• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৩১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
৭ নভেম্বর: রাজনৈতিক ঐক্য ও রাষ্ট্র পুনর্গঠনের এক ঐতিহাসিক অধ্যায় কলাপাড়ায় নির্মাণাধীন বাড়ি থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার মালামাল চুরি, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে পুলিশ শিশু-কিশোরদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ব্যথাজনিত সমস্যায় চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ দিয়ে আলোচনায় হাকিম মাওলানা আব্দুল হান্নান কলাপাড়া বেকারি মালিক সমিতির কমিটি গঠন, সভাপতি আল আমিন সম্পাদক হারুন কলাপাড়ায় “গ্রাম আদালত” বিষয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত জনগণের কল্যাণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রত্যাশায় সংবিধান সংশোধনের আহ্বান চিফ হুইপের মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিতের আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের কুইক রেন্টালের পরিবর্তে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর, সৌরবিদ্যুতে ১,৫০০ কোটি টাকার তহবিল দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা

কক্সবাজারে বিট কর্মকর্তাকে টাকা দিলে মিলে পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি ও স্হাপনা নির্মানের বৈধতা/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।।

মোহাম্মদ আমিন উল্লাহ আমিন,কক্সবাজার থেকে। / ২৪৫ পঠিত
আপডেট: মঙ্গলবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

মোহাম্মদ আমিন উল্লাহ আমিন।।

কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের উখিয়া রেঞ্জের পালংখালী মোছারখোলা বনবিটের আওতাধীন বনভূমিতে অবৈধ স্হাপনা, বনভূমি দখল করে বিক্রি,পাহাড় কেটে মাটি পাচারের বৈধতা দিচ্ছেন এমটাই অভিযোগ বিট কর্মকর্তা বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে। অপরাধ করতে বিট কর্মকর্তার চাহিদামত টাকা দিলে বৈধতা দিয়ে থাকে বলে এলাকাবাসীর অবিযোগ।টাকার বিনিময়ে সরকারি বনাঞ্চলে অবৈধ স্থাপনা নির্মান সহ নানান অপরাধে সহযোগিতা করলেও উর্ধবতন কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে কোন প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন না।

অনুসন্ধানে উঠে আসে,মোছারখোলা বনবিটের চিহ্নিত ভুমিদস্যু, গাছ খেকো,বনভূমি ও দখলকারীদের সাথে বিট কর্মকর্তা বেলাল মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে তাদের সাথে আতাঁত করে সরকারি সম্পদ ধ্বংস করে নৈরাজ্য চালিয়ে যাচ্ছে।মোছারখোলা বিটের জামবনিয়া, মোছারখোলা, ছোয়ানখালী সহ বিভিন্ন স্হানে বনভূমিতে স্থাপনা নির্মান,পাহাড় কেটে মাটি পাচারে সহযোগিতা করে সরকারি বনভুমিকে বিরানভুমিতে পরিনত করে আসছে দেখার যাতে কেউ নেই বললেই চলে।সামাজিক বনায়ন ও সূফল প্রকল্পের বাগানে চারা রোপন করতে পার্শ্ববর্তী রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে শ্রমিক এনে বাগানের কাজ করা হয়, বাগানের জঙ্গল কাটা ও পরিচর্যা ও রোহিঙ্গা শ্রমিক দিয়ে কাজ করা হয় বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। রোহিঙ্গা শ্রমিক দিয়ে কাজ করানোর ফলে স্হানীয় বাসিন্দারা বাগানের কাজ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে দাবী করেন সচেতন মহল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ