• বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মানবসেবার অঙ্গীকারে লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা রয়্যাল গ্রিনে নতুন নেতৃত্ব কলাপাড়ায় ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যুবককে মারধরের অভিযোগ, আহত মা-ছেলে হাসপাতালে কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুরে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক কর্মসূচির উদ্যোগ বিএনপির নিবন্ধিত সহযোগী সংগঠনের স্বীকৃতি দাবিতে সাতক্ষীরায় জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের বিক্ষোভ ও সমাবেশ ঐতিহাসিক শাহী মসজিদের জমি দখলের অভিযোগে মানববন্ধন, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি কলাপাড়ায় পূর্ব বিরোধের জেরে ছোট ভাইয়ের বসতঘরে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ, ১০ লাখ টাকার ক্ষতি টেলিটক বিক্রির কোনো পরিকল্পনা নেই, সরকারি মালিকানাতেই থাকবে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রফতানিতে ধাক্কা, পাঁচ মাসে আয় কমেছে ৮ শতাংশ রাজধানীতে থেমে থেমে বৃষ্টি, আরও পাঁচ দিন ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস কোচিংয়ে গিয়ে আর ফেরেনি মরিয়ম, ১২ দিনেও মেলেনি সন্ধান

৫২ টন চিনি গায়েব কুষ্টিয়ায় কলের গুদাম থেকে/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।

রিপোর্টার: / ৩৪৪ পঠিত
আপডেট: শনিবার, ৫ জুন, ২০২১

কুষ্টিয়া চিনিকলের সুরক্ষিত গুদাম থেকে রহস্যজনকভাবে ৫২ মেট্রিক টন চিনি উধাও হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩২ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। এ ঘটনায় চিনিকলের স্টোরকিপার ফরিদুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। চিনি উধাও হওয়ার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. রাকিবুর রহমান খান এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মাড়াই বন্ধ (বর্তমানে আখ মাড়াই ও চিনি উৎপাদন বন্ধ রয়েছে) কুষ্টিয়া চিনিকলের স্টোরে রক্ষিত চিনির পরিমাণ নির্ণয় ও পর্যবেক্ষণকালে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ৫২ মেট্রিক টন চিনি ঘাটতি পান। মিলের গুদামে ১০০ টনের ওপর চিনি মজুত থাকলেও এখন আছে অর্ধেকেরও কম। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে মিলের এমডিকে অবগত করা হলে তিনি স্টোরকিপার ফরিদুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করেন। এছাড়া চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশন কর্তৃপক্ষকে চিঠি মারফত বিষয়টি

অবহিত করেন।

এদিকে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনে চিনিকলের মহাব্যবস্থাপক (কারখানা) কল্যাণ কুমারকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

নিরাপত্তা বলয় ভেদ ও সুরক্ষিত গুদামে রক্ষিত বিপুল পরিমাণ চিনি কীভাবে গায়েব হলো তা নিয়ে চিনিকলের কর্মকর্তাসহ স্থানীয় জনমনে নানা প্রশ্ন উঠেছে। বিপুল পরিমাণ চিনি চুরির সঙ্গে মিলের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীর একাংশ জড়িত বলে অনেকেই মন্তব্য করছেন। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত থানায় মামলা হয়নি। মিল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মিলের সিবিএ সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান বলেন, ‘এটা ন্যক্কারজনক ঘটনা। দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র এ কাজ করে আসছিল। মিল বন্ধ না হলে হয়তো বিষয়টা ধরা পড়তো না।

মিলের জেনারেল ম্যানেজার (প্রশাসন) হাবিবুর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি গত বৃহস্পতিবার নজরে আসে। সেদিনই ফরিদুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত ও তদন্ত টিম গঠন করে করপোরেশনকে জানানো হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘মিলের গুদামে  চিনি কখনো একেবার শেষ হয়নি। এবার মিল বন্ধ হওয়ার পর চিনির স্টক শেষ হয়। তাই রেজিস্টার ও গুদামের চিনির হিসাবে গরমিল পাওয়া যায়। তার পরিমাণ ৫০ টনের বেশি। তদন্ত চলছে, বিষয়টি উঠে আসবে। যারা জড়িত তাদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ