড়ছেন নিগার সুলতানা জ্যোতি জাতীয় গ্রিডে বৃদ্ধি পেল গ্যাসের সরবরাহ সৌদির প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান স্টেডিয়ামের কাজ পেল কাতারি নতুন তথ্য: বেক্সিমকো ফার্মার পর্ষদ ছাড়ছেন সালমান এফ রহমান বোয়িং থেকে আরও বিমান কেনার সিদ্ধান্ত, নেপথ্যে কী? ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: বিএনপির মনোনয়ন নিলেন মির্জা ফখরুলের ভাই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের সম্পৃক্ততা থাকছে না যুক্তরাজ্যে কাতারের আমিরের নামে নতুন ইনোভেশন সেন্টার

অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে, প্রধান শিক্ষক,প্রসংশাপত্র ও রেজিষ্ট্রেশনে মির্জাগঞ্জে।

রিপোর্টার: / ৬৩৩ পঠিত
আপডেট: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২০

পটুয়াখালী প্রতিনিধি জুলহাস মিয়া :পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে এক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রসংশাপত্র ও রেজিষ্ট্রেশনে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট ওই বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক মোঃ জুলহাস মিয়া মজিদবাড়িয়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মোশারেফ হোসেনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার মজিদবাড়িয়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম ও দশম শ্রেনীর ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তির কোন অনুমতি নেই। অথচ প্রধান শিক্ষক মোঃ মোশারফ হোসেন নিজ ক্ষমতাবলে বোর্ডের অনুমতি ছাড়াই নবম শ্রেনীতে ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তি করান এবং রেজিষ্ট্রেশন ও পরিক্ষার দেয়ার ব্যবস্থা করেন অর্থের বিনিময়ে। ওই শিক্ষার্থীদের থেকে রেজিষ্ট্রশন বাবদ জন প্রতি ৩ হাজার টাকা করে আদায় করেন প্রধান শিক্ষক। এছাড়াও এসএসসি পরিক্ষায় উত্তীর্ন শিক্ষার্থীদের প্রসংশাপত্র দেওয়া বাবাদ ৫ শত টাকা করে আদায় করছেন।
মজিদবাড়িয়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মোশারফ হোসেন বলেন,উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রসংশাপত্র বাবদ ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে টাকা নেয় তাই আমিও নেই। বিদ্যালয়ের সভাপতি ইউএনও স্যার। আমি তাঁর কাছেও গিয়ে বলতে পারবো।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. সরোয়ার হোসেন বলেন,বিদ্যালয়ের নবম ও দশম শ্রেনীতে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হচ্ছে তা আমার জানা নেই। এ ব্যাপারে অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি উপজেলা মাধ্যমিক অফিসারকে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য নিদের্শ দেয়া হয়েছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কাজী সাইফুদ্দিন ওয়ালীদ বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ