• বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ০১:২৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
প্রশাসনে বড় রদবদল: চার মন্ত্রণালয়ে এক বছরের চুক্তিতে নতুন সচিব নিয়োগ রেমিট্যান্সে ভর করে ফের চাঙ্গা রিজার্ভ, ৩৫.৩৩ বিলিয়ন ডলারে উত্তরণ কালিগঞ্জে এমপি রবিউল বাশারকে সংবর্ধনা, রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশের আহ্বান হাজারীবাগে মেলা প্রতারণা: এক নারী উদ্যোক্তা নয়, সকল অংশগ্রহণকারী ক্ষতিগ্রস্ত কলাপাড়ার মার্কেটে সাপ ঢুকে চাঞ্চল্য, দ্রুত উদ্ধার এনিমেল লাভারসের জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে সালমা: ছয় মাসের ক্যান্সারযুদ্ধে নিঃস্ব পরিবার, সাহায্যের আকুতি রাতের আঁধারে সুইসগেট খুলে খালে লবণ পানি, কলাপাড়ায় ৪ শতাধিক কৃষক পরিবারে সর্বনাশ — শতাধিক হাঁসের মৃত্যু ফেসবুক পোস্টের জেরে কলাপাড়ায় ব্যবসায়ীর মৃত্যু, যুবদল নেতার বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ,, তেহেরানে ভয়াবহ হামলা: প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সেনাপ্রধানসহ ইরানের শীর্ষ সামরিক নেতৃত্ব নিহত,, ভূমিকম্প ঝুঁকিতে ঢাকা: ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক গড়ে তোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর,,

ঈদযাত্রায় দুর্ভোগ, প্রতি বছরের এই ভোগান্তি দূর হোক/দৈনিক ক্রাইম বাংলা ।

রিপোর্টার: / ৩২৪ পঠিত
আপডেট: সোমবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২২

প্রত্যেক বছর ঈদের সময় ঘরমুখো মানুষের দুর্ভোগ ভয়াবহ আকার ধারণ করে। বর্তমানে দেশের উত্তরাঞ্চলগামী ২৩ জেলার মানুষের দুর্ভোগ শুরু হয় টঙ্গী ব্রিজ থেকে। একদিকে বেহাল সড়ক, অন্যদিকে উন্নয়ন কাজ চলমান। এ কারণে প্রতিদিন এ সড়কে যানজট লেগেই থাকে। এতে দুর্ভোগে পড়ে এ সড়কে চলাচলকারী যাত্রীরা। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুরের টঙ্গী থেকে চান্দনা চৌরাস্তা পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার সড়কে যাত্রীদের দুর্ভোগ লেগেই থাকে। টঙ্গী থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার সড়ক এখনো খানাখন্দে ভরা। তাই যাত্রীদের অতিরিক্ত দুর্ভোগ পোহাতে হয়। ঈদের আগে এ সড়কে যানবাহনের চাপ বাড়লে যাত্রীদের দুর্ভোগ আরও বাড়বে। এ সড়কে ২০১২ সালে শুরু হয় বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের কাজ, যা ২০১৬ সালে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত প্রকল্পের কাজ শেষ হয়নি। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী সেতু থেকে গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার অতিক্রম করতে এখন সময় লাগে ৩-৪ ঘণ্টা, কখনো কখনো এর চেয়েও বেশি। করোনা মহামারির বিধিনিষেধ না থাকায় ধারণা করা হচ্ছে, আগের তুলনায় এবারের ঈদে অনেক বেশি মানুষ তাদের গ্রামের বাড়ি যাবে। ফলে ঈদযাত্রায় এবার চরম ভোগান্তির আশঙ্কা করছেন এ পথে চলাচলকারী যাত্রীরা। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বড় এক সমস্যা সড়কে পানি জমে থাকা। বৈশাখের প্রথম দিনই বৃষ্টি হয়েছে। সেই হিসাবে ঈদের আগে আরও বৃষ্টি হতে পারে। বৃষ্টি হলে এ সড়কে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হবে। কেবল ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে নয়, ঈদের আগে-পরে দেশের সব মহাসড়কেই যানবাহনের চাপ বেশি থাকায় যানজট সৃষ্টি হয়। মহাসড়কের পাশে হাটবাজারের কারণেও যানজট তীব্র আকার ধারণ করে। বাস্তবসম্মত ও কার্যকর পদক্ষেপের অভাবে দেশের মহাসড়কগুলো কার্যত মহাসড়ক হয়ে উঠতে পারছে না। বর্তমানে সারা দেশের জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে ছোট-বড় হাজার হাজার দোকান নিয়ে কয়েক শ স্থায়ী, অস্থায়ী ও অবৈধ হাটবাজার গড়ে উঠেছে। এসব হাটবাজারকেন্দ্রিক বিভিন্ন কর্মকা-ের কারণে যানবাহনের গতি কমে যাচ্ছে। এ ছাড়া যত্রতত্র মানুষের রাস্তা পারাপারের কারণে ঘটছে দুর্ঘটনা, বাড়ছে যানজট। কাজেই এসব সমস্যা সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে। মহাসড়কগুলো যাতে স্থানীয় সড়কের মতো হয়ে না যায়, সেজন্য যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে। মহাসড়কের যত্রতত্র অযান্ত্রিক যানবাহন চলাচল বন্ধ করতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ