• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ৬৪ জেলায় সমন্বিত কর্মসূচির আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

৫২ টন চিনি গায়েব কুষ্টিয়ায় কলের গুদাম থেকে/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।

রিপোর্টার: / ৩৭৪ পঠিত
আপডেট: শনিবার, ৫ জুন, ২০২১

কুষ্টিয়া চিনিকলের সুরক্ষিত গুদাম থেকে রহস্যজনকভাবে ৫২ মেট্রিক টন চিনি উধাও হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩২ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। এ ঘটনায় চিনিকলের স্টোরকিপার ফরিদুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। চিনি উধাও হওয়ার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. রাকিবুর রহমান খান এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মাড়াই বন্ধ (বর্তমানে আখ মাড়াই ও চিনি উৎপাদন বন্ধ রয়েছে) কুষ্টিয়া চিনিকলের স্টোরে রক্ষিত চিনির পরিমাণ নির্ণয় ও পর্যবেক্ষণকালে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ৫২ মেট্রিক টন চিনি ঘাটতি পান। মিলের গুদামে ১০০ টনের ওপর চিনি মজুত থাকলেও এখন আছে অর্ধেকেরও কম। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে মিলের এমডিকে অবগত করা হলে তিনি স্টোরকিপার ফরিদুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করেন। এছাড়া চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশন কর্তৃপক্ষকে চিঠি মারফত বিষয়টি

অবহিত করেন।

এদিকে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনে চিনিকলের মহাব্যবস্থাপক (কারখানা) কল্যাণ কুমারকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

নিরাপত্তা বলয় ভেদ ও সুরক্ষিত গুদামে রক্ষিত বিপুল পরিমাণ চিনি কীভাবে গায়েব হলো তা নিয়ে চিনিকলের কর্মকর্তাসহ স্থানীয় জনমনে নানা প্রশ্ন উঠেছে। বিপুল পরিমাণ চিনি চুরির সঙ্গে মিলের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীর একাংশ জড়িত বলে অনেকেই মন্তব্য করছেন। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত থানায় মামলা হয়নি। মিল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মিলের সিবিএ সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান বলেন, ‘এটা ন্যক্কারজনক ঘটনা। দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র এ কাজ করে আসছিল। মিল বন্ধ না হলে হয়তো বিষয়টা ধরা পড়তো না।

মিলের জেনারেল ম্যানেজার (প্রশাসন) হাবিবুর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি গত বৃহস্পতিবার নজরে আসে। সেদিনই ফরিদুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত ও তদন্ত টিম গঠন করে করপোরেশনকে জানানো হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘মিলের গুদামে  চিনি কখনো একেবার শেষ হয়নি। এবার মিল বন্ধ হওয়ার পর চিনির স্টক শেষ হয়। তাই রেজিস্টার ও গুদামের চিনির হিসাবে গরমিল পাওয়া যায়। তার পরিমাণ ৫০ টনের বেশি। তদন্ত চলছে, বিষয়টি উঠে আসবে। যারা জড়িত তাদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ