• শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ৬৪ জেলায় সমন্বিত কর্মসূচির আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে রংপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর ফার্মেসিতে নকল ও ভেজাল ওষুধের ঝুঁকি, নজরদারি জোরদারের দাবি আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায়, বদলাতে পারে মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয়ের নাম হত্যা, ধর্ষণ ও মব সহিংসতার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন, যুবসমাজের ন্যায়বিচারের দাবি সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আধুনিক সশস্ত্র বাহিনী গড়ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত জেডআরএফ, বিশ্বজুড়ে মানবিকতার প্রতীক হওয়ার প্রত্যাশা ডা. জুবাইদার আমিনবাজারের বদলে যাওয়া চেহারা দেখে সন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, দেশজুড়ে সবুজায়নের আহ্বান জেডআরএফের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আন্তর্জাতিক মানব পাচারকারী গ্রেফতার কুয়েত থেকে পালিয়ে আসা।

রিপোর্টার: / ৪৩৭ পঠিত
আপডেট: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২০

দৈনিক ক্রাইম বাংলাঃ কুয়েতে মানবপাচারকারী চক্রের অন্যতম হোতা আমির হোসেন ওরফে সিরাজ উদ্দিনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। কুয়েতি গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গত ১৭ আগস্ট নরসিংদীর মাধবদী এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। আমির হোসেন ও সিরাজ উদ্দিন দুই নামেই পরিচিত তিনি।বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম ইউনিটের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) জিসানুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেন।তিনি বলেন, আমিরসহ চারজন মিলে ভালো বেতনে চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কুয়েতে মানবপাচার করে আসছিলেন। প্রতারণার মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিতেন তারা। কুয়েতে তিনজন গ্রেফতার হলেও পালিয়ে আসেন আমির হোসেন। এরপর দেশে এসে আত্মগোপনে চলে যান।জিসানুল হক বলেন, চক্রের সদস্যদের হাতে ৯ শতাধিক ভুক্তভোগী কুয়েতে পাচারের শিকার হয়। জনপ্রতি তাদের কাছ থেকে ৬ লাখ বা তারও বেশি টাকা হাতিয়ে নেয় ওই চক্র।পাচারের ফাঁদ হিসেবে গমনেচ্ছুদের ভালো বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে কুয়েতে পাঠাতেন। ভুক্তভোগীরা সেখানে গিয়ে চাকরি না পেয়ে দুর্বিষহ জীবনযাপন করতেন। সেখানে খাদ্য ও বাসস্থান সংকটের ফলে তারা উদ্বাস্তু অবস্থায় কুয়েতের রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াতেন তারা। পাচারের পর কুয়েতে ভুক্তভোগীদের আটকে রেখে নির্যাতন চালাতো ওই চক্র।

তিনি বলেন, প্রতারিত হওয়ার পর কয়েকজন ভুক্তভোগী কুয়েতের সরকারি এজেন্সি ও জনশক্তি কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেন। এরপর কুয়েত পুলিশ বিষয়টি তদন্ত শুরু করে। অভিযোগের সত্যতা পেলে কুয়েত আদালতে এই চক্রের সদস্যদের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা হয়। এই চক্রের মূল হোতা একজন কুয়েতি এবং তিন বাংলাদেশি চক্রের অন্যতম সদস্য। এরপর কুয়েত আদালত তিন বাংলাদেশিকে তিন বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়। এবং কুয়েতের নাগরিক ও চক্রের মূল হোতাকে ছয় বছরের কারাদণ্ড দেয় বলে জানা যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ