• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শিশু-কিশোরদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ব্যথাজনিত সমস্যায় চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ দিয়ে আলোচনায় হাকিম মাওলানা আব্দুল হান্নান কলাপাড়া বেকারি মালিক সমিতির কমিটি গঠন, সভাপতি আল আমিন সম্পাদক হারুন কলাপাড়ায় “গ্রাম আদালত” বিষয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত জনগণের কল্যাণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রত্যাশায় সংবিধান সংশোধনের আহ্বান চিফ হুইপের মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিতের আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের কুইক রেন্টালের পরিবর্তে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর, সৌরবিদ্যুতে ১,৫০০ কোটি টাকার তহবিল দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা, জাপান সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি

দেশমাতৃকার সুরক্ষায় সেনাবাহিনী সর্বদা পাশে থাকবে: সেনাপ্রধান,,,,,,দৈনিক ক্রাইম বাংলা

রিপোর্টার: / ৪০৪ পঠিত
আপডেট: মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ, ২০২৫

বাংলাদেশের রক্ষা ও সমৃদ্ধির জন্য সেনাবাহিনী সর্বদা এক শক্তিশালী স্তম্ভ হিসেবে অবস্থান করছে। মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) ঢাকা সেনানিবাসস্থ আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এই কথা ঘোষণা করেন, “সমরে আমরা, শান্তিতে আমরা, সর্বত্র আমরা দেশের তরে” – যা দেশের রক্ষা, শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রতিচ্ছবি।

অনুষ্ঠানটি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত যোদ্ধা ও শহীদ যোদ্ধাদের পরিবারকে সম্মান জানানোর জন্য আয়োজিত হয়। অনুষ্ঠানে ৭২ জন আহত যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সেনাপ্রধান তাঁর বক্তব্যে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে দেশের ইতিহাসের এক যুগান্তকারী ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করে, তরুণ সমাজের উদ্দীপনা ও ন্যায়সংগত দাবির প্রতি তাঁদের অনুপ্রেরণাকে জাতির গর্ব হিসেবে চিহ্নিত করেন।

তিনি আরও বলেন, “দেশপ্রেম, জাতীয়তাবোধ, সততা, মানবিকতা ও নিয়মানুবর্তিতার সমন্বয়ে সবাই একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করলে, আমাদের দেশ সমৃদ্ধির শিখরে আরোহণ করে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ জাতিতে পরিণত হবে।” সেনাপ্রধান সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বপ্ন পূরণের জন্য একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

এছাড়া, সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ও নিহত যোদ্ধাদের প্রতিটি পরিবারের প্রতি আর্থিক সহযোগিতার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যা তাঁদের পেশাদার সাহসিকতা ও আত্মত্যাগকে সম্মান জানানোর এক বাস্তব প্রয়াস।

এই ঐক্যবদ্ধ মনোভাব ও অটল প্রতিশ্রুতিই দেশের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধির অন্যতম ভিত্তি, যা সকল নাগরিকের আস্থা ও আস্থা বৃদ্ধি করে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ