• মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:৩৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বিজয় দিবসে মান্দায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। হাদির শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন, কিডনি কার্যক্রমে উন্নতি হলেও ঝুঁকি রয়ে গেছে ওসমান হাদির ওপর হামলা পূর্বপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র, নির্বাচন বানচালের চেষ্টা: যমুনার বৈঠকে রাজনৈতিক ঐক্য আমতলীতে নুরজাহান ক্লিনিক এন্ড ডায়গনস্টিক সেন্টারের শুভ উদ্বোধন/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। নওগাঁর মান্দায় ড. টিপুর উপস্থিতিতে কুশুম্বায় দোয়া মাহফিল/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। রাষ্ট্র গঠনের প্রথম শর্ত হলো মানুষের ন্যায়সঙ্গত অধিকার নিশ্চিত করা”- বাউফলে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ড. মাসুদ/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। মাইলস্টোন দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২০ লাখ ও আহতদের ৫ লাখ টাকা সহায়তা দেবে সরকার,,, ভেন্টিলেশনে খালেদা জিয়া, একাধিক জটিলতায় সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসা চলছে,,, উপদেষ্টা পরিষদের দফতর পুনর্বণ্টন: রিজওয়ানা তথ্য, আসিফ নজরুল ক্রীড়া ও আদিলুরের দায়িত্ব এলজিআরডি তফসিল ঘোষণায় নির্বাচন কমিশনকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন,,,

হাজী সেলিমের কারাদণ্ড বহালের রায় প্রকাশ/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।

রিপোর্টার: / ২৯১ পঠিত
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২২

বিশেষ প্রতিনিধি অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের মামলায় পুরান ঢাকার আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য হাজী মো. সেলিমকে বিচারিক আদালতের দেওয়া ১০ বছর কারাদণ্ড বহাল রেখে রায় প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হক স্বাক্ষরিত এ রায় বুধবার প্রকাশ করা হয়। এ মামলায় হাজী সেলিম বর্তমানে জামিনে আছেন।

এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান  বলেন, রায়ের কপি এখনও হাতে পাইনি। শুনেছি রায়ে দু’জন বিচারপতি সাক্ষর করেছেন। বিচারিক আদালতে রায়ের কপি পাওয়ার এক মাসের মধ্যে আসামিকে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হবে।

এ মামলায় এর আগে হাজী সেলিমের ১৩ বছর কারাদণ্ডের মেয়াদ কমিয়ে ১০ বছর বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তাকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ-সংক্রান্ত এক আপিলের শুনানি শেষে বিচারপতি মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হক সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ গত বছরের মার্চে এ রায় ঘোষণা করেন। প্রায় দুই যুগ আগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা ওই মামলায় পৃথক দুটি ধারায় হাজী সেলিমকে ১০ বছর ও তিন বছর কারাদণ্ড দিয়েছিলেন বিচারিক আদালত।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে ২০০৭ সালের ২৪ অক্টোবর হাজী সেলিমের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন এবং ৫৯ কোটি ৩৭ লাখ ২৬ হাজার ১৩২ টাকার তথ্য গোপনের অভিযোগে রাজধানীর লালবাগ থানায় মামলা করে দুদক। ওই মামলায় ২০০৮ সালের ২৭ এপ্রিল হাজী সেলিমকে দোষী সাব্যস্ত করে দুদক আইনের দুটি ধারায় মোট ১৩ বছর কারাদ দেন সংসদ ভবন সংলগ্ন বিশেষ জজ আদালত। পাশাপাশি ২০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। অবৈধ সম্পদ অর্জনে সহায়তা করার অভিযোগে এ মামলায় তার স্ত্রী গুলশান আরা বেগমকে (বর্তমানে প্রয়াত) তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিলেন ওই আদালত।

২০০৯ সালের ২৫ অক্টোবর হাজী সেলিম বিচারিক আদালতের এ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন। পরে ২০১১ সালের ২ জানুয়ারি তার সাজা বাতিল করে রায় দেন হাইকোর্ট। পরে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আদালতে আপিল করে দুদক। ওই আপিলের শুনানি শেষে ২০১৫ সালের ১২ জানুয়ারি হাইকোর্টের রায় বাতিল করে পুনরায় হাইকোর্টকে হাজী সেলিমের আপিলের শুনানি করতে নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ। ওই নির্দেশনার পর গত বছর ৯ নভেম্বর মামলাটি শুনানির জন্য উদ্যোগী হয় দুদক।

এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ১১ নভেম্বর আপিলের শুনানিতে হাজী সেলিমের মামলার যাবতীয় নথি (এলসিআর) তলব করেন হাইকোর্ট। ওই নথি পাওয়ার পর ৩১ জানুয়ারি শুরু হয় হাইকোর্টে পুনঃশুনানি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ