• বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:১২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ঈদযাত্রা সামনে রেখে ৩ মার্চ থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি,,, কালিগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা: মাদক-চাঁদাবাজি দমনে কঠোর পদক্ষেপের আহ্বান,, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পরিবর্তন, ‘স্বাভাবিক প্রক্রিয়া’ বললেন অর্থমন্ত্রী,,, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারে আধুনিকায়নের অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর,, জাতীয় প্রেসক্লাবে নতুন সরকারের ১০০ দিনের অগ্রাধিকার নিয়ে মতবিনিময় সভা সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বার্তা: কলাপাড়া রিপোর্টার্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া,, বিডিআর হত্যা মামলায় নতুন মোড়: শেখ হাসিনাসহ কয়েক সাবেক মন্ত্রীকে আসামি করার তথ্য,,, মেয়াদ শেষ হওয়া সিটি করপোরেশন দিয়েই শুরু হবে নির্বাচন: মির্জা ফখরুল,, পুলিশ মহাপরিদর্শক পদে আলী হোসেন ফকির,,, ১০ মার্চ শুরু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী,,

সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারে আধুনিকায়নের অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর,,

রিপোর্টার: / ১৯ পঠিত
আপডেট: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারে আধুনিকায়নের অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোকে শক্তিশালী করার অংশ হিসেবে সীমান্ত বাহিনীকে আরও আধুনিক ও সুসংহত করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, জনগণের রায়ে নির্বাচিত সরকার দেশের দায়িত্ব নিয়েছে এবং সীমান্ত সুরক্ষায় পেশাগত উৎকর্ষ ও দেশপ্রেমকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সেনা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় ও ইফতার অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ড-এ শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণ করে গভীর শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী।

২৫ ফেব্রুয়ারি জাতির ইতিহাসে এক বেদনাবিধুর দিন উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, “২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারির নির্মম ঘটনা আমাদের জাতীয় জীবনে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে। ৫৭ জন দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনের শাহাদাত আমাদের হৃদয়ে চিরস্থায়ী শোক হয়ে আছে।” তিনি শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাদের পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ঘটনার ১৭ বছর পরও সেই বেদনা বহমান। আমি শুধু একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে নয়, একজন সেনা পরিবারের সদস্য হিসেবেও আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি।” বনানী সামরিক কবরস্থানে শহীদদের কবর জিয়ারত করার অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার ভাষায়, “দ্বারে দ্বারে ঘুরে বিচার না পাওয়ার যে যন্ত্রণা, তা আমি উপলব্ধি করেছি।”

পিলখানা ট্র্যাজেডিকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণের পক্ষে মত দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারির ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা না দিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমাদের ক্ষমা করবে না।” সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করে এই স্মৃতিকে অম্লান রাখতে সরকার কাজ করবে বলেও জানান তিনি।

সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্ন থেকেই তৎকালীন ইপিআরের সদস্যরা সেনাবাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীকালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাহিনীকে পুনর্গঠন ও সুসংহত করতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সাংগঠনিক সংস্কার শুরু করেন।

জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার আধুনিকায়নের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পিলখানার ঘটনার পর আমাদের নিরাপত্তা কাঠামোর দুর্বলতা স্পষ্ট হয়। বহির্বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এটিকে আরও সময়োপযোগী ও শক্তিশালী করতে হবে।” একই সঙ্গে শহীদ পরিবারের সন্তানদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

রমজানের তাৎপর্য স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, “মাহে রমজান আমাদের সংযম ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা দেয়। মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন শহীদদের আত্মাকে শান্তিতে রাখেন এবং আমাদের রাষ্ট্রকে ন্যায় ও দায়িত্ববোধের পথে পরিচালিত করেন।”

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ